SSC 2nd Week Business Entrepreneurship Assignment SSC Exam 2021

Originally posted on August 7, 2021 @ 4:23 am

Assignments have published as per SSC Exam 2021 new short syllabus. SSC Exam 2021 Business Entrepreneurship 1st Week Assignment. Business Entrepreneurship 2nd Week Assignment has published. ২০২১ এসএসসি পরীক্ষার দ্বিতীয় সপ্তাহের ব্যবসায় উদ্যোগ অ্যাসাইনমেন্ট l SSC Exam 2021 Second Week Business Enterprise Assignment with answer. দশম শ্রেণীর দ্বিতীয় সপ্তাহের ব্যবসায় উদ্যোগ অ্যাসাইনমেন্ট l to repeat, SSC Class 10 Business Entrepreneurship 1st Week Assignment 2021 With Answer. SSC 2nd Week Business Entrepreneurship Assignment Answer 2021.

Business Entrepreneurship SSC Exam 2021(2nd Week) Assignment

This year’s SSC exam will held in November. And for that purpose a new short syllabus has arranged. And accordingly SSC candidates will submit a total of twenty four assignments twice a week. That means a total of twenty four assignments in twelve weeks will have to submitted by the SSC examinees of 2021. In other words, According to the new short syllabus, in 24 weeks assignments of 12 weeks, there is no need to do any assignment including Bangla English and the fourth subject.

In addition, The education system was disrupted this year due to the pandemic situation. As a result, educational institutions could not conduct any final examinations. In the current context, the Ministry of Education has taken special measures to keep the education system active.  Therefore, the Bangladesh Board of Education has decided, that students will have to submit assignments instead of exams. So, consistently they need to finish in any event 3 tasks in three subjects.

SSC Exam 2021 Business Entrepreneurship 2nd Week Assignment

Assignment or Evaluation Guidelines have published for the candidates of Higher Secondary Examination 2020 in light of the successful argument of ‘Rearrangement’. Assignments have published by the Department of Secondary and Higher Secondary Education(dshe.gov.bd).

The pandemic situation in the country has taken a terrible turn. Meanwhile, holidays in educational institutions are increasing due to the deteriorating pandemic condition. Ministry of Education forced to close educational institutions to avoid health risks to students due to deteriorating pandemic conditions. Following this, the Ministry of Education initiates assignments to keep the secondary students engaged in their studies. And later it decided to start an assignment or schedule work to continue higher education. The Director-General of the Department of Secondary and Higher Secondary Education said that the number of students will be given in this assignment. SSC Business Entrepreneurship 1st Week Assignment 2021.

SSC Business Entrepreneurship 2nd Week Assignment 2021

In addition, The education system disrupted this year due to the pandemic situation. As a result, educational institutions could not conduct any final examinations. In the current context, the Ministry of Education has taken special measures to keep the education system active.  Therefore, the Bangladesh Board of Education has decided, that students will have to submit assignments instead of exams. So, consistently they need to finish it. SSC 2nd Week Business Entrepreneurship Assignment Answer 2021

এসএসসি ব্যবসায় উদ্যোগ অ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজ

SSC Class 10 Business Entrepreneurship 2nd Week Assignment 2021 With Answer

উদ্যোগ ও ব্যবসায় উদ্যোগ এর ধারণা :

সাধারণ অর্থে, যে কোনাে কর্মপ্রচেষ্টাই উদ্যোগ। কোন সহৃদয় ব্যক্তি এলাকার জনসাধারণের বিশেষ করে দরিদ্র মানুষের কল্যাণের লক্ষ্যে একটি হাসপাতাল স্থাপন করতে এগিয়ে আসেন। তিনি ব্যক্তিগত অর্থ ও সম্পদ ব্যয় করে হাসপাতালটি স্থাপন করেন এবং ডাক্তার ও নার্স নিয়ােগ করেন। এটি তার দৃঢ় মনােবল ও উদ্যোগ গ্রহণের ফসল। এভাবে সকল প্রকার। জনহিতকর কাজ যেমন , স্কুল-কলেজ, হাসপাতাল ও খেলাধূলার ক্লাব প্রতিষ্ঠা করা উদ্যোগের ফসল। | ব্যবসায় স্থাপন বা প্রতিষ্ঠাও কোন একজন ব্যক্তি বা কয়েকজনের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফসল। একটি ব্যবসায় স্থাপনের ধারণা চিহ্নিতকরণ থেকে শুরু করে ব্যবসায়টি স্থাপন ও সফলভাবে পরিচালনাই ব্যবসায় উদ্যোগ।

বিশদভাবে বলতে গেলে, ব্যবসায় উদ্যোগ বলতে | বােঝায় লাভবান হওয়ার আশায় লােকসানের। সম্ভাবনা জেনেও ঝুঁকি নিয়ে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠার জন্য। দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাওয়া ও সফলভাবে ব্যবসায় পরিচালনা করা । যিনি ব্যবসায় উদ্যোগ গ্রহণ করেন তিনিই ব্যবসায় উদ্যোক্তা। যে ব্যক্তি দৃঢ় মনােবল ও সাহসিকতার সাথে ফলাফল অনিশ্চিত জেনেও ব্যবসায় স্থাপন করেন ও সফলভাবে ব্যবসায় পরিচালনা করেন তিনি ব্যবসায় উদ্যোক্তা বা শিল্পোদ্যোক্তা। অন্যদিকে, মুনাফা লাভের উদ্দেশ্যে একটি ব্যবসায় স্থাপনের ধারণা চিহ্নিতকরণ থেকে শুরু করে ব্যবসায়টি স্থাপন ও সফলভাবে পরিচালনাই ব্যবসায় উদ্যোগ।

ব্যবসায় উদ্যোগ গড়ে ওঠার অনুকূল পরিবেশ :

আমরা যদি উন্নত বিশ্বের দিকে লক্ষ করি তাহলে দেখতে পাই যে, তাদের অগ্রগতির একটি প্রধান কারণ হলাে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠা, পরিচালনা ও। সম্প্রসারণের অনুকূল পরিবেশ। আমাদের দেশে মেধা, মনন ও দক্ষতার খুব বেশি ঘাটতি নেই। শুধুমাত্র অনুকূল পরিবেশের অভাবে আমাদের। অগ্রযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। ব্যবসায় উদ্যোগ গড়ে উঠার জন্য নিম্নোক্ত অনুকূল পরিবেশ থাকা উচিত:

১. উন্নত অবকাঠামােগত উপাদান :

ব্যবসায় পরিচালনার জন্য আনুষঙ্গিক কিছু সুযােগ। সুবিধা, যেমন বিদ্যুৎ, গ্যাস ও যাতায়াত ব্যবস্থা দরকার। ব্যবসায়ের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টির জন্য এই সকল উপাদান থাকা বাঞ্ছনীয়।

২. সরকারি পৃষ্ঠাপােষকতা :

সরকারি পৃষ্ঠপােষকতার মাধ্যমে দেশের ব্যবসায় উদ্যোগের আরও সম্প্রসারণ ও সমৃদ্ধি সম্ভব। সরকারি বিভিন্ন সিদ্ধান্ত যেমন কর মওকুফ, স্বল্প বা বিনা সুদে মূলধন সরবরাহ ইত্যাদি ব্যবসায় উদ্যোগের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারবে।

৩. আর্থ-সামাজিক স্থিতিশীলতা :

অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতা যেমন ব্যবসায় উদ্যোগের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি। করে, তেমনি অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতা ব্যবসায় উদ্যোগের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলে।

৪. অনুকূল আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি:

আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনুকূল থাকলে ব্যাবসায় স্থাপন ও পরিচালনা সহজ হয়। অন্যদিকে অস্থিতিশীল আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ব্যবসায় স্থাপন ও পরিচালনার ক্ষেত্রে মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করে।

৫. পর্যাপ্ত পুঁজির প্রাপ্যতা:

যে কোনাে ব্যবসায় উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়ন করার জন্য প্রয়ােজন পর্যাপ্ত পরিমাণ পুঁজি বা মূলধন I মূলধনের স্বল্পতার কারণে অধিকাংশ ব্যবসায় স্থাপন ও পরিচালনা করা সম্ভব হয় না। এজন্য দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটাতে হবে যাতে করে নতুন উদ্যোক্তারা পুঁজির যােগান পেতে পারে।

৬. প্রশিক্ষণের সুযােগ:

প্রশিক্ষণের অভাবে অনেক সময় সুযােগ থাকা সত্ত্বেও সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হয় না। প্রশিক্ষণের। মাধ্যমে ব্যবসায়ের জন্য অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করা সম্ভব।

 

ব্যবসায় উদ্যোগ এর বৈশিষ্ট্য :

ব্যবসায় উদ্যোগের ধারণা বিশ্লেষণ করলে যে সকল বৈশিষ্ট্য ও কার্যাবলি লক্ষ করা যায় তা হলাে :

১। এটি ব্যবসায় স্থাপনের কর্ম উদ্যোগ। ব্যবসায় স্থাপন সংক্রান্ত সকল কর্মকান্ড সফলভাবে পরিচালনা করতে ব্যবসায় উদ্যোগ সহায়তা করে।

২া ঝুঁকি আছে জেনেও লাভের আশায় ব্যবসায় পরিচালনা। ব্যবসায় উদ্যোগ সঠিকভাবে ঝুঁকি পরিমাপ করতে এবং পরিমিত ঝুঁকি নিতে সহায়তা করে।

৩ ব্যবসায় উদ্যোগের ফলাফল হলাে একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান। এর মানে হলাে ব্যবসায় উদ্যোগ সম্পর্কে ধারণা কোনাে চিন্তা – ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে সহায়তা করে।

৪। ব্যবসায় উদ্যোগের অন্য একটি ফলাফল হলাে একটি পণ্য বা সেবা।

৫া ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানটি সফলভাবে পরিচালনা করা।

৬। নিজের জন্য কর্মসংস্থানের সুযােগ সৃষ্টি করা। ব্যবসায় উদ্যোগের মাধ্যমে একজন উদ্যোক্তা নিজের উপার্জনের ব্যবস্থা করতে পারেন।

৭। অন্যদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। ব্যবসায় উদ্যোগ মালিকের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি অন্যদের জন্যও কর্মসংস্থানের সুযােগ সৃষ্টি করেন।

৮ নতুন সম্পদ সৃষ্টি করা। ব্যবসায় উদ্যোগের মাধ্যমে যেমন মানবসম্পদ উন্নয়ন হয় তেমনি মূলধনও গঠন হয়।

৯। সার্বিকভাবে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান। রাখা। ব্যবসায় উদ্যোগ দেশের আয় বৃদ্ধি ও বেকার। সমস্যার সমাধানসহ অন্যান্য ক্ষেত্রেও অবদান রাখতে পারে।

১০| মুনাফার পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতা গ্রহণ করা। ব্যবসায় উদ্যোগ উদ্যোক্তাদের সমাজের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করতে অনুপ্রাণিত করে।

 

আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ব্যবসায় উদ্যোগ এর গুরুত্ব :

বাংলাদেশ একটি উন্নয়শীল দেশ। বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা -২০১০ অনুযায়ী আমাদের মােট জাতীয় উৎপাদনের প্রায় ৫০ ভাগ আসে সেবা খাত। থেকে, প্রায় ২০ ভাগ আসে কৃষি খাত থেকে আর বাকি ৩০ ভাগ আসে শিল্প খাত থেকে। যে কোনাে | দেশের উন্নয়নে শিল্পখাত মুখ্য ভূমিকা পালন করে। ব্যবসায় উদ্যোগের মাধ্যমে শিল্পখাতসহ সকল খাতেরই উন্নয়ন সম্ভব। ব্যবসায় উদ্যোগ নিম্নোক্তভাবে আমাদের দেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে।

১. সম্পদের সঠিক ব্যবহার :

ব্যবসায় উদ্যোগ আমাদের দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ ও মানব সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করে। তাছাড়া নতুন নতুন শিল্প স্থাপনের মাধ্যমে বিনিয়ােগ বৃদ্ধি এবং সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব।

২. জাতীয় উৎপাদন ও আয় বৃদ্ধি :

ব্যবসায় উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের জাতীয় আয় বৃদ্ধি পায়। ফলে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত জাতীয় আয় বৃদ্ধির লক্ষমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হয়।

৩. নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি:

সরকারের পাশাপাশি উদ্যোক্তাদের মাধ্যমেও দেশে। শিল্প কারখানা স্থাপন, পরিচালনা ও সম্প্রসারণ হয়ে থাকে। এর মাধ্যমে নিত্যনতুন কর্মসংস্থানের সুযােগ সৃষ্টি হয় যা বেকার সমস্যা দূর করতে উল্লেখযােগ্য ভূমিকা রাখে।

৪. দক্ষ মানব সম্পদ সৃষ্টি:

বাংলাদেশ একটি জনবহুল দেশ l আমাদের এই বিশাল জনসংখ্যায় আমাদের সম্পদ হতে পারে l কারণ ব্যবসায় উদ্যোক্তাদের অদক্ষ জনগোষ্ঠীকে উৎপাদনশীল কাজে নিয়োজিত করে দক্ষ মানব সম্পদে রূপান্তর করতে পারে l

৫. পরনির্ভরশীলতা দূরীকরণ:

ব্যবসায় উদ্যোগ এর মাধ্যমে আমরা আমাদের পরনির্ভরশীলতা দূর করতে পারি l

Conclusion

In Other words, our efforts in creating thematic assignments ensure that everyone benefits. As a result, this is our activity in creating assignments for classes six to nine. Hopefully, we have been able to solve all the assignments very easily and properly. In order to, we will continue such activities in the future. so we hope you like it.

Stay tuned with us.

For more query ask us without any hesitation Click Here

https://m.me/nhasibul

https://m.me/consciously.unconscious.7

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *