HSC 8th Week Sociology 2nd Paper Assignment

Originally posted on September 12, 2021 @ 5:03 am

Finally, The 8th week assignment activities of the upcoming 2022 HSC candidates have published. The eighth week assignment of 2022 HSC candidates has scheduled. HSC 2022 8th Week Sociology 2nd Paper Assignment. HSC 8th Week Sociology 2nd Paper Assignment 2022. Sociology 2nd Paper 8th Week Assignment HSC Exam 2022. এইচএসসি পরীক্ষা ২০২২ অষ্টম সপ্তাহের সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র অ্যাসাইনমেন্ট l ৮ম সপ্তাহের সমাজবিজ্ঞান ২য় পত্র অ্যাসাইনমেন্ট এইচএসসি পরীক্ষা ২০২২ l ৮ম সপ্তাহের সমাজবিজ্ঞান ২য় পত্র অ্যাসাইনমেন্টের উত্তর/সমাধান l Sociology 2nd Paper 8th Week Assignment HSC Exam 2022 With Answer. So, HSC 8th week Sociology 2nd Paper assignment 2022 with answer. somajbiggan ditiyo potro assignment. Keep an eye on our site to get all the weekly assignments of HSC 2022 and its solutions. HSC Sociology 2nd Paper All week assignments and their solutions is ready.

HSC Sociology 2nd Paper 8th Week Assignment

As in the previous year, high school students given unspecified assignments every week. As a result, assignments and assessments have made for the students in the curriculum and textbooks in compliance with the hygiene rules. Assignment and assessment measures have taken to continue the learning process of the students. Schools have also asked to accept assignments to students online or at social distance. It has asked to ensure that no student is under financial pressure. Assignment No examination or homework can given to students without unscheduled work.

The 8th week assignment of 2022 HSC candidates has released. Instructions in this regard have been provided on the website of the Department of Secondary and Higher Education (dshe.gov.bd). The directive states that due to the coronavirus epidemic, national education activities and textbooks have created assignment activities for students taking part in the HSC exams in 2022. Assignment activities have created in the student learning activities based on the rearranged curriculum for the students. In this context, Sociology 2nd paper given as an assignment in the 8th week. And given as a student homework.

HSC Exam 2022 Sociology 2nd Paper 8th Week Assignment

The Department of Secondary and Higher Education has released the eighth week assignment of next year’s HSC candidates. As well as, the Department of Education has asked all teachers and field officials to follow the hygiene rules in distributing and submitting assignments to all students.

Due to Corona, all educational institutions in the country have closed since March 16, 2020. In addition, due to the closure of normal class activities, the students admitted in class XI are not able to participate in the educational activities as per the prescribed syllabus. They are not going to evaluated. The Ministry of Education has taken various activities as an alternative. For this reason, the Ministry of Education has taken various activities as an alternative. As part of this, NCTB has rearranged the curriculum and syllabus for the 2022 HSC candidates.

Important Suggestions in Assignment Evaluation

The Department of Secondary and Higher Education has given new instructions to teachers in evaluating student assignments. The education system of Bangladesh will go through an important step in terms of evaluation. Students’ memorization will decrease. At the same time they will learn to think subtly. And able to think creatively as well.

মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা, পুনর্বিন্যাসকৃত পাঠসূচির ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের শিখন কার্যক্রম সম্পৃক্তকরণ ও ধারাবাহিক মূল্যায়নের আওতায় আনতে এনসিটিবি কর্তৃক বিষয়ভিত্তিক মূল্যায়ন নির্দেশনাসহ (রুবিক্সসহ) অ্যাসাইনমেন্ট প্রণয়ন করা হয়েছে। অ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজের মাধ্যমে তাদের অর্জিত শিখনফল নির্ণয় করা হবে। পুনর্বিন্যাসকৃত পাঠ্যসূচি অনুযায়ী সপ্তাহভিত্তিক শিক্ষার্থী মূল্যায়ন বিবেচনায় নিয়ে অ্যাসাইনমেন্ট প্রণয়ন করা হয়েছে।

Here are some of our statements for students. You will not write the answers to the assignments given by us exactly. The answers we give will try to write in their own language. This will make your assignment more acceptable and show your creativity.

শিক্ষার্থী বন্ধুদের উদ্দেশ্যে আমাদের কিছু বক্তব্য l আমাদের কর্তৃক প্রদত্ত অ্যাসাইনমেন্ট গুলোর উত্তর তোমরা হুবহু লিখবে না l আমাদের দেওয়া উত্তরগুলো চেষ্টা করবে নিজের ভাষায় লিখতে l এর ফলে তোমাদের অ্যাসাইনমেন্ট বেশি গ্রহণযোগ্য হবে এবং তোমাদের সৃজনশীলতা প্রকাশ পাবে l

এইচএসসি’২২ সমাজবিজ্ঞান ২য় পত্রের অ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজ

শিক্ষার্থীদের জন্য আমাদের পরামর্শ, আমরা যেভাবে উত্তর/সমাধান দিব সেটা হুবহু না লিখে উত্তরটা নিজের ভাষায় লেখার চেষ্টা করতে l এতে করে শিক্ষার্থীরা অ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজে ভালো নম্বর অর্জন করতে পারবে l

HSC 8th Week Sociology 2nd Paper Assignment

HSC Sociology 2nd Paper 8th Week Assignment Answer

সবার আগে নির্ভুল উত্তর পেতে আমাদের সাইটে চোখ রাখুন l সর্বোচ্চ নম্বরের নিশ্চয়তা পেতে আমাদের  অ্যাসাইনমেন্টের উত্তর গুলো দেখুন l মূলত আমরা খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে অ্যাসাইনমেন্টের উত্তর প্রকাশ করার চেষ্টা করি l

See the answers to our assignment to get the highest number guaranteed. Basically we try to publish the answer to the assignment in a very short time. Keep an eye on our site to get the perfect answer first.Join us our Facebook Group

ক নং প্রশ্নের উত্তর

প্রত্নতত্ত্বের ধারণাঃ

খনন কাজের মাধ্যমে ধ্বংসপ্রাপ্ত প্রাচীন সভ্যতার বিভিন্ন উপাদান উদ্ধার ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে | প্রত্নতত্ত্ব (Archaeology) Archaeology শব্দটি গ্রিক। Archaeos এবং Logia শব্দ থেকে উদ্ভূত, যার অর্থ হচ্ছে প্রাচীন অধ্যয়ন। প্রাচীন সমাজ, সভ্যতা ও সংস্কৃতির উৎস অনুসন্ধানে প্রত্নতত্ত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রত্নতত্ত্বের সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে, লিখিত উপাদান ছাড়াও কেবল ব্যবহার্য সামগ্রী বা অলিখিত উপাদান থেকে ধ্বংস হয়ে যাওয়া সভ্যতার নানা বৈশিষ্ট্য উদঘাটন করা যায়।

অক্সফোর্ড লিভিং ডিকশনারি অনুসারে, খনন কাজের মাধ্যমে ইতিহাস ও প্রাক-ইতিহাসকে অধ্যয়ন করা এবং সময়ের সাথে সাথে টিকে থাকা বিভিন্ন দ্রব্য ও অস্তিত্বশীল বস্তুর বিশ্লেষণকে প্রত্নতত্ত্ব বলা হয়।

সােসাইটি ফর আমেরিকান আর্কিওলজির মতে, প্রত্নতত্ত্ব হচ্ছে প্রাচীন মানব ইতিহাসের টিকে থাকা উপাদানসমূহের বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান।

ব্রিটিশ নৃবিজ্ঞানী ই.বি. টেইলর বলেন, প্রত্নতত্ত্ব অতীতের ধ্বংসাবশেষ সম্পর্কিত বৈজ্ঞানিক অধ্যয়ন l

প্রত্নতত্ত্বের উৎসসমূহ:

বহুবিধ উৎস থেকে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন উদঘাটন করা যায়। যেমন:-

১) লিখিত উৎস: খনন কাজের মাধ্যমে প্রাপ্ত সাহিত্য, দলিল-দস্তাবেজ, লিপি প্রভৃতি প্রত্নতত্ত্বের গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে বিবেচিত। এসব থেকে প্রাচীন সমাজ ও সভ্যতার সময়কাল, শাসকবর্গ, তাদের শাসনকার্য, আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা সম্পর্কে কার্যকর ধারণা লাভ করা যায়।

২) মৌখিক উৎস: প্রাচীন লােককথা, গল্প, কেচ্ছা-কাহিনী, রূপকথা ইত্যাদি প্রত্নতত্ত্বের যৌখিক উৎস হিসেবে স্বীকৃত। যুগ। যুগ কিংবা বংশ পরম্পরায় এসব মৌখিক উৎস সমাজে চলমান থাকে। সাধারণত বয়ােজ্যেষ্ঠদের নিকট থেকে এগুলাে পরবর্তী প্রজন্মে হস্তান্তরিত হয়।

৩) রাজপ্রাসাদ ও মন্দির বা ধর্মশালা: খনন কাজের মাধ্যমে প্রাপ্ত নগরীর রাজপ্রাসাদ, মন্দির বা ধর্মশালা প্রত্নতত্ত্বের। গুরুত্বপূর্ণ উৎস। এর মাধ্যমে প্রাচীন সমাজের নির্মাণ কৌশল, রুচিবােধ এবং ধর্মবােধের নিদর্শন স্পষ্টত প্রতীয়মান হয়।

৪) শিলালিপি, চিত্রলিপি গুহাচিত্র: প্রাচীন যুগে কাগজ ছিলাে মানুষ তার মনের কথা, প্রয়ােজনীয় বার্তা, তথ্যাবলী, নির্দেশ, সিদ্ধান্ত ইত্যাদি পাথর, পর্বতগাত্র, তামারপাত্র ইত্যাদিতে বিশেষ লিপির মাধ্যমে লিখে রাখত। বিশেষ করে রাজ্য শাসন প্রণালী সম্পর্কীয় বিষয়াবলি লিপির মাধ্যমে কঠিন পর্বতগাত্রে খােদাই করে রাখা হতাে। এগুলাে থেকে রাজ্য শাসনের কাল, রাজ্যের বিস্তৃতি এবং সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে অবগত হতে পারেন।

৫) মুদ্রা, দেবদেবীর মূর্তি: মুদ্রার মাধ্যমে বিভিন্ন রাজার রাজত্বকাল, শাসকদের নাম ইত্যাদি সম্পর্কে জানা যায়। দেবদেবীর মূর্তি থেকে মানুষের জীবনের ধর্মীয় চিন্তাধারায় এবং শিল্পে নিপুণতার পরিচয় পাওয়া যায়। এগুলাে থেকে মানুষের ক্রমবিবর্তনের ধারা এবং সাধারণ মানুষের জীবন দর্শনও উপলব্ধি করা যায়।

৬) আসবাবপত্র ও হাতিয়ার: আসবাবপত্র ও হাতিয়ার দেখে। যুগকে চিহ্নিত করা যায়। যেমন- প্রস্তর যুগ, লৌহ যুগ, তাম্র যুগ, ব্রোঞ্জ যুগ ইত্যাদি। সে যুগের মানুষ যে অস্ত্র ব্যবহার করতাে তা। নির্মিত হতাে এসব ধাতুর মাধ্যমে। বিভিন্ন সময়ের আসবাবপত্র ও হাতিয়ার দেখে মানব সমাজের পরিবর্তন সম্পর্কে ধারণা লাভ করা যায়।

৭) স্মৃতিফলক: প্রত্নতত্ত্বের উৎস হিসেবে স্মৃতিফলকের গুরুত্ব আছে। স্মৃতিফলক দেখে অতীত জীবনধারা সম্পর্কে জানতে পারা যায়। আর.এল ব্রাইন স্মৃতিফলকের গুরুত্ব স্বীকার করেছেন। তার মতে, “স্মৃতিফলক জীবনধারার সাক্ষী,bসমাজচিত্রের দর্পন এবং মানুষের পেশা ধারণার অবলম্বন।”

 

খ নং প্রশ্নের উত্তর

প্রত্নতত্ত্বের শ্রেণীবিভাগঃ

প্রত্নতত্ত্বের সময়কালের শ্রেণীবিভাগ থেকে উল্লেখযােগ্য যুগ সমূহের ধারণা নিম্নে প্রদান করা হলােঃ

ক) প্রাচীন প্রস্তর যুগ (Paleolithic age)

খ) মধ্য প্রস্তর যুগ (Mesolithic age)

গ) নব্য প্রস্তর যুগ (Neolithic age)

ঘ) তাম্রযুগ (Copper age)

৬) ব্রোঞ্জ যুগ (Bronze age)

চ) লৌহ যুগ (Iron age)

ক)প্রাচীন প্রস্তর যুগঃ

প্রাচীন প্রস্তরযুগ-এর ইংরেজি প্রতিশব্দ হল Paleolithic Age। গ্রিক শব্দ Palaeo (পুরাে > পুরাতন) এবং Lithos (পাথর) শব্দদ্বয়ের সমন্বয়ে Paleolithic | Palaeolithic শব্দটি গঠিত। এ যুগটি ছিল প্রস্তরযুগের প্রথম পর্যায়। প্রাগৈতিহাসিক এ যুগকে সময়ের হিসেবে সবচেয়ে দীর্ঘতম বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ১০ থেকে ১৫ লক্ষ খ্রিস্টপূর্ব অব্দ। পর্যন্ত প্রাচীন প্রস্তরযুগের সময়কাল বিবেচনা করা হয়। তবে প্রয়ােজনীয় প্রমাণাদি না পাওয়ায় আধুনিক প্রত্নতত্ত্ববিদ ও ইতিহাস গবেষকেরা এ যুগের সময়কাল সংক্ষিপ্ত করে ১ লক্ষ থেকে ১০ হাজার বছরের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেন।

খ) মধ্য প্রস্তর যুগঃ

উত্তর-পশ্চিম ইউরােপে এটি মূলত প্লাইস্টোসিন যুগের পরবর্তী সময় এবং কৃষিকাজের উপকরণ আবিষ্কারের পূর্বের যুগ, যার স্থায়িত্বকাল ছিল ১০,০০০ থেকে ৫,০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ। কিন্তু লেভান্তে প্রাপ্ত ২০,০০০ থেকে ৯,৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের কৃষিজ উপকরণসমূহ মধ্য প্রস্তর যুগীয় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

গ) নব্য প্রস্তর যুগঃ

নব্য প্রস্তর যুগ হলাে প্রস্তরযুগের শেষ অধ্যায়, যখন পাথরের অস্ত্রশস্ত্র ও ব্যবহার্য দ্রব্যাদির চরম উন্নতি সাধিত হয়েছিল। ASPRO chronology মতে খ্রিস্টপূর্ব ১০,২০০ অব্দে মধ্যপ্রাচ্যের কিছু অঞ্চলে এবং পরবর্তীতে পৃথিবীর অন্যান্য অঞ্চলে এই যুগের সূচনা ঘটে।খ্রিস্টপূর্ব ৪,০০০ অব্দ থেকে ২,৫০০ অব্দের মধ্যে এই যুগের সমাপ্তি ঘটে।

ঘ) তাম্র যুগঃ

নব্য প্রস্তর যুগের পর এর যুক্তি ছিল তাম্র যুগ। এ যুগে পাথরের ব্যবহারের পাশাপাশি ধাতু হিসেবে তামার ব্যবহারও শুরু করেছিল তাই এ যুগ তাম্র-প্রস্তর যুগ হিসেবে পরিচিত।

ঙ) ব্রোঞ্জ যুগঃ

ব্রোঞ্জ যুগ হল মানব সভ্যতার প্রাক ঐতিহাসিক কালের তিনটি প্রধান পুরাতাত্ত্বিক ভাগের (প্রস্তর | যুগ, ব্রোঞ্জ যুগ ও লৌহ যুগ) দ্বিতীয় ভাগ। এই সময়কালে আধুনিক মানব ব্রোঞ্জ ধাতু ও চিহ্ন লিপির ব্যবহার করতে শিখেছিল। প্রাথমিক অবস্থার নগর সভ্যতা এই সময়ের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

চ) লৌহ যুগঃ

প্রাগৈতিহাসিক যুগের যে সময়কালে কোন এলাকার ধাতব অস্ত্র ও যন্ত্রপাতি মূলত লােহা দ্বারা তৈরি হত সেই সময়কালকে প্রত্নতত্ববিদ্যায় লৌহযুগ বলা হয়। লােহার ব্যবহার শুরুর সাথে সাথে মানবসমাজে কিছু পরিবর্তন দেখা যায়, যার মধ্যে কৃষিব্যবস্থা, ধর্মীয় বিশ্বাস এবং শিল্পকলা অন্যতম।

গ নং প্রশ্নের উত্তর

গ) বাংলাদেশের সমাজ ও সভ্যতার বিকাশে মহাস্থানগড়ের অবদানঃ

মহাস্থানগড় বাংলাদেশের প্রাচীন সভ্যতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন হচ্ছে মহাস্থানগড়। পাহাড়পুরের মত এখানেও বৌদ্ধ এবং হিন্দু সংস্কৃতির নিদর্শন পাওয়া গেছে। ধারণা করা হয়, বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের মধ্যে মহাস্থানগড়ই সর্বাধিক প্রাচীন।মহাস্থানগড়ে প্রত্নতাত্ত্বিক খননকার্যের মাধ্যমে বহু প্রাচীন। নিদর্শন বা প্রত্নসম্পদ পাওয়া গেছে। যার মধ্যে মধ্যে পাথরের বিষ্ণুমূর্তি, বিভিন্ন আকারের বােতাম ও গুটিকা, নানা রঙের মাটির পাত্র, থালা-বাসন, জলপাত্র, রান্নার হাড়ি-পাতিল, তামা ও ব্রোঞ্জের গহনা, সােনার অলংকার, আংটি ও বালা, পােড়ামাটির মূর্তি ও খেলনা, গােলাকার পােড়ামাটির সিল, মুদ্রা ও কড়ি, দোয়াত, প্রদ্বীপ, সিরামিক্স উল্লেখযােগ্য।

এখানকার স্থাপত্য শিল্প, প্রাচীরের গায়ের জ্যামিতিক নকশা, সিঁড়ি প্রভৃতি প্রাক-মােগল আমলের মুসলিম ঐতিহ্যের ইঙ্গিতবাহী। এখানে প্রাক-মােগল আমলের একটি মসজিদের ধ্বংসাবশেষ, আরবীয় সুফি-সাধক সুলতান মাহীসওয়ার বলখীর মাজার এবং মসজিদ রয়েছে। সার্বিক বিবেচনায় মহাস্থানগড় জৈন, বৌদ্ধ, হিন্দু ও মুসলিম সংস্কৃতির সংমিশ্রন।

প্রাচীন বাংলার তথ্য উদঘাটনে মহাস্থানগড়ের প্রত্নসম্পদের ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। খ্রিস্টপূর্ব ৩য় শতাব্দী থেকে খ্রিস্টীয় ১৫ শতাব্দী পর্যন্ত এখানে একটি সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও সভ্যতার বিকাশ ঘটেছিল। এই সভ্যতায় বৌদ্ধ এবং হিন্দু সংস্কৃতির প্রভাব ছিল। খ্রিস্টীয় ৪র্থ শতকের পরে ক্ষুদ্র কক্ষবিশিষ্ট আবাসন নির্মাণপদ্ধতি প্রাচীন বাঙলার নিজস্ব স্থাপত্যকৌশলের প্রমাণ হাজির করে। বৌদ্ধধর্মের ওপর ব্রাহ্মণ্যধর্মের বিজয় বার্তাকে ধারণ করে মহাস্থানগড়ের একটি মূর্তি নির্মিত হয়েছে।

আবিষ্কৃত প্রস্তরমূর্তিগুলােতে বৌদ্ধ ও হিন্দুধর্মের প্রভাব প্রকট। আবার সুলতান। বখী মাহীসওয়ারের মাজার মুসলিম আমলের নিদর্শন বহন করে। সার্বিক বিবেচনায় বলা যায় যে বাংলাদেশের সমাজ ইতিহাস অধ্যয়নে মহাস্থানগড়ের অবদান অনস্বীকার্য।

ঘ নং প্রশ্নের উত্তর

ঘ) বাংলাদেশের সমাজ ও সভ্যতার বিকাশে ময়নামতির অবদানঃ

কুমিল্লার ময়নামতি বাংলাদেশে বৌদ্ধধর্ম ও প্রাচীন সভ্যতার অন্যতম প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। কুমিল্লা জেলা শহরের সাত। কিলােমিটার পশ্চিমে কোটবাড়ি এলাকায় বাংলাদেশ পল্লি উন্নয়ন একাডেমি অবস্থিত। এখান থেকে দেড় কিলােমিটার দক্ষিণে ময়নামতির শালবন বিহার ধ্বংসাবশেষ। সমগ্র প্রত্নতাত্ত্বিক এলাকাটি ময়নামতি-লালমাই পাহাড়ি অঞ্চলের প্রায় ১১ মাইল এলাকা জুড়ে অবস্থিত। শালবন বিহারের সন্নিকটে স্থাপিত যাদুঘরে ময়নামতিতে প্রাপ্ত বিভিন্ন প্রত্নসামগ্রী সংরক্ষণ করা হয়েছে।

ময়নামতির সমাজ-ঐতিহাসিক তাৎপর্য রয়েছে। ময়নামতির শালবন বিহারে খননের। ফলে প্রাপ্ত একটি তাম্রশাসন থেকে দেববংশ নামে এক নতুন বৌদ্ধ রাজবংশ ও তাদের বংশানুক্রম পাওয়া যায়। চারপত্র মুড়ায় আবিষ্কৃত তাম্রশাসনগুলাে চন্দ্র রাজাদের বংশানুক্রম, বিভিন্ন অভিযান ও তাদের সময়কার সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অবস্থার পরিচয় তুলে ধরে।

এছাড়া এই তাম্রশাসন থেকে জানা যায় যে, শ্রীচন্দ্র থেকে গােবিন্দচন্দ্রের শাসনকাল। পর্যন্ত ঢাকার বিক্রমপুরে চন্দ্র রাজাদের রাজধানী ছিল। লালমাই-ময়নামতিতে প্রাপ্ত ২২৭টি স্বর্ণ ও রৌপ্যমুদ্রা প্রমাণ করে যে, এখানে মুদ্রা অর্থনীতির প্রচলন ছিল। এখানে আবিষ্কৃত আব্বাসীয় খলিফাদের মুদ্রা মধ্যপ্রাচ্যের সাথে তকালীন বাংলার ব্যবসা-বাণিজ্যের সাক্ষ্য দেয়।

এখানে প্রাপ্ত বৌদ্ধ দেবদেবীর মূর্তিসমূহ বাংলাদেশে বৌদ্ধধর্মের সুবর্ণযুগের পরিচয় বহন করে। শালবন বিহারের ক্রুশাকার মন্দিরের ভিত্তিভূমি অলংকৃত পােড়ামাটির ফলকচিত্রগুলাে তৎকালীন বাংলার লােকায়ত শিল্পের উৎকৃষ্ট নিদর্শন। ময়নামতিতে প্রাপ্ত প্রত্নসামগ্রী। তৎকালীন সমাজের গতিপ্রকৃতি বােঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে বিবেচিত।

প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন হিসেবে ময়নামতি দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার খ্রিস্টীয় ৭ম-১২শ শতাব্দীর শিল্প, সংস্কৃতি ও সভ্যতার ঐতিহাসিক দলিল।

অতএব বলা যায়, ময়নামতি বাংলাদেশের সমাজ ও সভ্যতার | বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।

Conclusion

Lastly, we wish the student brothers and sisters all the best. We will continue our efforts for the overall cooperation of the students. There was a blessing that the students could achieve their desired goal. If we can do them any good in the way of their success, we will consider ourselves successful. Stay with us until then.

Updated: September 19, 2021 — 5:13 am

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *