HSC Logic 4th Week Assignment 1st Paper 2021

HSC Logic 1st Paper (যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র) 4th Week Assignment 2021. এইচএসসি Logic Assignment Answer, এইচএসসি যুক্তিবিদ্যা অ্যাসাইনমেন্টের উত্তর, Hsc Logic Assignment Answer. Logic 1st paper Assignment। এইচএসসি যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র এসাইনমেন্ট. In other words, HSC Logic 1st Paper Assignment 2021. এইচএসসি যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র এসাইনমেন্ট ২০২১.

Assignment or Evaluation Guidelines have been published for the candidates of Higher Secondary Examination 2020 in light of the successful argument of ‘Rearrangement’. Assignments have been published by the Department of Secondary and Higher Secondary Education(dshe.gov.bd).

HSC Exam 2022 Assignment 2021 Logic 4th Week 

The pandemic situation in the country has taken a terrible turn. Meanwhile, holidays in educational institutions are increasing due to the deteriorating pandemic condition. Ministry of Education is forced to close educational institutions to avoid health risks to students due to deteriorating pandemic conditions. Following this, the Ministry of Education initiates assignments to keep the secondary students engaged in their studies. And later it was decided to start assignments or scheduled work to continue higher education. The Director-General of the Department of Secondary and Higher Secondary Education said that the number of students will given in this assignment.

উল্লেখ্য, সাপ্তাহিক এসাইনমেন্ট এর ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের পরবর্তী শ্রেণীতে উত্তীর্ণ করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে l মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেছেন এবারের অ্যাসাইনমেন্টে শিক্ষার্থীদের নম্বর দেওয়া হবে l যা পরবর্তী ক্লাসে ওঠার ক্ষেত্রে কাজে দেবে l

HSC Logic 4th Week Assignment 1st Paper 

Logic is an essential theoretical subject for Humanities students. The importance of Logic in science is immense. And so the assignment of Logic students of Humanities department in 2022 HSC exam is vital. Logic 1st paper assignments have already been published.

যুক্তিবিদ্যা প্রথম পত্রের অ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজ

Logic

যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র অ্যাসাইনমেন্টের উত্তর

শিক্ষার্থীদের জন্য আমাদের পরামর্শ, আমরা যেভাবে উত্তর/সমাধান দিব সেটা হুবহু না লিখে উত্তরটা নিজের ভাষায় লেখার চেষ্টা করতে l এতে করে শিক্ষার্থীরা অ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজে ভালো নম্বর অর্জন করতে পারবে l

পদ:

ইংরেজী Term’ শব্দের বাংলা পরিভাষা হচ্ছে পদ। ল্যাটিন ভাষায় ‘Terminus’ শব্দ থেকে ইংরেজি ‘Term’ শব্দটি উদ্ভূত হয়েছে। ল্যাটিন ভাষায় ‘Terminus’ শব্দের অর্থ সীমা’ বা ‘প্রান্ত’। ইংরেজীতে “Term’ শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে এজন্য যে উদ্দেশ্য ও বিধেয় হিসাবে যুক্তিবাক্যের দুই প্রান্তে পদগুলাে অবস্থান করে। অর্থাৎ পদগুলাে সর্বদা যুক্তিবাক্যের দুই প্রান্তে থাকে বলেই Terminus’ শব্দ থেকে Term’ শব্দের উৎপত্তি। যুক্তিবিদ যােসেফ বলেন, আমরা যেসব শব্দ বা শব্দ সমষ্টিকে পদ বলে।

আখ্যায়িত করতে পারি সেগুলাে নিজে নিজেই কোন যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য বা বিধেয়রূপে ব্যবহৃত হতে সমর্থ হয়। কাজেই যােসেফের সংজ্ঞা এবং শব্দগত উৎসের দিকে লক্ষ্য রেখে পদের সার্বজনীন স্বীকৃত যে সংজ্ঞা উলেখ করা যেতে পারে তাহলাে, যে শব্দ বা শব্দ সমষ্টি অন্য কোন – শব্দের সাহায্য না নিয়ে সম্পূর্ণ নিজে নিজেই কোন যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য কিংবা বিধেয়রূপে ব্যবহৃত হয় বা হতে পারে সেসব শব্দ বা শব্দ সমষ্টিকে ‘পদ’ বলে। দৃষ্টান্তস্বরূপ, “বাঘ হয় হিংস্র প্রাণী” এই যুক্তিবাক্যে বাঘ’ ও হিংস্র প্রাণী’ শব্দ সমষ্টি যুক্তিবাক্যে অন্য কোন শব্দের সাহায্য ছাড়া নিজে নিজেই উদ্দেশ্য ও বিধেয়রূপে ব্যবহৃত হয়েছে। তাছাড়া যেকোন অবস্থাতেই শব্দগুলাে কোন যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য বা বিধেয়রূপে ব্যবহৃত হওয়ার যােগ্যতা রাখে। আলােচ্য যুক্তিবাক্যে বাঘ’ শব্দটি উদ্দেশ্য হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছে বলে একে উদ্দেশ্য পদ’ এবং হিংস্র প্রাণী’ শব্দ দ্বয় বিধেয় হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছে বলে এটি বিধেয় পদ। হয়’ শব্দটি একটি সম্বন্ধ সৃষ্টিকারী চিহ্ন হিসাবে সংযােজক’ বলে বিবেচিত।

শব্দঃ

আমরা সকলেই চিন্তা করি, ইচ্ছা করি ও অনুভব করি। ঐ চিন্তা ইচ্ছা ও অনুভূতিকে কথিত ধ্বনি বা লিখিত চিহ্নের সাহায্যে প্রকাশ করি । এ সকল কথিত ধ্বনি বা লিখিত চিহ্নকে শব্দ বলে। সংক্ষেপে শব্দ হলাে অর্থবােধক বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি। শব্দ হচ্ছে এমন একটি কন্ঠ ধ্বনি যা মনের কোন ধারণার প্রতিনিধিত্ব করে বা ধারণাকে ব্যক্ত করে। তাহলে দেখা যাচ্ছে যে, এ শব্দ সমষ্টির সমম্বয়ে যখন আমাদের মনের ভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশিত হয় তখন তা হয় বাক্য। অন্যভাবে বলা যায় যার দ্বারা আমরা নিজেদের চিন্তা, আনন্দ, বেদনা, বিস্ময় ইত্যাদি প্রকাশ করি তাদের নাম শব্দ। কাজেই যুক্তিবাক্যগুলাে স্বাভাবিক ভাবে শব্দ সমম্বয়ে গঠিত হয় কিন্তু যুক্তিবাক্য শব্দ সমম্বয়ে গঠিত হলেও তার প্রতিটি শব্দ পদ নয়। কারণ সব শব্দই কোন যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য ও বিধেয় রূপে ব্যবহৃত হতে পারেনা। আর এ জন্যই অসংখ্য শব্দ সমূহের মধ্যে কোন শব্দগুলাে পদ এবং কোন শব্দগুলাে পদ নয় তা বুঝার জন্য যুক্তিবিদেরা শব্দ সমূহকে মােট তিন ভাগে ভাগ করেছেন।

১. পদযােগ্য

২. সহ পদযােগ্য

৩. পদাযােগ্য

ব্যক্ত্যর্থ:

একটি পদের ব্যক্ত্যর্থ বলতে ঐ পদ একই অর্থে যে বস্তু বা বস্তুগুলাের উপর আরােপ করা যায় সেই বস্তু বা বস্তুগুলােকে বুঝায়। | যুক্তিবিদগণ ব্যক্ত্যর্থের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেন- কোন পদ একই অর্থে যে বিশেষ বস্তু বা বস্তুসমষ্টির উপর প্রযােজ্য হয় সেই বিশেষ বস্তু বা বস্তু সমষ্টিই হল ঐ পদের ব্যক্ত্যর্থ। উদাহরণস্বরূপ মানুষ’ পদটি মানুষের (অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের সমস্ত মানুষের) প্রতি আরােপ করা যায়। তাই মানুষ’ পদের ব্যক্ত্যর্থ হল সব মানুষ।

জাত্যৰ্থ:

একটি পদের জাত্যৰ্থ বলতে ঐ পদ যে গুণ বা গুণাবলীর বিশেষভাবে উল্লেখ করে সেই গুণ বা গুণাবলীকে বুঝায়। অর্থাৎ যে গুণ বা গুণাবলী কোন শ্রেণীর সকল বস্তুতেই বর্তমান বা যে গুণ আছে বলে ঐ বস্তুগুলাে এরূপ হয়েছে সেই গুণ হল ঐ শ্ৰেণীবাচক পদের জাত্যর্থ। যুক্তিবিদগণের মতে- যখন কোন পদ বিশেষ বস্তু বা ,বস্তু সমষ্টির অন্তর্গত সাধারণ ও অনিবার্য গুণ বা গুণসমষ্টিকে নির্দেশ করে তখন সেই সাধারণ ও আবশ্যিক গুণকেই পদটির জাত্যর্থ বলে।

উদাহরণস্বরূপ, মানুষ পদটির জাত্যর্থ হলাে প্রাণিত্ব বা জীববৃত্তি ও বুদ্ধিবৃত্তি। কারণ এ দুটি গুণ মানুষের মানুষ হিসাবে তার আবশ্যিক গুণ এবং এ গুণ দু’টি আছে বলেই মানুষ মানুষ। অতএব, আমরা বলতে পারি, ব্যক্ত্যর্থ ব্যক্তি বা বস্তুকে এবং জাত্যর্থ ব্যক্তি বা বস্তুর অন্তর্গত আবশ্যিক গুণকে নির্দেশ করে। এক কথায় আমরা বলতে পারি, ব্যক্ত্যর্থ পদের সংখ্যা বা পরিমাণের দিক নির্দেশ করে এবং জাত্যৰ্থ পদের মধ্যকার আবশ্যিক গুণের নির্দেশ করে। উল্লেখ্য পদের এরূপ তাৎপর্য অনুসারে কোন কোন যুক্তিবিদ্ ব্যক্তৰ্থকে পদের বিস্তৃতি এবং জাত্যর্থকে পদের গভীরতা বলে অভিহিত করেছেন।

ব্যক্ত্যর্থ ও জাত্যর্থ হ্রাসবৃদ্ধির নিয়ম:

পদের ব্যক্ত্যর্থ ও জাত্যর্থ বিপরীত অনুপাতে পরিবর্তিত হয়। অর্থাৎ ব্যক্ত্যর্থ ও জাত্যর্থের মধ্যে বিপরীতমুখী সহ-পরিবর্তনের বা বিপরীত অনুপাতের সম্মন্ধে বিদ্যমান অর্থাৎ ব্যক্ত্যর্থ ও জাত্যর্থের একের হ্রাস ও বৃদ্ধি যথাক্রমে অপরের বৃদ্ধি ও হাস সূচনা করে। ব্যক্ত্যর্থ ও জাত্যর্থের এই রকম সম্পর্ককে ব্যক্ত্যর্থ ও জাত্যর্থের বিপরীত অনুপাতের নিয়ম বলে অভিহিত করা হয়। উক্ত নিয়মকে বিশ্লেষণ করলে নিম্নলিখিত নিয়মগুলি পাওয়া যায়। যেমন-

ক. ব্যক্ত্যর্থের হাস হলে জাত্যর্থের বৃদ্ধি হয়।

খ. ব্যক্ত্যর্থের বৃদ্ধি হলে জাত্যর্থের হাস হয়।

গ. জাত্যর্থের হ্রাস হলে ব্যক্ত্যর্থের বৃদ্ধি হয়।

ঘ. জাত্যর্থের বৃদ্ধি হলে ব্যক্ত্যর্থের হ্রাস হয়।

ক. পদের ব্যক্ত্যর্থ বাড়লে জাত্যর্থ কমে:

মানুষ পদের ব্যক্ত্যর্থ হচ্ছে সকল মানুষ’। এখন অন্যান্য প্রাণীকে এর সাথে যুক্ত করে এর ব্যক্ত্যর্থ বাড়ালে ব্যক্ত্যর্থ দাঁড়াবে সকল প্রাণী’ (সকল মানুষ +অন্যান্য প্রাণী)। কিন্তু এতে করে মানুষ পদের জাত্যর্থ জীববৃত্তি ও বুদ্ধিবৃত্তি থেকে বুদ্ধিবৃত্তি বাদ পড়ে সকল প্রাণীর জাত্যর্থ দাঁড়াবে শুধু ‘জীববৃত্তিতে’। কারণ অন্যান্য প্রাণীর মধ্যে বুদ্ধিবৃত্তি ‘ নেই। সুতরাং এর দ্বারা প্রমাণিত হলে যে, ব্যক্ত্যর্থ বাড়লে জাত্যর্থ কমে।

খ. পদের ব্যক্ত্যর্থ কমলে জাত্যৰ্থ বাড়ে:

মানুষ শ্রেণী থেকে অসৎ মানুষদের বাদ দিয়ে এর সংখ্যা বা ব্যক্ত্যর্থ কমালে ব্যক্ত্যর্থ দাঁড়াবে সকল সত্যানুষ’। সকল মানুষ>সকল অসৎ মানুষ। মানুষের জাত্যর্থ জীববৃত্তি ও বুদ্ধিবৃত্তির সাথে আরেকটি জাত্যর্থ এসে যােগ হয়ে সকল সৎ মানুষের জাত্যর্থ হবে জীববৃত্তি + বুদ্ধিবৃত্তি + সততা। অর্থাৎ জাত্যৰ্থ বেড়ে যাবে। এতে প্রমাণ করা গেল যে, ব্যক্ত্যর্থ কমলে জাত্যর্থ বাড়ে।

গ. পদের জাত্যৰ্থ বাড়লে ব্যক্ত্যর্থ কমে:

মানুষ পদের জাত্যর্থ হচ্ছে। জীববৃত্তি ও বুদ্ধিবৃত্তি। এখন এর সাথে সভ্যতা যােগ করলে জাত্যর্থ দাঁড়াবে জীববৃত্তি + বুদ্ধিবৃত্তি + সভ্যতা। ফলে এ তিনটি জাত্যর্থধারী পদের ব্যক্ত্যর্থ হবে সকল সভ্য মানুষ’। আর এতে করে মানুষ পদের ব্যক্ত্যর্থ কমে যাবে। কারণ সকল মানুষের ব্যক্ত্যর্থের চেয়ে সকল সভ্য মানুষের ব্যক্ত্যর্থ কম। কারণ এখানে অসভ্য মানুষেরা বাদ পড়েছে। ফলে প্রমাণিত হল যে, জাত্যর্থ।  বাড়লে ব্যক্ত্যর্থ কমে।

ঘ, পদের জাত্যর্থ কমলে ব্যক্ত্যর্থ বাড়েঃ

মানুষ পদের জাত্যর্থ জীববৃত্তি ও বুদ্ধিবৃত্তি থেকে বুদ্ধিবৃত্তিকে বাদ দিলে এর জাত্যর্থ দাঁড়াবে কেবল জীববৃত্তি-তে। এতে করে মানুষ পদের ব্যক্ত্যর্থ বেড়ে গিয়ে সকল মানুষ থেকে সকল প্রাণীতে দাঁড়াবে। কারণ জীববৃত্তি গুণটি সকল প্রাণীতেই বর্তমান। আর সকল প্রাণীর সংখ্যা সকল মানুষের চেয়ে বেশী। সুতরাং এতে প্রমাণিত হল যে, জাত্যর্থ কমলে ব্যক্ত্যর্থ বাড়ে।

Conclusion

In Other words, our efforts in creating thematic assignments ensure that everyone benefits. As a result, this is our activity in creating Bangla assignments for classes six to nine. Hopefully, we have been able to solve all the assignments very easily and properly. In order to, we will continue such activities in the future. so we hope you like it.

Stay tuned with us.🙌

For more query ask us without any hesitation: Click Here!!😊

https://m.me/nhasibul

https://m.me/consciously.unconscious.7

Updated: July 22, 2021 — 6:27 pm

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *