Class 6 Bangla 9th Week Assignment Answer 2021

Class 6 Bangla 9th ( বাংলা ১ম পত্র ) Assignment. Class 6 Bangla Assignment Answer, বাংলা অ্যাসাইনমেন্টের উত্তর, Class 6 Bangla Assignment Answer. In other words, Bangla 1st paper Assignment। Class 6 9th এসাইনমেন্ট. Similarly, Class 6 Bangla 1st Paper Assignment 2021. বাংলা এসাইনমেন্ট ২০২১. Moreover, class 6 Bangla 1st Paper Assignment 2021. Class 6 Bangla 9th Week Assignment 2021. Class 6 Bangla 9th Week Assignment Answer 2021

In addition, The education system was disrupted this year due to the pandemic situation. As a result, educational institutions could not conduct any final examinations. In the current context, the Ministry of Education has taken special measures to keep the education system active.  Therefore, the Bangladesh Board of Education has decided, that students will have to submit assignments instead of exams. So, consistently they need to finish in any event 3 tasks in three subjects.

Class 6 Bangla ( বাংলা ) Assignment 9th Week 2021

SSC Class 10 Bangla 1st Week Assignment 2021. বাংলা একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও বিকাশ হওয়ার পর থেকে আজ অব্দি বহু সাহিত্য রচনা হয়েছে। এই সকল সাহিত্য বাংলা ও বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে বিশেষভাবে উপস্থাপন করেছে। বাংলা সাহিত্যের জগতকে বিশেষভাবে সমৃদ্ধ করেছেন অসংখ্য কবি সাহিত্যিক। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, জসীম উদ্‌দীন,মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, জীবনানন্দ দাশ, মাইকেল মধুসূদন দত্ত, জহির রায়হান, ফররুখ আহমদ, বেগম রোকেয়া প্রমূখ কবি সাহিত্যিকগণ বিশেষ অবদান রাখেন l বিখ্যাত এসব কবি সাহিত্যিকদের লেখা লিপিবদ্ধ রয়েছে পাঠ্যপুস্তকে l এইসব রচনা থেকে শুধু মাত্র জ্ঞান আহরণ নয় বরং এগুলো একজন মানুষকে মননশীল এবং আলোকিত করে গড়ে তুলতে সাহায্য করে l

Class 6 Bangla 9th Week Assignment 2021

বাংলা ১ম পত্র (বিষয় কোড: ১০১) অ্যাসাইনমেন্ট নম্বর:

Class 6 Bangla 9th Week Assignment Answer 2021

অ্যাসাইনমেন্টের উত্তর

ভূমিকাঃ

বর্তমান যুগের ব্যস্ততা সর্বস্ব জীবনের ইঁদুর দৌড়ে আমাদের শরীর ও মন যখন রােজকার একই পরিবেশের ক্লান্তি এবং একঘেয়েমিতে ভরে ওঠে, তখন নিত্যদিনের সেই চেনা চারপাশ থেকে আমাদের মন একটুখানি মুক্তির আনন্দের জন্য ছটফট করে।। সেই সময় মনকে কিছুদিনের জন্য বিশ্রাম দিতে এবং নিজের ক্লান্তি ও একঘেয়েমি দূর করে জীবনের পরবর্তী ব্যস্ততার জন্য তৈরি হতে প্রয়ােজন ভ্রমণের। ভ্রমণ আমাদের বর্তমান জীবনের এমন একটি অংশ যাকে অস্বীকার করে কোনােভাবেই ভালাে থাকা যায় না। ভ্রমণ আমাদের ক্লান্তি ও গ্লানিতে ভরে ওঠা মনকে পুনরায় কোন এক জাদুকাঠির ছোঁয়ায় সতেজ করে তােলে। আমি আদ্যোপান্ত একজন ভ্রমণপিপাসু বাঙালি। প্রত্যেক বছর কোথাও-নাকোথাও ব্যস্ত জীবন থেকে কিছুদিনের মুক্তি খুঁজে নেওয়ার উদ্দেশ্যে আমি ছুটে যাই। তেমনই আমার এই বছরের ভ্রমণ গন্তব্য মােহময়ী সুন্দরবন।

জীবনে ভ্রমণের তাৎপর্যঃ

জীবনে ভ্রমণের তাৎপর্য বলে শেষ করার মতন নয়। ভ্রমণ আমাদের শরীর তথা মন উভয়কে বিশেষভাবে প্রভাবিত করতে সক্ষম। ভ্রমনের ফলে একদিকে আমাদের মন যেমন জীবনের ক্লান্তি ও গ্লানি দূর করে সতেজ হয়ে উঠে, অন্যদিকে আমাদের শরীরও সকল জড়তা কাটিয়ে সতেজতায় পূর্ণ হয়ে ওঠে। এমনকি বিভিন্ন রােগ মুক্তির ক্ষেত্রেও ভ্রমণের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। সে কারণেই প্রাচীন যুগ থেকে এখনাে পর্যন্ত চিকিৎসকেরা বহু রােগ থেকে সেরে ওঠে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার পূর্বে ভ্রমণের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। তাছাড়া ভ্রমণ মানুষকে চিন্তাশীল হতে শেখায়। শেখায় জীবনের প্রতিকূল অবস্থার সাথে যুঝে নিতে। প্রাচীনকালে রাজারা রাজ্য চালনার ক্ষেত্রে কোন বিশেষ প্রতিকূল অবস্থার সম্মুখীন হলে মৃগয়ায় যেতেন। এই মৃগয়াতে শিকার অপেক্ষা ভ্রমণের গুরুত্বই বেশি থাকত।

স্থান নির্বাচনঃ

যথাযথ স্থান নির্বাচন একটি সুন্দর ভ্রমণের অভিজ্ঞতা লাভের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ভ্রমণের স্থান নির্ভর করে ভ্রমণকারীর মানসিক অবস্থা, শারীরিক সক্ষমতা, পারিবারিক পরিস্থিতি, আর্থিক স্বচ্ছলতা ইত্যাদি বিষয়ের উপর। আমি সাধারণতঃ চিরাচরিত জীবন থেকে ছুটি নিয়ে প্রকৃতির বুকে ভ্রমণের উদ্দেশ্যে ছুটে যেতেই ভালােবাসি। পাহাড়, নদী, সমুদ্র ও জঙ্গল এই সবই আমার অত্যন্ত পছন্দের বিষয়। তবে সপরিবারে যাওয়ার হলে বিশেষ চিন্তাভাবনা করে ভ্রমণের স্থান নির্বাচন করতে হয়। এইবার আমার বাড়ির অত্যন্ত কাছে অবস্থিত সুন্দরবনকে ভ্রমণের স্থান হিসেবে আমি বেছে নিয়েছিলাম। এই সুন্দরবন একই সাথে নদী, মােহনা এবং জঙ্গলের এক অপূর্ব সমাহার। তাই কাছাকাছির মধ্যে প্রকৃতির | কোলে কয়েকটি দিন কাটানাের জন্য সুন্দরবনের থেকে বেশি উপযুক্ত জায়গা আর কিইবা হতে পারে।

গন্তব্য ও যাত্রাপথঃ

আমাদের গন্তব্য সুন্দরবনের যাত্রা শুরু হয় শিয়ালদা স্টেশন থেকে। এইখান থেকে লােকাল ট্রেনে চেপে। ক্যানিং স্টেশন হয়ে বাস কিংবা অটোতে আমরা পৌছে গেছিলাম সােনাখালি লঞ্চঘাট। সেখান থেকে লঞ্চে করে সুন্দরবনের বুকে একটু একটু করে আমাদের প্রবেশ শুরু। লঞ্চে ওঠার পর থেকেই মুহূর্তে মুহূর্তে চারপাশের দৃশ্য বদলে যেতে থাকে।

বেশ খানিকটা যাওয়ার পর দেখা যায় বিভিন্ন ধরনের নাম-না-জানা গাছ, পাখিদের মিষ্টি আওয়াজ নদীর দুপাশ থেকে কানে ভেসে আসে। লঞ্চ থেকে জলের দিকে চোখ পড়তেই দেখতে পেলাম বিখ্যাত গাঙ্গেয় ডলফিন বা চলতি ভাষায় যাকে বলা হয় শুশুক। তারপর লঞ্চ থেকে যখন নামলাম তখন সূর্য প্রায় পশ্চিম গগনে ঢলে পড়ার মুখে। শীতের দিন বলে একটু শীত শীত করতে লাগলাে।

উদ্ভিদ জগতের অপরুপ বাহারঃ

সুন্দরবন প্রাকৃতিক বৈচিত্র্যে ভরপুর। আমাদের যে গাইড তার কাছ থেকেই জানতে পারলাম ভারতবাংলাদেশ এই দুই দেশ জুড়ে বিস্তৃত সুন্দরবনে প্রায় ৩৫০ প্রজাতির উদ্ভিদ পাওয়া যায়। এর মধ্যে অধিকাংশই ম্যানগ্রোভ জাতীয় উদ্ভিদ। পৌঁছনাের পরেরদিন জঙ্গল সাফারিতে বেরিয়ে দেখতে পেলাম ঘন বনের ফাক দিয়ে সূর্যের আলাে এসে পড়েছে মাটিতে। বিভিন্ন নাম না জানা গাছ, পাখিদের আওয়াজ আর অদ্ভুত এক মায়াবী নিস্তব্ধতা সমগ্র প্রকৃতিকে যেন ঘিরে রেখেছে। এরইমধ্যে শ্বাসমূল আর ঠেস মূল যুক্ত গাছগুলি পরিবেশকে আরাে মায়াবী করে তুলেছে। পথে চলতে চলতে চোখে পড়ল বিভিন্ন ধরনের অত্যন্ত সুন্দর সুন্দর সব ফুল আর লতা গুল্ম। গাইডের থেকে শুনলাম এই জঙ্গলে বহু ধরনের ভেষজ উদ্ভিদ পাওয়া যায়। সবচেয়ে মনমুগ্ধকর গাছ গুলির মধ্যে চোখে পড়ল বিখ্যাত সুন্দরী, গরান ও গেওয়া গাছ।

সুন্দরবনের প্রাণীকুলঃ

সুন্দরবনের জঙ্গলের আরেকটি সবচেয়ে উল্লেখযােগ্য এবং অবিচ্ছেদ্য অংশ হলাে এখানকার প্রাণীকুল। সুন্দরবনের স্থলভাগ বিভিন্ন ধরনের প্রাণীদের স্বর্গরাজ্য। এদের মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযােগ্য হলাে রয়েল বেঙ্গল টাইগার। যদিও বর্তমানে বাঘের সংখ্যা উল্লেখযােগ্যভাবে কমে যাওয়ার দরুন সহজে বাঘ চোখে পড়ে না। জঙ্গল সাফারির প্রথম দিনে আমরাও বাঘ দেখতে পাইনি। তবে চোখে যা পড়েছিল তা কোনাে অংশে কম নয়। দূর থেকে আমরা দেখেছিলাম সুন্দরবনের বিখ্যাত চিত্রা হরিণের পাল জল খেতে এসেছে নদীর ধারে; গাছের ডাল থেকে উড়ে যাচ্ছে অদ্ভুত সুন্দর রঙের পাখিরা।

আমাদের গাইডের সাহায্যে গাছের উপরে দেখতে। পেলাম অদ্ভুত সুন্দর গিরগিটি। এছাড়া চোখে পড়ল গােসাপ, বন বিড়াল আরাে কত কি। চলতে চলতে লােকমুখে জানতে পারলাম সুন্দরবনের জঙ্গলে অত্যন্ত সুদর্শন কিন্তু ভয়ংকর বিষাক্ত বহু সাপ রয়েছে। তাদের থেকে সাবধান থাকার জন্য ভ্রমণের সময় সঙ্গে গাইড এবং কার্বলিক অ্যাসিড রাখা বাধ্যতামূলক।

জলপথে ভ্রমণঃ

জঙ্গল সাফারির পরের দিন শুরু হলাে সুন্দরবনের জলপথে আমাদের রােমাঞ্চকর ভ্রমণ। সুন্দরবনের জলপথ অন্যান্য জায়গা থেকে একেবারে অন্যরকম। কাছাকাছি মােহনা থাকার কারণে এখানকার জলভাগের প্রাণীবৈচিত্র্যও অন্যান্য জায়গা থেকে তুলনামূলকভাবে অনেক আলাদা। বড় একটি লঞ্চে চেপে আমরা সেইদিন রওনা হলাম সুন্দরবনের আরাে ভেতরে। সাথে সাথে নদীর দু’পাশের অরণ্যও ঘন হয়ে উঠতে থাকলাে। লঞ্চ থেকে নদীর দিকে তাকাতে আবারও চোখে পড়লে শুশুক, তাছাড়া দেখা গেল বিভিন্ন ধরনের মাছ, বক, মাছরাঙ্গা পাখি ইত্যাদি। ইতিমধ্যে কয়েকবার কয়েকটি কচ্ছপও চোখে পড়ল। বেশ কিছুদূর যাওয়ার পর নদীর একপাশে কাদার উপর দেখতে পেলাম দুটি কুমির রােদ পােহাচ্ছে। সেই দিন লঞ্চেই আমাদের রাতের খাওয়া দাওয়া এবং ঘুমের ব্যাবস্থা হয়েছিল। খাওয়া-দাওয়ার পর লঞ্চের ডেকে এসে জঙ্গলের দিকে তাকিয়ে দেখতে পেলাম জ্যোৎস্না ভরা জঙ্গলের অদ্ভুত এক মায়াবী পরিবেশ। সমগ্র মন প্রসন্নতায় ভরে উঠলাে।

 ট্রি-হাউজে একটি দিনঃ

জলপথে ভ্রমণের পরের দিন আমাদের গাছের ঘর বা ট্রি-হাউসে থাকার একটি অনন্য অভিজ্ঞতা হল। জঙ্গলের বেশ খানিকটা ভিতরে একটি বড় গাছের ওপর সুন্দর ছােট ছিমছাম একটি ট্রি-হাউজ; সেইখানেই আমাদের থাকার ব্যবস্থা হয়েছিল। দিনের বেলা সেই ঘর থেকে আশেপাশের জঙ্গল দেখা যায়। এছাড়া চোখে পড়ে বহু পাখিদের আনাগােনা, কানে আসে তাদের কলতান। নিচ থেকে একটি অস্থায়ী কাঠের সিঁড়ি দিয়ে ট্রি-হাউসে উঠতে হয়। বিকেলের পর গাছের উপর থেকে নিচে নামা সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ।

সেইখানে রাত যখন খানিকটা গভীর হয়ে এসেছে তখন ঘরের জানালা দিয়ে বাইরে নিচের দিকে তাকাতেই পূর্ণিমার চাঁদের আলােয় স্পষ্ট চোখে পড়ল বহু প্রতীক্ষিত রয়েল বেঙ্গল টাইগার। দেখতে পেলাম দুটি বাঘ গাছের নিচের জঙ্গলে ঘুরে বেড়াচ্ছে। চাদের আলােয় জোছনা রাতে বাঘ দেখার সেই অভিজ্ঞতা যে কতটা মনােমুগ্ধকর ছিল তা ভাষায় বর্ণনা করা সম্ভব নয়।

রসনা তৃপ্তিঃ

বাঙালি একদিকে যেমন ভ্রমণপিপাসু, আরেকদিকে তেমন খাদ্যরসিকও বটে। তাই ভ্রমণে গিয়ে স্থানীয় রসনার স্বাদ না নিলে সেই ভ্রমণ অসম্পূর্ণ থেকে যায়। এই উদ্দেশ্যেই সুন্দরবনের বিভিন্ন খাবার চেখে দেখতে গিয়ে অভিভূত হয়ে পড়লাম।

এখানকার স্থানীয়দের মাটির হাঁড়িতে রান্না করা বন। মােরগের মাংসের ঝােলের স্বাদ কোনদিন ভুলতে পারবােনা। তাছাড়া জলবিহারের দিন লঞ্চের রান্না হওয়া কাকড়ার ঝােলও ছিল অনবদ্য। এছাড়া। এখানকার বন থেকে সংগ্রহ করা খাটি মধুর কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করতে হয়। বাকি দিনগুলিতে বিভিন্ন ধরনের টাটকা সুস্বাদু মাছ আমাদের রসনা তৃপ্তি ঘটিয়েছিল।

উপসংহারঃ

এইভাবে কয়েকটি দিন সুন্দরবনে প্রকৃতির কোলে। কাটিয়ে আমরা পুনরায় নিজেদের জীবনে ফিরে এলাম। ফিরে আসার জন্য আমরা বেছে নিয়েছিলাম জলপথকে। অর্থাৎ সুন্দরবন থেকে সরাসরি লঞ্চে করে পুনরায় শহরে ফিরে আসা। সেই অভিজ্ঞতাও অদ্ভুত সুন্দর ছিল। প্রকৃতির এই পরম আশ্রয়ে ওই কয়েকটি দিন আমার পরবর্তী সারা বছরের জন্য বাঁচার রসদ জুগিয়ে দিল। সেজন্যই হয়তাে আজও রাতে শহরের ঘরের নরম বিছানায় ঘুমাতে গেলে লঞ্চে কাটানাে রাতের সেই জোছনাময় জঙ্গলের কথা কিংবা ট্রি-হাউজের জানালা থেকে পূর্ণিমার রাতে বাঘ দেখার স্মৃতি মনে ভেসে আসে। এখানেই ভ্রমণের প্রকৃত সার্থকতা।

 

Remark

In Other words, our efforts in creating thematic assignments ensure that everyone benefits. As a result, this is our activity in creating Bangla assignments for classes six to nine. Hopefully, we have been able to solve all the assignments very easily and properly. In order to, we will continue such activities in the future. so we hope you like it. Bangla Assignment 6 to 9

Stay tuned with us.🙌

Join our Facebook Group

https://upodesh.com/

For more query https://m.me/nhasibul

https://m.me/consciously.unconscious.7

Updated: June 28, 2021 — 8:49 am

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *