4th Week HSC Economics Assignment Answer 2022

Originally posted on July 22, 2021 @ 8:18 am

HSC Economics 1st Paper (অর্থনীতি) Assignment 2022. এইচএসসি Economics Assignment Answer, এইচএসসি অর্থনীতি অ্যাসাইনমেন্টের উত্তর, Hsc Economics Assignment Answer. Economics 1st paper Assignment। এইচএসসি অর্থনীতি ১ম পত্র এসাইনমেন্ট. In other words, HSC Economics 1st Paper Assignment 2022. এইচএসসি অর্থনীতি ১ম পত্র এসাইনমেন্ট ২০২২. HSC Economics 1st Week (অর্থনীতি ১ম পত্র) Assignment. 4th Week HSC Economics Assignment

Assignment or Evaluation Guidelines have published for the candidates of Higher Secondary Examination 2020 in light of the successful argument of ‘Rearrangement’. Assignments have published by the Department of Secondary and Higher Secondary Education(dshe.gov.bd).

HSC Economics 4th Week Assignment (অর্থনীতি ১ম পত্র) 2022

The pandemic situation in the country has taken a terrible turn. Meanwhile, holidays in educational institutions are increasing due to the deteriorating pandemic condition. Ministry of Education is forced to close educational institutions to avoid health risks to students due to deteriorating pandemic conditions. Following this, the Ministry of Education initiates assignments to keep the secondary students engaged in their studies. And later it was decided to start an assignment or schedule work to continue higher education. The Director-General of the Department of Secondary and Higher Secondary Education said that the number of students will be given in this assignment.

উল্লেখ্য, সাপ্তাহিক এসাইনমেন্ট এর ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের পরবর্তী শ্রেণীতে উত্তীর্ণ করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে l মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেছেন এবারের অ্যাসাইনমেন্টে শিক্ষার্থীদের নম্বর দেওয়া হবে l যা পরবর্তী ক্লাসে ওঠার ক্ষেত্রে কাজে দেবে l HSC Economics 1st Week (অর্থনীতি ১ম পত্র) Assignment

HSC Economics 4th Week Assignment 2021 & Answer

Economics is an essential theoretical subject for Humanities students. The importance of Economics in Humanities is immense. And so the assignment of Economics students of Humanities department in 2022 HSC exam is vital. Economics 1st paper assignments have already published.

 

4th Week HSC Economics Assignment Answer

চাহিদাঃ

সাধারণত চাহিদা শব্দের অর্থ হচ্ছে কোন দ্রব্য পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা বা ভােগ করার ইচ্ছা। তবে অর্থনীতিতে চাহিদা শব্দটি বিশেষ অর্থ বহন করে। এখানে আকাঙ্ক্ষার সাথে সামর্থ্য বিশেষভাবে জড়িত চাহিদা হচ্ছে কোনাে দ্রব্য পাওয়ার ইচ্ছা বা আকাঙ্ক্ষা যা নির্ভর করে ক্রয়ক্ষমতা এবং অর্থ খরচ করে ঐ দ্রব্যটি ক্রয় করার ইচ্ছার উপর শুধুমাত্র কোনাে দ্রব্য পাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলেই তা চাহিদা হবে না। একজন দিনমজুর কাজের ফাঁকে বিশ্রাম নিতে গিয়ে পাশে রাখা দামি গাড়িটি পাওয়ার ইচ্ছা হলাে। কিন্তু গাড়িটি কেনার জন্য। প্রযােজনীয় অর্থ তার কাছে নেই। তাহলে ইহাকে চাহিদা বলা যাবে না।

আবার,ধরুন আমার আইসক্রীম খেতে ইচ্ছে করল এবং আইসক্রীম কেনার জন্য অর্থ আছে। কিন্তু অর্থ খরচ করে আইসক্রীম কেনার ইচ্ছা নেই। এটিকেও চাহিদা বলা যাবে না। সুতরাং অর্থনীতিতে চাহিদা হতে হলে তিনটি শর্ত পূরণ করতে হয়। যথা:

(১) কোনাে দ্রব্য পাওয়ার ইচ্ছা বা আকাঙ্ক্ষা

(২) দ্রব্যটি কেনার জন্য প্রয়ােজনীয় অর্থ ও

(৩) অর্থ খরচ করে দ্রব্যটি কেনার ইচ্ছা।

যােগানঃ

সাধারণ অর্থে যােগান হচ্ছে কোনাে দ্রব্যের মজুদ পরিমাণ। কিন্তু অর্থনীতিতে যােগান বলতে। বােঝায় বাজারে একটি নির্দিষ্ট সময়ে একটি নির্দিষ্ট দামে কোনাে দ্রব্যের যে পরিমাণ সরবরাহ থাকে। কোনাে দ্রব্যের মজুদ বলতে বােঝায় একটি নির্দিষ্ট সময়ে ও একটি নির্দিষ্ট দামে বাজারে ঐ দ্রব্যটির | কি পরিমাণ সরবরাহ রয়েছে। কিন্তু যােগান হচ্ছে। একটি নির্দিষ্ট দামে ও সমযে বিক্রেতা কোনাে দ্রব্যের কি পরিমাণ মজুদ বিক্রি করতে প্রস্তুত।

চাহিদা ও যােগানের সূচিঃ

চাহিদা সূচিঃ অন্যান্য অবস্থা অপরিবর্তিত থাকা অবস্থায় কোন দ্রব্যের দাম ও চাহিদার পরিমাণের মধ্যে সম্পর্ককে যে সারণির মাধ্যমে দেখানাে হয় তা হচ্ছে চাহিদা সূচি।

সংমিশ্রণ প্রতি কেজি পোরার দাম চাহিদার পরিমাণ
a ৮০
b ৭০ ২০ 
c ৬০ ২৫

সারণি-1:পেয়ারার চাহিদা সূচি

সারণি-১ এ পেয়ারার চাহিদা সূচি দেখানাে হয়েছে। প্রতিটি দামে ভােক্তা যে পরিমাণ পেয়ারা ক্রয় করে তা নির্ধারণ করতে পারি। সারণিতে, প্রতি কেজি ৮০ টাকা দামে ভােক্তা | প্রতি মাসে ১৫ কেজি পোরা ক্র্য করে, ৭০ টাকা দামে। ২০ কেজি পোরা ক্রয় করে এবং ৬০ টাকা দামে ২৫ কেজি পেয়ারা ক্রয় করে। এভাবে সারণি থেকে দেখা যায়, প্রতি। কেজি পোরার দাম যত কমছে পেয়ারার চাহিদার পরিমাণ তত বাড়ছে। চাহিদা সূচি অনুযায়ী আমরা দেখতে পাচ্ছি। যে, একটি নির্দিষ্ট সময়ে চাহিদার অন্যান্য নির্ধারণসমূহ স্থির থাকা অবস্থায় দ্রব্যের দামের উপর দ্রব্যটির প্রকৃত ক্রয়ের পরিমাণ নির্ভর করে।

7

রেখা চিত্রের মাধ্যমে চাহিদা সূচির প্রকাশই হচ্ছে চাহিদা রেখা। | চিত্র ১ এ OY বা লম্ব অঙ্কে । পেয়ারার দাম ও ox বা ভূমি

অক্ষে পেয়ারার চাহিদার পরিমাণ দেখানাে হয়েছে। DD হচ্ছে ভােক্তার পেয়ারার চাহিদা বেখা। এই রেখার a, b, c, বিন্দুগুলােতে | বিভিন্ন দামে চাহিদার বিভিন্ন পরিমাণ প্রকাশ পায়। যেমন, a বিন্দু দ্বারা বােঝা যায়, ৮০ টাকা দামে ভােক্তার । পেয়ারার চাহিদার পরিমাণ ১৫ কেজি। আবার c বিন্দুতে ৬০ টাকা দামে পেয়ারার চাহিদা পরিমাণ ২৫ কেজি। অর্থাৎ দাম ও চাহিদার মধ্যে বিপরীত সম্পর্ক বিদ্যমান। দাম কমার সাথে সাথে চাহিদার পরিমাণ বাড়তে থাকে এবং চাহিদা রেখাটি বাম থেকে ডান দিকে নিম্নগামী হয়ে থাকে।

প্রতিকেজি পেয়ারার দাম যােগানের পরিমাপ(কেজি) চাহিদার পরিমাণ
60 15 a
70 20 b
80 25 c

সারণি-2: পেয়ারার যােগানের সূচি

সারনি ২: এ দেখা যাচ্ছে যে, পেয়ারার দাম বৃদ্ধি পাবার সাথে সাথে পেয়ারার যােগানের পরিমাণও। বৃদ্ধি পাচ্ছে, যখন অন্যান্য বিষয় (যা বিক্রেতার বিক্রির পরিমাণকে প্রভাবিত করতে পারে) অপরিবর্তিত থাকে।

11

রেখাচিত্রের মাধ্যমে যােগান সূচির প্রকাশই হচ্ছে যােগান রেখা। চিত্র ২ এ OY বা লম্ব অক্ষে পেয়ারার দম ও ox বা ভূমি অষ্কে পেয়ারার যােগান পরিমাণ দেখানাে হয়েছে। SS হচ্ছে বিক্রেতার পেয়ারার যােগান রেখা। এই রেখার a, b, c, বিন্দুগুলােতে বিভিন্ন দামে যােগানের বিভিন্ন পরিমাণ প্রকাশ পায়। যেমন, C বিন্দু দ্বারা বােঝা যায়, ৮০ টাকা দামে বিক্রেতার পেয়ারার। যােগানের পরিমাণ ২৫ কেজি। আবার a বিন্দুতে ৬০ টাকা। দামে পেয়ারার যােগানের পরিমাণ ১৫ কেজি। অর্থাৎ দাম ও | যােগানের মধ্যে সমসম্পর্ক বিদ্যমান। দাম বাড়ার সাথে সাথে যােগানের পরিমাণ বাড়তে থাকে এবং যােগান রেখাটি বাম । থেকে ডান দিকে উর্ধ্বগামী হয়ে থাকে।

ভারসাম্য দাম ও পরিমাণঃ

যে কোনাে দ্রব্য বা সেবা সামগ্রীর জন্য। একটি নির্দিষ্ট সময়ে যে দামে চাহিদা ও যােগানের পরিমাণ সমান হয়, তাকে ভারসাম্য দাম বলা হয়। একটি নির্দিষ্ট সময়ে যে পরিমাণ দ্রব্যের ক্ষেত্রে চাহিদা দাম ও যােগান দাম সমান হয়, তাকে ভারসাম্য পরিমাণ বলা হয়। কোন প্রতিযােগীতামূলক বাজারে কোন দ্রব্যের ক্রয় বিক্রয় নিয়ে ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে দর কষাকষি হয়। ক্রেতারা কম দাম দিতে চায় আর বিক্রেতারা তার দ্রব্যকে বেশী দামে বিক্রয় করতে চায়। এই দর কষাকষির মধ্যেমে এমন একটি দমে দ্রব্যটি | ক্রয়-বিক্রয় হয় | যেখানে দ্রব্যের চাহিদা ও যােগানের পরিমাণ। পরস্পর সমান হয়। এই দামকে ভারসাম্য দাম এবং ক্র্য বিক্রযের। পরিমাণকে ভারসাম্য পরিমাণ বলা হয়। ভারসাম্য দাম ও পরিমাণের | এই স্থিতিবস্থাকে বাজার ভারসাম্য বলে পরিচিত।

সাধারণত: নিম্নোক্ত দুই ভাগে বাজার ভারসাম্য দাম ও পরিমাণ নির্ধারণ হয়ে থাকে। যথা: (1)সূচি ও রেখা চিত্রের সাহায্যে (2)গাণিতিক/ বীজগাণিতিক মডেলের সাহায্যে

পেয়ারার বাজারের ভারসাম্য বিশ্লেষণঃ

আমাদের প্রশ্নের তথ্যের ভিত্তিতে পেয়ারার বাজারের ভারসাম্য বিশ্লেষণ এর জন্য নিম্নোক্ত তালিকা তৈরি করা হলাে :

16

চিত্র ৩ এ বাজার চাহিদা রেখা (DD) ও বাজার যােগান রেখা (SS) পরস্পরকে e বিন্দুতে ছেদ করেছে। এই e বিন্দুতে বাজার ভারসাম্য বিদ্যমান। ভারসাম্য হচ্ছে এমন একটি অবস্থা যেখানে একটি নির্দিষ্ট দমে চাহিদার পরিমাণ ও যােগানের পরিমাণ সমতায় পৌঁছে। চাহিদা ও যােগানের ছেদবিন্দুতে যে দাম বিদ্যমান তা হচ্ছে ভারসাম্য দাম এবং দ্রব্যের পরিমাণ হচ্ছে ভারসাম্য পরিমাণ।

চিত্রে, ভারসাম্য দাম ৭০ টাকা (প্রতি কেজি) এবং ভারসাম্য পরিমাণ ২০ কেজি। ভারসাম্য দামে ভােক্তা বা ক্রেতা যে পরিমাণ দ্রব্য ক্রয় করতে ইচ্ছুক এবং | বিক্রেতা যে পরিমাণ দ্রব্য বিক্রি করতে রাজি থাকে এ দু’যের পরিমাণ সমান থাকে। এই ভারসাম্য দামকে মাঝে মাঝে market clearing price ও বলা হয়। কারণ, এ দামে বাজারে ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়ই সন্তুষ্ট থাকে। সাধারণত ক্রেতা ও বিক্রেতা ক্রিয়া চাহিদা ও যােগানের ভারসাম্যকে ঘিরে আবর্তিত হয়।

যখন বাজার দাম ভারসাম্য দামের সমান না হয় তখন কি হতে পারে। প্রথমে ধরে নেই, বাজার দাম ভারসাম্য দামের চেয়ে বেশি। চিত্রে বাজার দাম যথন ৮০ টাকা। তখন পেয়ারার যােগানের পরিমাণ ২৫ কেজি এবং পেয়ারার চাহিদার পরিমাণ ১৫ কেজি। অর্থাৎ,পেয়ারার উদ্বৃত্ত ১০ কেজি। এখানে যােগানদার যে পরিমাণ দ্রব্য যােগান দিতে ইচ্ছুক চলতি দামে তার সবটুকু বিক্রি করতে পারে না। উদ্বৃত্ত অবস্থাকে অতিরিক্ত যােগান | (excess supply) বলা হয়।

যখন পেয়ারার বাজারে ‘উদ্বৃত্ত দেখা দেয় তখন প্যোরা বিক্রেতা উদ্বৃত্ত পেয়ারা মজুদ করে রাখে। এ অবস্থায় পেয়ারা বিক্রেতার উপর পেয়ারার দাম হ্রাসের চাপ সৃষ্টি হয়। ফলস্বরূপ, দাম হ্রাস পায়। এতে পেয়ারার যােগানের পরিমাণ হ্রাস পায় এবং পেয়ারার চাহিদার পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। পেয়ারার দাম হ্রাস পেতে থাকে যতক্ষণ পর্যন্ত না বাজার। ভারসাম্যে পৌঁছে।

এখন ধরি,

বাজার দাম ভারসাম্য দামের চেয়ে কম। | চিত্রে পেয়ারার দাম যখন ৬০ টাকা তখন পেয়ারার চাহিদার পরিমাণ ২৫ কেজি ও যােগানের পরিমাণ ১৫ কেজি। এখানে পেয়ারার ঘাটতি ১০ কেজি। ক্রেতার যে পরিমাণ প্যোরা ক্রয় করতে ইচ্ছুক চলতি দামে তার। সবটুকু ক্রয় করতে পারে না। মাঝে মাঝে এ ধরনের পরিস্থিতিতে ‘অতিরিক্ত চাহিদা’ (excess demand) বলা হয়। যখন দ্রব্যের প্রাপ্যতার তুলনায় ক্রেতার সংখ্যা। অধিক থাকে তখন বিক্রেতা দ্রব্য। বিক্ৰযে কোন ধরণের ক্ষতির সম্মুখীন না হয়েই দ্রব্যের দাম বৃদ্ধি করে।

অর্থাৎ দ্রব্যের দামের উধ্বমুখী চাপ সৃষ্টি হয়। যখন দ্রব্যের দাম বৃদ্ধি পায় তখন দ্রব্যের চাহিদার পরিমাণ হ্রাস পায় এবং যােগানের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। এভাবে বাজার পুনরায় ভারসাম্য অবস্থায় ফিরে আসে। ক্রেতা। | ও বিক্রেতার ক্র্যিা প্রতিক্র্যিার মাধ্যমে বাজার দাম ভারসাম্য দামে উপনীত হয়। ভারসাম্য অবস্থায় ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়ই সন্তুষ্ট থাকে এবং দামের উপর। উধ্বমুখী ও নিম্নমুখী কোন ধরণের চাপ থাকে না।

Conclusion

In Other words, our efforts in creating thematic assignments ensure that everyone benefits. As a result, this is our activity in creating Bangla assignments for classes six to nine. Hopefully, we have been able to solve all the assignments very easily and properly. In order to, we will continue such activities in the future. so we hope you like it.

Stay tuned with us.🙌

For more query ask us without any hesitation: Click Here!!😊

https://m.me/nhasibul

https://m.me/consciously.unconscious.7

Updated: September 19, 2021 — 5:41 am

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *