SSC 2nd Week Bangladesh & World Civilization Assignment Answer

Originally posted on August 7, 2021 @ 4:37 am

Assignments have published as per SSC Exam 2021 new short syllabus. SSC Exam 2021 History of Bangladesh and World Civilization 2nd Week Assignment. History of Bangladesh and World Civilization 2nd Week Assignment has published. ২০২১ এসএসসি পরীক্ষার বাংলাদেশের ইতিহাস  বিশ্বসভ্যতা দ্বিতীয় সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট l SSC Exam 2021 First Week History of Bangladesh and World Civilization Assignment with answer. দশম শ্রেণীর দ্বিতীয় সপ্তাহের বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা অ্যাসাইনমেন্ট l To repeat, SSC Class 10 History of Bangladesh and World Civilization 2nd Week Assignment 2021 With Answer.

Bangladesh And World Civilization SSC Exam 2021(2nd Week) Assignment 

This year’s SSC exam will held in November. And for that purpose a new short syllabus has arranged. And accordingly SSC candidates will submit a total of twenty four assignments twice a week. That means a total of twenty four assignments in twelve weeks will have to submitted by the SSC examinees of 2021. In other words, According to the new short syllabus, in 24 weeks assignments of 12 weeks, there is no need to do any assignment including Bangla English and the fourth subject.

In addition, The education system was disrupted this year due to the pandemic situation. As a result, educational institutions could not conduct any final examinations. In the current context, the Ministry of Education has taken special measures to keep the education system active.  Therefore, the Bangladesh Board of Education has decided, that students will have to submit assignments instead of exams. So, consistently they need to finish in any event 3 tasks in three subjects.

SSC Exam 2021 History of Bangladesh and World Civilization 2nd Week Assignment

Assignment or Evaluation Guidelines have published for the candidates of Higher Secondary Examination 2020 in light of the successful argument of ‘Rearrangement’. Assignments have published by the Department of Secondary and Higher Secondary Education(dshe.gov.bd).

The pandemic situation in the country has taken a terrible turn. Meanwhile, holidays in educational institutions are increasing due to the deteriorating pandemic condition. Ministry of Education forced to close educational institutions to avoid health risks to students due to deteriorating pandemic conditions. Following this, the Ministry of Education initiates assignments to keep the secondary students engaged in their studies. And later it decided to start an assignment or schedule work to continue higher education. The Director-General of the Department of Secondary and Higher Secondary Education said that the number of students will be given in this assignment. SSC History of Bangladesh and World Civilization 2nd Week Assignment 2021.

SSC History of Bangladesh and World Civilization 2nd Week Assignment 2021

In addition, The education system disrupted this year due to the pandemic situation. As a result, educational institutions could not conduct any final examinations. In the current context, the Ministry of Education has taken special measures to keep the education system active.  Therefore, the Bangladesh Board of Education has decided, that students will have to submit assignments instead of exams. So, consistently they need to finish it.

এসএসসি বাংলাদেশের ইতিহাস  বিশ্বসভ্যতা অ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজ

SSC Class 10 History of Bangladesh and World Civilization 1st Week Assignment 2021 With Answer

সিন্ধু সভ্যতার আর্থ-সামাজিক অবস্থার বিশ্লেষণপূর্বক এ সভ্যতার নগর পরিকল্পনার সাথে আমার নিজ এলাকার নগর পরিকল্পনার তুলনামূলক চিত্র উপস্থাপন করা হলাে :

ক) পটভূমি, ভৌগােলিক অবস্থান ও সময়কাল :

পটভূমি:

সিন্ধু নদের অববাহিকায় গড়ে উঠেছিল বলে এই সভ্যতার নাম রাখা হয় সিন্ধুসভ্যতা। সিন্ধু সভ্যতার সংস্কৃতিকে অনেক সময়ে হরপ্পা সংস্কৃতি বা হরপ্পা। সভ্যতা বলা হয়ে থাকে। এই সভ্যতার আবিষ্কার কাহিনি চমক্কার। পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের। লারকানা জেলায় মহেঞ্জোদারাে শহরে উঁচু উঁচু মাটির টিবি ছিল। স্থানীয় লােকেরা বলত মরা মানুষের টিবি (মহেঞ্জোদারাে কথাটির মানেও তাই)। বাঙালি প্রত্নতত্ত্ববিদ রাখালদাস বন্দ্যোপধ্যায়ের নেতৃত্বে। পুরাতত্ত্ব বিভাগের লােকেরা ঐ স্থানে বৌদ্ধস্কুপের ধ্বংসাবশেষ আছে ভেবে মাটি খুঁড়তে থাকেন। অপ্রত্যাশিতভাবে বেরিয়ে আসে তাম্রযুগের নিদর্শন একই সময়ে ১৯২২-২৩ খ্রিষ্টাব্দে দয়ারাম সাহানীর প্রচেষ্টায় পাঞ্জাবের পশ্চিম দিকে মন্টোগােমারি। জেলার হরপ্পা নামক স্থানেও প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শন আবিস্কৃত হয়। জন মার্শালের নেতৃত্বে পুরাতত্ত্ব বিভাগ অনুসন্ধান চালিয়ে আরও বহু নিদর্শন আবিষ্কার করে।

ভৌগােলিক অবস্থান :

উপমহাদেশের প্রাচীনতম সিন্ধুসভ্যতার বিস্তৃতি বিশাল এলাকা জুড়ে। মহেঞ্জোদারাে ও হরপ্পাতে এই সভ্যতার নিদর্শন সবচেয়ে বেশি আবিষ্কৃত হয়েছে। তা সত্ত্বেও ঐ সভ্যতা শুধু সিন্ধু অববাহিকা বা ঐ দুটি শহরের মধ্যে। সীমাবদ্ধ ছিল না। পাকিস্তানের পাঞ্জাব, সিন্ধু প্রদেশ, ভারতের পাঞ্জাব, রাজস্থান, গুজরাটের বিভিন্ন অংশে এই সভ্যতার নিদর্শন পাওয়া গেছে। ঐতিহাসিকরা মনে করেন, পাঞ্জাব থেকে আরব সাগর পর্যন্ত বিস্তীর্ণ ভৌগােলিক এলাকা জুড়ে সিন্ধুসভ্যতা গড়ে উঠেছিল।

সময়কাল :

সিন্ধুসভ্যতার সময়কাল সম্পর্কে ঐতিহাসিকদের মধ্যে | বিভিন্ন মতভেদ রয়েছে। কেউ কেউ মনে করেন, অ। ৫০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ থেকে ১৫০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত এ সভ্যতার উত্থান-পতনের কাল। আবার কোন কোনাে | ঐতিহাসিক মনে করেন, আর্য জাতির আক্রমণের। ফলে খ্রিষ্টপূর্বাব্দ ১৫০০ অথবা ১৪০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে সিন্ধুসভ্যতার অবসান ঘটে। তবে, মর্টিমার হুইলার | মনে করেন, এই সভ্যতার সময়কাল হচ্ছে ২৫০০ থেকে ১৫০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত।
খ) আর্থ সামাজিক অবস্থার বিশ্লেষণ:

রাজনৈতিক ও সামাজিক অবস্থা :

সিন্ধুসভ্যতার জনগণের রাজনৈতিক জীবন ও শাসনপ্রণালি সম্পর্কে কিছুই জানা যায় না। মহেঞ্জোদারাে ও হরপ্পার নগর বিন্যাস প্রায় একই রকম ছিল। এগুলাের ধ্বংসাবশেষ দেখে নিশ্চিতভাবে বােঝা যায় যে, পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী উঁচু। ভিতের উপর শহরগুলাে নির্মাণ করা হয়েছিল। শহরগুলাের এক পাশে উঁচু ভিত্তির উপর একটি করে নগরদুর্গ নির্মাণ করা হতাে। চারদিক থাকত। প্রাচীর দ্বারা সুরক্ষিত। নগরের শাসনকর্তারা নগর দুর্গে বসবাস করতেন। প্রশাসনিক বাড়িঘরও দুর্গের মধ্যে ছিল। নগরের ছিল প্রবেশদ্বার। দুর্গ বা বিরাট অট্টালিকা দেখে মনে হয় একই ধরনের কেন্দ্রীভূত। শাসনব্যবস্থা যুগ যুগ ধরে নগর দুটিতে প্রচলিত ছিল। এই প্রশাসন জনগণের জীবনযাত্রা নিয়ন্ত্রণ করত। সিন্ধুসভ্যতার যুগে মানুষ সমাজবদ্ধ পরিবেশে বসবাস করত। সেখানে একক পরিবার পদ্ধতি চালু ছিল। সিন্ধুসভ্যতার যুগে সমাজে শ্রেণিবিভাগ ছিল।
সব লােক সমান সুযােগ-সুবিধা পেত না। সমাজ ধনী ও দরিদ্র দুই শ্রেণিতে বিভক্ত ছিল। কৃষকরা গ্রামে বসবাস করত। শহরে ধনী এবং শ্রমিকদের জন্য আলাদা-আলাদা বাসস্থানের নিদর্শন পাওয়া গেছে। পােশাক-পরিচ্ছদের জন্য মূলত সুতা পশম ব্যবহার করত । সিন্ধুসভ্যতার সমাজব্যবস্থা ছিল মাতৃতান্ত্রিক । নারীরা খুবই শৌখিন ছিল। তাদের প্রিয় অলঙ্কারের মধ্যে ছিল হার, আংটি, দুল, বিছা, বাজুবন্ধ, চুড়ি, বালা, পায়ের মল ইত্যাদি। তারা নকশা করা দীর্ঘ পােশাক পরত। পুরুষরাও অলঙ্কার ব্যবহার করত।

অর্থনৈতিক অবস্থা :

সিন্ধুসভ্যতার অর্থনীতি ছিল মূলত কৃষিনির্ভর। তাছাড়াও অর্থনীতির আর একটি বড় দিক ছিল পশুপালন। কৃষি ও পশুপালনের পাশাপাশি মৃৎপাত্র নির্মাণ, ধাতুশিল্প, বয়নশিল্প, অলঙ্কার নির্মাণ, পাথরের কাজ ইত্যাদিতেও তারা যথেষ্ট উন্নতি লাভ করেছিল। এই উন্নতমানের শিল্পপণ্য বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে সেখানকার বণিকরা বিদেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক যােগাযােগ রক্ষা করে চলত। বণিকদের সাথে আফগানিস্তান, বেলুচিস্তান, মধ্য এশিয়া , পারস্য, মেসােপটেমিয়া, দক্ষিণ ভারত, রাজপুতনা, গুজরাট প্রভৃতি দেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক যােগাযােগ ছিল।

ধর্মীয় অবস্থা :

সিন্ধুসভ্যতায় কোনাে মন্দির বা মঠের চিহ্ন পাওয়া যায়নি; যে কারণে তাদের ধর্মবিশ্বাস সম্পর্কে | সুস্পষ্ট ধারণা করা সম্ভব নয়। তবে, তাদের মধ্যে। | যে ধর্মবিশ্বাস ছিল, সে বিষয়ে সন্দেহ নেই। মন্দির বা উপাসনা গৃহের অস্তিত্ব না থাকলেও স্থানে স্থানে। | অসংখ্য পােড়ামাটির নারীমূর্তি পাওয়া গেছে। ধারণা, করা হয়, তারা ঐ ধরনের দেবীমূর্তির পূজা করত | সিন্ধুবাসীর মধ্যে মাতৃপূজা খুব জনপ্রিয় ছিল। তাছাড়া তারা দেব- দেবী মনে করে বৃক্ষ, পাথর, সাপ এবং পশু-পাখির উপাসনাও করত। সিন্ধুবাসী পরলােকে বিশ্বাস করত। যে কারণে কবরে মৃতের ব্যবহার করা জিনিসপত্র ও অলঙ্কার রেখে দিত।

 

গ) নগর পরিকল্পনার সাদৃশ্য :

সিন্ধুসভ্যতার এলাকায় যেসব শহর আবিস্কৃত হয়েছে তার মধ্যে হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারাে সবচেয়ে বড় শহর। | শহরগুলাের বাড়িঘরের নকশা থেকে সহজেই বােঝা যায় যে, সিন্ধুসভ্যতা যুগের অধিবাসীরা উন্নত নগরকেন্দ্রিক জীবন যাপনে অভ্যস্ত ছিল। হরপ্পা

ও মহেঞ্জোদারাের নগর পরিকল্পনা একই রকম ছিল। নগরীর ভেতর দিয়ে চলে গেছে পাকা রাস্তা। রাস্তাগুলাে ছিল সােজা। জল নিষ্কাশনের জন্যে ছােট নর্দমাগুলােকে মূল নর্দমার সাথে সংযুক্ত করা হতাে। রাস্তাঘাট পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা হতাে। পথের ধারে ছিল সারিবদ্ধ ল্যাম্পপােস্ট। আমার এলাকার শহরগুলাের বাড়িঘরের নকশা থেকে | সহজেই বােঝা যায় যে, আমার এলাকার লােকজন উন্নত নগরকেন্দ্রিক জীবন যাপনে অভ্যস্ত। আমার | এলাকার নগর পরিকল্পনা সিন্ধু সভ্যতার মত একই রকম। নগরীর ভেতর দিয়ে চলে গেছে পাকা রাস্তা। | | রাস্তাগুলাে হচ্ছে সােজা। জল নিষ্কাশনের জন্যে | ছােট নর্দমাগুলােকে মূল নর্দমার সাথে সংযুক্ত করা হয়েছে এখানে। রাস্তাঘাট পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা হয় সবসময়। পথের ধারে রয়েছে সারিবদ্ধ ল্যাম্পপোেস্ট।

 

ঘ) নগর পরিকল্পনার বৈসাদৃশ্য :

সিন্ধুসভ্যতার এলাকায় যেসব শহর আবিস্কৃত হয়েছে তার মধ্যে হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারাে সবচেয়ে বড় শহর | ঘরবাড়ি সবই পােড়ামাটি বা রােদে পােড়ানাে ইট দিয়ে তৈরি। প্রত্যেকটি বাড়িতে খােলা জায়গা ,কূপ ও স্নানাগার ছিল। আমার এলাকার ঘরবাড়ি গুলাে সাধারণত ইট, লােহা, | বালু ও সিমেন্টের তৈরি। আমার এলাকার প্রত্যেকটি বাড়িতে খােলা জায়গা, কূপ ও স্নানাগার নেই তবে কিছু কিছু বাড়িতে রয়েছে।

 

Conclusion

In Other words, our efforts in creating thematic assignments ensure that everyone benefits. As a result, this is our activity in creating assignments for classes six to nine. Hopefully, we have been able to solve all the assignments very easily and properly. In order to, we will continue such activities in the future. so we hope you like it.

Stay tuned with us.🙌

For more query ask us without any hesitation: Click Here!!😊

https://m.me/nhasibul

https://m.me/consciously.unconscious.7

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *