SSC 5th Week History of Bangladesh & World Civilization Assignment 2021

Originally posted on August 27, 2021 @ 1:40 pm

Assignment activities for the 5th week of SSC Exam 2021 are underway. The fifth week assignment of the upcoming 2021 SSC examinees has published. SSC Exam 2021 5th week assignment has started for 10th class students. SSC Exam 2021 History of Bangladesh and World Civilization 5th Week Assignment. এসএসসি পরীক্ষা ২০২১ ৫ম সপ্তাহের বাংলাদেশের ইতিহাস  বিশ্বসভ্যতা অ্যাসাইনমেন্ট l ৫ম সপ্তাহের বাংলাদেশের ইতিহাস  বিশ্বসভ্যতা অ্যাসাইনমেন্ট এসএসসি পরীক্ষা ২০২১ l ৫ম সপ্তাহের বাংলাদেশের ইতিহাস  বিশ্বসভ্যতা অ্যাসাইনমেন্টের সমাধান l History of Bangladesh and World Civilization 5th Week Assignment SSC Exam 2021 With Answer. So, SSC 2021 5th week History of Bangladesh and World Civilization assignment with answer. Similarly, bangladesher itihas o bisshosobbhota 5th week Assignment. এসএসসি পরীক্ষা ২০২১ ৫ম সপ্তাহ বাংলাদেশের ইতিহাস  বিশ্বসভ্যতা অ্যাসাইনমেন্ট l

SSC History of Bangladesh and World Civilization 5th Week Assignment

Assignment activities for the 2021 SSC exams are underway. Assignments made on the basis of rearrangement syllabus for 2021 SSC candidates. Assignments have published for students participating in the 2021 SSC exams.

The government is taking various initiatives to offset the massive damage to the education system caused by the coronavirus epidemic. Basically, it is a huge challenge to keep the education system running. Weekly assignment activities are being given to the students regularly to overcome this loss in the education system. In particular, the government is making various efforts to take the SSC exam in 2021. In other words, these assignments aimed at keeping the students focused on their studies and passing the board exams with merit.

And for that purpose, the assignment of the fifth week has published. Students are being asked to complete these assignment activities seriously. Because on this basis the number of the assignment will added to the number of the board examination.

SSC Exam 2021 History of Bangladesh and World Civilization 

SSC candidates of 2021 have to complete a total of twenty four assignments. Note that out of a total of 32 assignments, a student has to complete a total of twenty four assignments. This means that a student has to do assignments on each group based subject except the fourth subject. In other words, each group-based subject has to complete a total of eight appointments. In other words, students have to complete a total of eight assignments in History of Bangladesh and World Civilization subject and submit it. The Department of Secondary and Higher Education (dshe.gov.bd) has released the fifth week assignment of SSC 2021 candidates.

Because of these exercises, the instructive exercises have fairly fruitful, however the groundwork for the board assessments has not finished. Likewise, because of rehashed crumbling of the pandemic condition, the extent of the timetable during the load up assessment has over and over postponed. So the not really set in stone to take the impending SSC test. The public authority has taken different projects to lead restricted assessments. Understudies are needed to finish two tasks each week in three elective subjects on a gathering premise. On the event of SSC Exam 2021, understudies need to finish and submit 24 tasks in 12 weeks.

এসএসসি বাংলাদেশের ইতিহাস  বিশ্বসভ্যতা  অ্যাসাইনমেন্ট  বা নির্ধারিত কাজ

See the answers to our assignment to get the highest number. And first of all we try to reveal the answer to the assignment. We will continue our efforts for your overall cooperation.

SSC 5th Week Business Entrepreneurship Assignment 2021

SSC 5th Week Accounting Assignment

সর্বোচ্চ নম্বর পেতে আমাদের অ্যাসাইনমেন্টের উত্তর গুলো দেখুন l আর সবার আগে আমরা অ্যাসাইনমেন্টের উত্তর প্রকাশ করার চেষ্টা করি l আপনাদের সার্বিক সহযোগিতার জন্য আমাদের এই প্রয়াস অব্যাহত থাকবে l

Higher Math Assignment SSC 5th Week 2021

5th Week Chemistry Assignment 2021

Physics Assignment 2021 SSC 5th Week

Geography And Environment Assignment SSC 5th Week 2021

SSC 5th Week Civics And Citizenship Assignment 2021

 

SSC Class 10 History of Bangladesh and World Civilization 5th Week Assignment Answer

শিরােনামঃ

প্রাচীন বাংলার মানচিত্র অঙ্কন এবং জনপদ চিহ্নিত করণ ও নিজ জেলা কোন জনপদের অধীন তা নিরুপণ:
SSC 5th Week History of Bangladesh & World Civilization Assignment 2021

মানচিত্রে প্রাচীন বাংলার জনপদ 
  • বঙ্গ- কুষ্টিয়া, যশাের, নদীয়া, ঢাকা, ফরিদপুর ও ময়মনসিংহ।
  • সমতট- কুমিল্লা ও নােয়াখালী।

  • হরিকেল- পার্বত্য চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম, ত্রিপুরা ও সিলেট।
  • গৌড়- চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর, মালদহ ও পশ্চিম দিনাজপুর।
  • বরেন্দ্র- বগুড়া, পাবনা ও রাজশাহীর অংশবিশেষ।
  • বরেন্দ্র- বগুড়া, পাবনা ও রাজশাহীর অংশবিশেষ।
  • পুণ্ড- বগুড়া, রাজশাহী ও রংপুর-দিনাজপুর জেলার অংশ। চন্দ্রদ্বীপ- বরিশাল (বাকলা, ইসলামপুর)।

প্রাচীন বাংলার জনপদ

জনপদ গুলাের গুরুত্ব

চতুর্থ শতক থেকে গুপ্ত যুগ, গুপ্ত পরবর্তী যুগ, পাল, সেন আমলের শিলালিপি ও বিভিন্ন গ্রন্থে প্রাচীন বাংলার বিভিন্ন জনপদের নাম পাওয়া গেছে।

পুণ্ড্র:

‘পৌন্দ্রিক শব্দ থেকে পুনামের উৎপত্তি। এর অর্থ- আখ বা চিনি। বাংলাদেশের সর্বপ্রাচীন জনপদ হলাে পু। বগুড়া, রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অবস্থানভূমিকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠে পুণ্ড জনপদ। প্রাচীন পুণ্ড রাজ্যের রাজধানী ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর। সম্রাট অশােকের রাজত্বকালে প্রাচীন পুণড়ু রাজ্যের স্বাধীনতা বিলুপ্ত হয়। বর্তমান অবস্থান

বগুড়া জেলার মহাস্থানগড়। বৈদিক সাহিত্য ও মহাভারতে এ জাতির উল্লেখ আছে। পাল। রাজারা উত্তরবঙ্গকে তাদের পিতৃভূমি মনে করত। সেজন্য এর নামকরণ করেছিল বারিন্দ্রী। এই বারিন্দ্রী থেকে বরেন্দ্র শব্দের উৎপত্তি। বর্তমান করতােয়া নদীর পশ্চিম তীরের লালমাটি সমৃদ্ধ অঞ্চলই বরেন্দ্রভূমি নামে পরিচিত। গঙ্গা ও করতােয়া নদীর পশ্চিমাংশের মধ্যবর্তী। অংশকে রামায়ণে বারিন্দ্রীমণ্ডল বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

গৌড়:

প্রাচীন বাংলার জনপদ গুলােকে শশাঙ্ক গৌড় নামে একত্রিত করেন। পাণিনির গ্রন্থে। সর্বপ্রথম গৌড়ের উল্লেখ পাওয়া যায়। কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্র’ গ্রন্থে এ জনপদের শিল্প ও। কৃষিজাত দ্রব্যের উল্লেখ পাওয়া যায়। হর্ষবর্ধনের শিলালিপি হতে প্রমাণিত হয় যে, সমুদ্র। উপকূল হতে গৌড় দেশ খুব বেশি দূরে ছিল না। সাত শতকে গৌড়রাজ শশাঙ্কের রাজধানী ছিল মুর্শিদাবাদ জেলার কর্ণসুবর্ণ। বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও এর সন্নিকটের এলাকা গৌড় রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত ছিল। আধুনিক এ লদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম ও বর্ধমানের কিছু অংশ গৌড়ের সীমানা মনে করা হয়।

বঙ্গ:

বৃহত্তর ঢাকা, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা, বরিশাল, পাবনা, ফরিদপুর নােয়াখালী, বাকেরগঞ্জ ও পটুয়াখালীর নিম্ন জলাভূমি এবং পশ্চিমের উচ্চভূমি যশাের, কুষ্টিয়া, নদীয়া, শান্তিপুর ও ঢাকার বিক্রমপুর সংলগ্ন অঞ্চল ছিল বঙ্গ জনপদের অন্তর্গত। পাঠান আমলে সমগ্র বাংলা। বঙ্গ নামে ঐক্যবদ্ধ হয়। পুরানাে শিলালিপিতে ‘বিক্রমপুর’ ও ‘নাব্য’ নামে দুটি অংশের উল্লেখ রয়েছে। প্রাচীন বঙ্গ ছিল একটি শক্তিশালী রাজ্য। ঐতরেয় আরণ্যক’ গ্রন্থে বঙ্গ নামে উল্লেখ পাওয়া যায়। এছাড়া রামায়ণ, মহাভারতে এবং কালিদাসের ‘রঘুবংশ’ গ্রন্থে ‘বঙ্গ’ নামের উল্লেখ পাওয়া যায়।

সমতট:

চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাং এর বিবরণ অনুযায়ী সমতট ছিল বঙ্গ রাজ্যের দক্ষিণ পূর্বাংশের একটি নতুন রাজ্য। মেঘনা নদীর মােহনাসহ বর্তমান কুমিল্লা ও নােয়াখালী অঞ্চল সমতটের অন্তর্ভুক্ত। কুমিল্লা জেলার বড় কামতা সমতট রাজ্যের রাজধানী ছিল বলে জানা যায়। কুমিল্লা ময়নামতিতে পাওয়া প্রাচীন নিদর্শনের মধ্যে অন্যতম শালবন বিহার।

রাঢ়:

রাঢ় বাংলার একটি প্রাচীন জনপদ। ভাগীরথী নদীর পশ্চিম তীর হতে গঙ্গা নদীর দক্ষিণাঞ্চল রাঢ় অঞ্চলের অন্তর্গত। অজয় নদী রাঢ় অঞ্চলকে দুই ভাগে ভাগ করেছে। উত্তর রাঢ় বর্তমান মুর্শিদাবাদ জেলার পশ্চিমাংশ সমগ্র বীরভূম জেলা এবং বর্ধমান জেলার কাটোয়া মহকুমা দক্ষিণ রাঢ় বর্ধমানে দক্ষিণাংশ হুগলি বহুলাংশ এবং হাওড়া জেলা।

হরিকেল:

সপ্তম শতকের লেখকেরা হরিকেল নামে একটি জনপদের বর্ণনা করেছেন। চীনা ভ্রমণকারী ইৎ সিং বলেছেন, হরিকেল ছিল পূর্ব ভারতের শেষ সীমায়। ত্রিপুরার শৈলশ্রেণির সমান্তরাল। অঞ্চল সিলেট হতে চট্টগ্রাম পর্যন্ত হরিকেল বিস্তৃত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রক্ষিত দুইটি শিলালিপিতে হরিকেল সিলেটের সঙ্গে সমর্থক বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

তাম্রলিপ্ত:

তাম্রলিপ্ত নামক জনপদ হরিকেল ও রাঢ়ের দক্ষিণে অবস্থিত ছিল বলে ধারণা করা হয়। তাম্রলিপ্ত প্রাচীন বাংলার একটি বিখ্যাত বন্দর ছিল। বর্তমান মেদিনীপুর জেলার তমলুকই এলাকাই ছিল তাম্রলিপ্ত জনপদের কেন্দ্রস্থল। পেরিপ্লাস’ নামক গ্রন্থে এবং টলেমি, ফা-হিয়েন, হিউয়েন সাং ও ইৎ সিংয়ের বিবরণে এই তাম্রলিপ্ত জনপদের নাম বন্দর হিসেবে। উল্লেখ আছে। সপ্তম শতক হতে এটা দণ্ডভুক্তি নামে পরিচিত হতে থাকে। আট শতকের পর হতেই তাম্রলিপ্ত বন্দরের সমৃদ্ধি নষ্ট হয়ে।

আর্যপূর্ব যুগে বাংলা:

বঙ্গদেশে জনবসতির প্রাথমিক তথ্য পাওয়া না গেলেও প্রস্তর যুগ, নব্য প্রস্তর যুগ এবং তাম যুগের কিছু অস্ত্রশস্ত্রের সন্ধান মেলে এখানে। খ্রিষ্টের জন্মের প্রায় দেড় হাজার বছর আগে এখানে এক সুসভ্য জাতির বাস ছিল বলে পণ্ডিতরা অনুমান করেন। এরা চাষাবাদ, পশু শিকার ও পশুপালন করে তাদের জীবিকা নির্বাহ করত। এরা পাথর ও তামা ব্যবহার করত এবং ইট পাথরের ভিটার উপর প্রশস্ত ঘর তৈরি করত। প্রাচীন পুডু ও বঙ্গজাতি আর্যপূর্ব। যুগের মানুষ ছিল বলে ধারণা করা হয়। আর্যপূর্ব যুগে বাংলার অধিবাসীরা সভ্যতার দিক থেকে যথেষ্ট উন্নত ছিল। কৃষিকাজ, নৌকা নির্মাণ, বয়ণশিল্প, ধাতুশিল্প প্রভৃতি আর্যপূর্ব যুগের লােকেরাই বাংলায় প্রথম প্রচলন করেন। কুমার, কামার, সূত্রধর, তাম্রকার স্বর্ণকার, মণিকার, বাসারী, শাখারী ইত্যাদি পেশাদারদের কারিগরি কাজে এরা সুদক্ষ ছিল।

চন্দ্রদ্বীপ/বাকলা:

‘আইন-ই-আকবরী’ গ্রন্থে উল্লেখিত বাকলা পরগণা বর্তমান বরিশাল জেলার অন্তর্গত। মধ্যযুগে বর্তমানে বরিশাল জেলাই ছিল চন্দ্রদ্বীপের মূল ভূখণ্ড ও প্রাণকেন্দ্র। এ প্রাচীন জনপদটি বালেশ্বর ও মেঘনার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত ছিল। পাল যুগে এটি ত্রৈলােক্যচন্দ্রের শাসনাধীন ভূখণ্ডরূপে শাসিত হতাে।

আর্য জাতি:

যারা ইন্দো-ইউরােপীয় ভাষা গােষ্ঠীর ইন্দো-ইরানীয় আর্যভাষা তথা ল্যাটিন, গ্রিক, জার্মান, ফরাসি ভাষায় কথা বলতাে তারা আর্যজাতি। এদের বসবাস ছিল ইউরাল পর্বতের দক্ষিণের তৃণভূমি অঞ্চলে তথা ককেশাস অঞ্চল। এরা সনাতন ধর্মাবলম্বী ছিল এবং এদের ধর্মগ্রন্থের নাম ঋকবেদ। আফগানিস্তানের খাইবার গিরিপথ দিয়ে খ্রিষ্টপূর্ব ১৫০০ অব্দে আর্যগণ ভারতবর্ষে প্রবেশ করে। ভারতবর্ষে প্রবেশের চৌদ্দশত বছর পর খ্রিষ্টপূর্ব ১০০ অব্দে আর্যগণ বাংলায় প্রবেশ করে। এসময় বঙ্গদেশ অস্ট্রিক জাতির প্রভাবাধীন ছিল। প্রায় আটশত বছর তথা মৌর্য ও গুপ্ত শাসনামল পর্যন্ত বঙ্গদেশে আর্যীকরণ ঘটেছিল বলে ধারণা করা হয়।

বাংলার প্রাচীন ইতিহাস

২০০০০ বছর পূর্বের প্রস্তর যুগের এবং প্রায় চার হাজার বছরের পুরনাে তামযুগের। ধ্বংসাবশেষ বাংলায় পাওয়া গেছে। ইন্দো-আর্যদের আসার পর অঙ্গ, বঙ্গ এবং মগধ রাজ্য গঠিত হয় খ্রিষ্টপূর্ব দশম শতকে। এই রাজ্যগুলি বাংলা এবং বাংলার আশেপাশে স্থাপিত হয়েছিল। অঙ্গ বঙ্গ এবং মগধ রাজ্যের বর্ণনা প্রথম পাওয়া যায় অথর্ববেদে প্রায় ১২০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে। মহাভারতে পৌন্ড্র রাজ বাসুদেব । এর উল্লেখ পাওয়া যায়। এছাড়া চেদি রাজ্য আধুনা ভাওয়াল এর কাছে অবস্থিত।

মগধরাজ জরাসন্ধ মহাপরাক্রমশালী নৃপতি ছিলেন। মহাভারতে পাওয়া যায় চিত্রসেন ও সমুদ্রসেন ভীমের দিগ্বিজয় আটকে দিয়েছিল। এরা বঙ্গের অতি পরাক্রমশালী নৃপতি ছিলেন। খ্রিষ্টপূর্ব ষষ্ঠ শতক থেকে বাংলার অধিকাংশ অঞ্চলই শক্তিশালী রাজ্য মগধের অংশ ছিল। মগধ ছিল একটি প্রাচীন ভারতীয়-আর্য রাজ্য। মগধের কথা রামায়ণ এবং মহাভারতে পাওয়া যায়। বুদ্ধের সময়ে এটি ছিল ভারতের চারটি প্রধান রাজ্যের মধ্যে একটি। মগধের ক্ষমতা বাড়ে বিম্বিসারের (রাজত্বকাল ৫৪৪-৪৯১ খ্রীষ্টপূর্বাব্দ) এবং তার ছেলে অজাতশত্রুর (রাজত্বকাল ৪৯১-৪৬০

খ্রীষ্টপূর্বাব্দ) শাসনকালে। বিহার এবং বাংলার অধিকাংশ স্থানই মগধের ভিতরে ছিল। ৩২৬ খ্রীষ্টপূর্বাব্দে আলেকজান্ডার দ্য গ্রেটের সেনাবাহিনী মগধের নন্দ সামাজ্যের সীমানার দিকে অগ্রসর হয়। এই সেনাবাহিনী ক্লান্ত ছিল এবং গঙ্গা নদীর কাছাকাছি বাংলার বিশাল বাহিনীর মুখােমুখি হতে ভয় পেয়ে যায়। এই বাহিনী বিপাশা নদীর কাছে বিদ্রোহ ঘােষণা করে এবং আরও পূর্বদিকে যেতে অস্বীকার করে। আলেকজান্ডার তখন তার সহকারী কইনাস (Coenus) এর সাথে দেখা করার পরে ঠিক করেন ফিরে যাওয়াই ভাল।

শিক্ষর্থীদের বর্তমান জেলা যে জনপদের অন্তরভূক্ত তার ব্যাখ্যা

আমার বর্তমান অবস্থান ফেনী জেলায়। এই জেলা প্রাচীন সমতট জনপদের অন্তরভূক্ত। এর ব্যাখ্যা নিচে দেওয়া হলঃ সমতট বাংলার একটি প্রাচীন ভৌগােলিক অঞ্চল। পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায় ব্রহ্মপুত্র নদীর মুখে বঙ্গ জনপদের প্রতিবেশী জনপদ হিসেবে ছিল সমতটের অবস্থান। এ অঞ্চলটি ছিল। আর্দ্র নিম্নভূমি। চৈনিক পরিব্রাজক হিউয়েন সাং সমতটকে কামরূপের দক্ষিণে বিস্তৃত। নিম্নদেশ হিসাবে বর্ণনা করেছেন। সম্ভবত উত্তরের উচ্চ এবং উঁচু-নিচু অঞ্চলের চেয়ে এই। অঞ্চলের নদী বিধৌত অঞ্চল ছিল সমতল। সেই থেকে সমতট নামটি প্রচলিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। রােমান জ্যোতির্বিদ টলেমি এ অঞ্চলকে Souanagoura হিসেবে উল্লেখ করেন।

ইতিহাসবিদেরা কেউ কেউ মনে করেন, সমতট বর্তমান কুমিল্লার প্রাচীন নাম। আবার কেউ কেউ মনে করেন, কুমিল্লা ও নােয়াখালী অঞ্চল নিয়ে সমতট গঠিত হয়েছিল। আবার অনেকের মতে সমতট এর প্রাণকেন্দ্র ছিল ‘লালমাই-ময়নামতি’ এবং প্রাচীন কুমিল্লা অঞ্চলের নাম ছিল সমতট। খ্রিষ্টীয় চতুর্থ শতাব্দী থেকে (কারও কারও মতে সপ্তম শতাব্দী) দ্বাদশ শতাব্দী পর্যন্ত এই জনপদের বিস্তৃতি ছিল প্রায় ৫০০ মাইল এবং বর্তমান ভারতের ত্রিপুরা জেলা ছিল সমতটের অন্যতম অংশ। সপ্তম শতাব্দীতে সমতটের রাজধানী ছিল ত্রিপুরা রাজ্যের কামড়া অঞ্চলে। এক সময় এ জনপদের পশ্চিম সীমা চব্বিশ পরগনার খাড়ি পরগনা পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। গঙ্গা-ভাগীরথীর পূর্ব তীর থেকে শুরু করে মেঘনার মােহনা পর্যন্ত সমুদকূলবর্তী অঞ্চলকেই সম্ভবত বলা হতাে সমতট। কুমিলা শহরের ১২ মাইল পশ্চিমে বড় কামতা নামক স্থানটি সাত শতকে এর রাজধানী ছিল।

চন্দ্রবংশীয় রাজা ভবদেব কুমিল্লায় আনন্দ বিহার বা শালবন বিহার প্রতিষ্ঠা করেন। এই সময়ে বিহার এশিয়ার জ্ঞানচর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিগণিত হয়। সে সময় একে বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা দেওয়া হয়। বিখ্যাত চৈনিক পরিব্রাজক হিউয়েন সাং আনন্দ বিহারে আসেন। তখন বিহারে। চার হাজার ভিক্ষু ছিল। তিনি ময়নামতী অঞ্চলে ৩৫টি বিহার দেখতে পান।

বর্তমান অবস্থা:

বর্তমান বাংলাদেশের বৃহত্তর কুমিল্লা অঞ্চল ও বৃহত্তর নােয়াখালী অঞ্চল নিয়ে ছিলাে সমতট । অঞ্চল। বর্তমানেও এ অঞ্চলের সাংস্কৃতিক অভিন্নতা রয়েছে। এই অঞ্চল নিয়ে কুমিল্লা বিভাগ নামে প্রশাসনিক বিভাগ (প্রস্তাবিত). এই অঞ্চলের সাংস্কৃতিক অভিন্নতা অটুট রাখতে এবং আঞ্চলিক ঐক্য প্রতিষ্ঠায় বৃহত্তর সমতট ঐক্য সংসদ নামে সাংস্কৃতিক সংগঠনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বঙ্গদেশের এক নাম সমতট, বরাহমিহিরের কুৰ্ম্মবিভাগ গ্রন্থে বঙ্গ, উপবঙ্গ ও সমতটকে পৃথক দেশে ধরা হয়ছে, বােধ হয় বঙ্গের সমুদ্রতীরস্থ অংশই সমতট।তবকৎ-ই-নাসিরী গ্রন্থে সমতটকে সনত বা সাঁকট নাম লিখিত আছে। আবার হােয়েনসাং লিখেছেন “সমতটরাজ্য চক্রাকৃতি তাহার বেষ্টন তিন হাজার লি

এবং সমুদ্রতীরবর্তী।রাজধানীর বেষ্টন ২০ লি, ভূমি নিম্ন ও উর্বর এবং অপৰ্য্যাপ্ত শস্য উৎপাদন হয়, জলবায়ু প্রীতিকর, অধিবাসিরা খর্বকায়, কৃষ্ণবর্ণ ও কষ্টসহিষ্ণু, রাজ্যে সত্যধর্ম ও অপধৰ্ম্ম উভয়ই প্রচলিতাত্রিশটি সঙঘারামে প্রায় দুই হাজার ব্রাহ্মণ বাস করতেন, রাজ্যে প্রায় একশত দেবমন্দির আছে, অসংখ্য উলঙ্গ নিগ্রন্থ বাস । করে।নগরের নিকট অশােকস্থূপ বর্তমান।পূৰ্ব্বকালে তথাগত সেখানে সপ্তাহকাল শাস্ত্র ব্যাখ্যা করেন।পের নিকটস্থ সঙঘারামে হরিৎ প্ৰস্ত ল নির্মিত ৮ ফুট উচ্চ বুদ্ধমূর্তি ছিল।” এইছিল হােয়েনসাং এর বিবরণ।

Conclusion

Finally, we wish the students well. We are always there to help the students. So, we would be grateful if any students would benefit so much from us. We will continue to work to help students in a variety of ways in the future. Stay with us until then.

For more query ask us without any hesitation

Updated: September 19, 2021 — 5:37 am

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *