SSC 6th Week Bangladesh And Global Studies Assignment 2022

Originally posted on August 27, 2021 @ 1:28 pm

The sixth week assignment of 2022 SSC exam has published. And so the 6th week assignment on the subject of Bangladesh And Global Studies has published. Similarly SSC Exam 2022 Sixth Week Assignment of Bangladesh And Global Studies. SSC Bangladesh And Global Studies 6th Week Assignment 2022. Likewise, Bangladesh And Global Studies 6th Week Assignment SSC Exam 2022. ২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষা  বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ষষ্ঠ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট l ৬ষ্ঠ সপ্তাহের  বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অ্যাসাইনমেন্টের সমাধান l ২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষা  বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ষষ্ঠ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তরসহ l SSC Exam 2022. 6th Week  Assignment With Answer.

Contents

SSC Bangladesh And Global Studies 6th Week Assignment

SSC Exam 2022 Assignment activities have going on for a long time. The coronavirus situation has been the same stage in the education system in 2022 as it was in 2021. Students are suffering from the uncertainty of their board exams. The Department of Education has taken various steps to deal with such instability. To this end, the studies of the students have kept active through assignment activities for the time being. Several important steps have taken to hold the SSC exam in 2021.

Basically the 2021 SSC exam will held depending on the short syllabus. The 2022 SSC exam will not on the basis of short syllabus. The goal of the Ministry of Education is to complete the complete examination on the basis of the complete syllabus of the SSC examination of 2022. And that is why the syllabus of SSC candidates for 2022  completed by continuing the assignment activities in advance. And so the sixth week of assignment activities has provided this week.

SSC Exam 2022 Bangladesh And Global Studies 6th Week Assignment

Unlike the 2021 SSC examinees, the specified number of assignments for the 2022 SSC examinees has not fixed. Because there is enough time for 2022 SSC candidates to take the exam. Therefore, even if the educational institution is not open, it expected that the syllabus of 2022 SSC candidates can completed through assignments activities. In addition, two weekly assignments given to SSC candidates for 2022 to keep their studies active.

The Department of Secondary and Higher Education (dshe.gov.bd) has released the 6th week assignment of SSC 2022 candidates. Since it is not possible to teach in the classroom, the students are urged to complete the assigned assignments seriously. Because the number obtained from the assignment activity will associated with the main test.

এসএসসি ২০২২  বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়  অ্যাসাইনমেন্ট  বা নির্ধারিত কাজ

See the solutions to our task to get the most noteworthy number. What’s more, above all else we attempt to uncover the response to the task. We will proceed with our endeavors for your general collaboration.

সর্বোচ্চ নম্বর পেতে আমাদের অ্যাসাইনমেন্টের উত্তর গুলো দেখুন l আর সবার আগে আমরা অ্যাসাইনমেন্টের উত্তর প্রকাশ করার চেষ্টা করি l আপনাদের সার্বিক সহযোগিতার জন্য আমাদের এই প্রয়াস অব্যাহত থাকবে l

SSC 2022 Class 10 Bangladesh And Global Studies 6th Week Assignment Answer

ভূমিকাঃ

কোন দেশ বা জাতির ইতিহাস সে দেশের বিভিন্ন যুগের সামাজিক, সাংস্কৃতি, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক জীবনের প্রতিচ্ছবি। ইতিহাস হলাে মানুষের সামাজিক সংগঠন ও উন্নয়নের কালপঞ্জির সঠিক ও বিজ্ঞানসম্মত  বিবরণ । ইতিহাসের বিষয়বস্তু হচ্ছে মানুষের জীবনধারা, মানুষের সমাজ ও পরিবেশ তথা মানুষের। সভ্যতার কালক্রমিক বর্ণনা। লিখিত ও অলিথিত নানা উপাদানের উপর নির্ভর করে ইতিহাস লিখিত হয়। সমকালীন সাহিত্য, ধর্মগ্রন্থ, পর্যটকদের বিবরণী, সরকারি দলিল-পত্র, রাজা-বাদশা, শাসকদের জীবনী ইত্যাদি লিখিত উপাদানের উপাত্ত। অলিখিত উপাদানের মধ্যে পডে- ধর্মীয় ও সাধারণ স্থাপত্য, ভাস্কর্য, মুদ্রা, তাম্রলিপি, শিলালিপি, মানুষের ব্যবহার্য বাসন-কোসন, চিত্রকলা ইত্যাদি। ইতিহাস মানুষের অতীতকে আনতে সাহায্য করে, বর্তমান চলার পথের দিক নির্দেশনা  দেয়। দেশ, জাতি গঠন ও উন্নয়নের পথ দেখায় সর্বোপরি ইতিহাস পাঠে মানুষ কর্মকুশলী ও দেশপ্রেমিক হিসেবে গড়ে ওঠে।

ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ব্যাখ্যা : ইতিহাস শব্দটির উৎপত্তি:

‘ইতিহ’ শব্দ থেকে যার অর্থ “ঐতিহ্য”। ঐতিহ্য হচ্ছে অতীতের অভ্যাস, শিক্ষা, ভাষা, শিল্প, সাহিত্য-সংস্কৃতি যেটি ভবিষ্যতের জন্য সংরক্ষিত থাকে। এই ঐতিহ্যকে এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেয় ইতিহাস। ই. এইচ, কারের ভাষায় বলা যায় যে, ইতিহাস হলাে বর্তমান ও অতীতের মধ্যে এক অন্তহীন সংলাপ। বর্তমানের সকল বিষযই অতীতের ক্রমবিবর্তন ও অতীত ঐতিহ্যের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। আর অতীতের ক্রমবিবর্তন ও ঐতিহ্যের বস্তুনিষ্ঠ বিবরণই হলাে ইতিহাস। তবে এখন, বর্তমান সময়েরও ইতিহাস  লেখা হয়, যাকে বলে সাম্প্রতিক ইতিহাস। সুতরাং,  এখন ইতিহাসের পরিসর সুদূর অতীত থেকে বিরাজমান বর্তমান পর্যন্ত বিস্তৃত।

গ্রিক শব্দ ‘হিস্টরিয়া’ (Historia) থেকে ইংরেজী ‘হিস্ট্রি (History) শব্দটির উৎপত্তি, যার প্রথম ব্যবহার করেন গ্রিক ঐতিহাসিক হেরােডটাস (খ্রিঃ পূঃ পঞ্চম শতক)। | তিনি ইতিহাসের জনক হিসেবে খ্যাত। তিনিই সর্বপ্রথম তাঁর গবেষণা কর্মের নামকরণে এ শব্দটি ব্যবহার করেন যার আভিধানিক অর্থ হলাে সত্যানুসন্ধান বা গবেষণা। তিনি বিশ্বাস করতেন, ইতিহাস হলাে যেটি সত্যিকার অর্থে ছিল সংঘটিত হয়েছিল তা অনুসন্ধান করা ও লেখা। তিনি তাঁর গবেষণায় গ্রিস ও পারস্যের মধ্যে সংঘটিত যুদ্ধের বিভিন্ন বিষয় অনুসন্ধান করেছেন। এতে তিনি প্রাপ্ত তথ্য, গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাসমূহ এবং গ্রিসের বিজয়গাঁথা লিপিবদ্ধ করেছেন। যাতে পরবর্তী প্রজন্ম এ ঘটনা ভুলে না যায়, এ বিবরণ যাতে তাদের উৎসাহিত করে এবং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে। হেরাডটাসই প্রথম ইতিহাস এবং অনুসন্ধান এ দুটি ধারণাকে সংযুক্ত করেন।

ফলে ইতিহাস পরিণত হয় বিজ্ঞানে, পরিপূর্ণভাবে হয়ে ওঠে তথ্য নির্ভর এবং গবেষণার বিষয়ে। টয়েনবির মতে, সমাজের জীবনই ইতিহাস। পকৃতপক্ষে, মানব সমাজের অনন্ত ঘটনাপ্রবাহই হলাে ইতিহাস।

ইতিহাসের উপাদান:

বর্ণমালা আবিষ্কারের পূর্ববর্তী সময়ের ইতিহাস জানার | জন্য আমাদের সে যুগের মানুষের তৈরি ও ব্যবহৃত দ্রব্যাদির উপর নির্ভর করতে হয়। বর্তমানে মানুষের অতীত ইতিহাস জানার জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি আবিষ্কৃত হযেছে। ইতিহাস রচনার জন্য উপাদান বা উৎস খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ইতিহাসের উপাদানের সাথে ইতিহাস রচনার পদ্ধতির রয়েছে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। সঠিক ইতিহাস রচনার জন্য এসকল উপাদানের উপর ঐতিহাসিকগণ একান্তভাবে নির্ভরশীল।

ইতিহাসের উপাদান দু’ভাগে বিভক্ত। যেমন- লিখিত ও অলিখিত উপাদান। লিখিত উপাদান হলাে- মুদ্রা, শিলালিপি, নথিপত্র, সাহিত্য, জীবনী, রােজনামচা বা ডায়েরি প্রভৃতি। আর অলিখিত উপাদান হলাে- সৌধ, মানুষের তৈরি হাতিয়ার, পােশাক, ইমারাত, ব্যবহৃত বাসন-কোসন, খাদ্যশস্যসমূহ ইত্যাদি। এসব উপাদান সঠিকভাবে বিশ্লেষণের মাধ্যমে একটা যুগের বিশেষ সময়ের ইতিহাস জানা যায়।

ইতিহাস রচনার উপকরণ :

যে সব তথ্য প্রমাণের উপর ভিত্তি করে ঐতিহাসিক সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব তাকেই ইতিহাসের উপাদান বলা হয়। সঠিক ইতিহাস লিখতে ঐতিহাসিক উপাদানের গুরুত্ব | অপরিসীম। ইতিহাসের উপাদানকে আবার দু’ভাগে ভাগ করা যায়। যথা : লিখিত উপাদান ও অলিখিত উপাদান।

১. লিখিত উপাদান :

ইতিহাস রচনার লিখিত উপাদানের মধ্যে রয়েছে সাহিত্য, বৈদেশিক বিবরণ, দলিলপত্র ইত্যাদি। বিভিন্ন দেশি-বিদেশি সাহিত্যকর্মেও তৎকালীন সময়ের কিছু তথ্য পাওয়া যায়। যেমন : বেদ, কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্র, কলহনের ‘রাজতরঙ্গিনী,  মিনহাজ-উস-সিরাজের ‘তবকাত-ই-নাসিরী আবুল ফজল এর ‘আইন-ই-আকবরী’ ইত্যাদি। বিদেশী পর্যটকদের বিবরণ সব সময়ই ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান বলে বিবেচিত। যেমন- পাঁচ থেকে সাত শতকে বাংলায় আগত চৈনিক পরিব্রাজক যথাক্রমে ফা হিয়েন, হিউয়েন সাং ও ইৎসিৎ-দের বর্ণনা। পরবর্তী সময়ে আফ্রিকান পরিব্রাজক ইবনে বতুতাসহ অন্যান্যদের লেখাতেও এ অঞ্চল সম্পর্কে বিবরণ পাওয়া যায়।

২. অলিখিত বা প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদান :

যেসব বস্তু বা উপাদান থেকে আমরা বিশেষ সময়, স্থান বা ব্যক্তি সম্পর্কে বিভিন্ন ধরনের ঐতিহাসিক তথ্য পাই সে বস্তু বা উপাদানই প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনসমূহ মূলত অলিখিত উপাদান। যেমন : মুদ্রা, | শিলালিপি স্তম্ভলিপি, তাম্রলিপি, ইমারত ইত্যাদি। এ সমস্ত প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং বিশ্লেষণের ফলে সে সময়ের অধিবাসীদের। রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে কিছুটা ধারণা পাওয়া যায়।

ইতিহাসের গুরুত্ব :

মানবসমাজ ও সভ্যতার বিবর্তনের সত্য নির্ভর বিবরণ হচ্ছে ইতিহাস। যে কারণে জ্ঞানচর্চার শাখা হিসেবে ইতিহাসের গুরুত্ব অসীম। ইতিহাস পাঠ মানুষকে অতীতের পরিপ্রেক্ষিতে বর্তমান অবস্থা বুঝতে, ভবিষ্যৎ অনুধাবন করতে সাহায্য করে। ইতিহাস মঙ্গল অমঙ্গলের পূর্বাভাস পাওয়া সম্ভব। সুতরাং দেশ ও জাতির স্বার্থে এবং ব্যক্তির প্রয়ােজনে ইতিহাস পাঠ অত্যন্ত জরুরি। অতীতের সত্যনিষ্ঠ বর্ণনা মানুষের জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। আর এ বিবরণ যদি হয় নিজ দেশ জাতির সফল সংগ্রাম, গৌরবময় ঐতিহ্যের তাহলে তা মানুষকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে। একই সঙ্গে আত্মপ্রত্যয়ী, আত্মবিশ্বাসী হতে সাহায্য করে। সে ক্ষেত্রে জাতীয়তাবােধ, জাতীয় সংহতি সুদৃঢ়করণে ইতিহাস পাঠের বিকল্প নেই। ইতিহাস জ্ঞান মানুষকে সচেতন করে তােলে। ইতিহাসের ব্যবহারিক গুরুত্ব অপরিসীম।

মানুষ ইতিহাস পাঠ মানুষ ইতিহাস পাঠ করে অতীত ঘটনাবলির দৃষ্টান্ত থেকে শিক্ষা নিতে পারে। ইতিহাসের শিক্ষা বর্তমানের প্রয়ােজনে কাজে লাগানাে যেতে পারে। ইতিহাস দৃষ্টান্তের মাধ্যমে শিক্ষা দেয় বলে ইতিহাসকে বলা হয় শিক্ষনীয় দর্শন। মানুষ কৌতুহলপ্রিয়। মানুষ | তার অতীত ঘটনা জানতে চায়। ইতিহাস পাঠ করার মাধ্যমেই অতীতকে জানা সম্ভব। সত্যনিষ্ঠ ইতিহাস পাঠ করে যে জ্ঞান লাভ হয়, তা বাস্তব জীবনে। চলার জন্য উৎকৃষ্টতম শিক্ষা। ইতিহাস পাঠ করলে বিচার বিশ্লেষণের ক্ষমতা বাড়ে, দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরিতে সাহায্য করে। ফলে জ্ঞান চর্চার প্রতি আগ্রহ জন্মে।

বর্তমান আর্থ সামাজিক প্রেক্ষাপটে ইতিহাস চর্চার প্রয়ােজনীয়তাঃ

ইতিহাস মানুষকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে শিক্ষাদান করে। | অতীতের নানামুখী ঘটনা মানুষ কি দৃষ্টিভঙ্গিতে বর্তমানে বিচার করবে ইতিহাস সে বিষয়ে মানুষের কর্মপন্থা নির্ধারণে শিক্ষা দিয়ে থাকে।

জ্ঞান ও আত্মমর্যাদা বৃদ্ধি করে :

অতীতের সত্যনিষ্ঠ বর্ণনা মানুষের জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। আর এ বিবরণ যদি হয় নিজ দেশ, জাতির সফল সংগ্রাম, গৌরবময় ঐতিহ্যের তাহলে তা মানুষকে দেশপ্ৰেশে উদ্বুদ্ধ করে। একই সঙ্গে আত্মপ্রত্যয়ী, আত্মবিশ্বাসী হতে সাহায্য করে। সে ক্ষেত্রে  জাতীয়তাবােধ, জাতীয় সংহতি সুদৃঢ়করণে ইতিহাস  পাঠের বিকল্প নেই।

সচেতনতা বৃদ্ধি করে :

ইতিহাস জ্ঞান মানুষকে সচেতন করে তােলে। বিভিন্ন মানবগােষ্ঠীর উত্থান পতন এবং সভ্যতার বিকাশও পতনের কারণগুলাে জানতে পারলে মানুষ ভালাে-মন্দের পার্থক্যটা সহজেই বুঝতে পারে। ফলে, সে তার করুন পরিণতি সম্পর্কে সচেতন থাকে।

দৃষ্টান্তের সাহায্যে শিক্ষা দেয় :

ইতিহাসের ব্যবহারিক গুরুত্ব অপরিসীম। মানুষ ইতিহাস পাঠ করে অতীত ঘটনাবলির দৃষ্টান্ত থেকে শিক্ষা নিতে পারে। ইতিহাসের শিক্ষা বর্তমানের প্রয়ােজনে কাজে লাগানাে যেতে পারে। ইতিহাস দৃষ্টান্তের মাধ্যমে শিক্ষা দেয় বলে ইতিহাসকে বলা হয় শিক্ষণীয় দর্শন।

সমাজের ধারাবিবরণীর জ্ঞানলাভঃ

ইতিহাস পাঠের মাধ্যমে মানব সমাজের শুরু থেকে  আজ পর্যন্ত যাবতীয় কর্মকাণ্ড, চিন্তা-চেতনা ও জীবনযাত্রার অগ্রগতি সম্বন্ধে জ্ঞানলাভ করা যায়। কারণ ইতিহাসের প্রধান উপজীব্য বিষয় হলাে মানুষ ও সমাজের অগ্রগতির ধারা বর্ণনা।

সভ্যতার বিকাশের সংগে পরিচয় লাভঃ

মানব সভ্যতার পরিবর্তনের প্রক্রিয়া, বিকাশ ধারা এবং  এজন্য ক্রিয়াশীল উদ্দীপনার সঠিক পরিচয় পাওয়া যায় ইতিহাস পাঠের মাধ্যমে। সভ্যতার প্রধান প্রধান স্তর, সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক | বিবর্তনের বিভিন্ন বিষয়াদি সম্পর্কে ইতিহাস তথ্য প্রদান করে। এসব তথ্য সম্পর্কে অবগত হলে মানব সভ্যতার বিকাশ সম্বন্ধে জ্ঞানার্জন করা যায়।

গবেষণার ক্ষেত্রেঃ

গবেষণার ক্ষেত্রে ইতিহাস অধ্যয়ন করা খুবই জরুরি। ইতিহাস রচনা, পঠনপাঠন সম্পর্কে বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি থাকতে পারে। কিন্তু ইতিহাসের প্রযােজনীয়তা সম্পর্কে  আজ আর কোন দ্বিমত নেই। রাষ্ট্রনায়ক, রাজনীতিবিদ, বুদ্ধিজীবী, সামরিক বেসামরিক ও  প্রশাসকসহ সচেতন সমাজের সকলের নিকট ইতিহাস। খুবই মূল্যবান বিষয়।

বর্তমান ও ভবিষ্যত কর্মপন্থা নির্ধারণেঃ

 ঐতিহাসিক ঘটনার সঠিক আলােচনা বর্তমানের কর্মপন্থা  অবলম্বন ও ভবিষ্যৎ কর্মপদ্ধতি নির্ধারণে সহায়ক হয়। সঠিক ইতিহাস আমাদেরকে অতীত সময়ের অবস্থা  সম্পর্কে সম্যক ধারণা দেয় এবং বর্তমান ও ভবিষ্যৎ

কর্মপন্থা নির্ধারণে সাহায্য করে। 

কৌতূহল নিবৃত্তিঃ

মানুষ কৌতূহল প্রিয়। মানুষ তার অতীত ঘটনা জানতে চায়। ইতিহাস পাঠ করার মাধ্যমেই মানুষ তার কৌতূহল নিবৃত্তি করতে পারে। 

চেতনাবােধ জাগ্রত করেঃ

ইতিহাস একটি জাতির ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক মূল্যকে যথাযথভাবে সংরক্ষণ করে l সমাজ ও জাতির অগ্রগতির কাঙ্ক্ষিত লক্ষে পৌছানাের ক্ষেত্রে ইতিহাসের | জ্ঞান সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করে। এভাবে ইতিহাস পাঠের মাধ্যমে চেতনাবােধ জাগ্রত হয়। মানুষ অনুপ্রাণিত হয় উন্নতি ও প্রগতির পথে।

উপসংহারঃ

ইতিহাস হলাে অতীতকালের ঘটনার ধারাবাহিক বর্ণনা। ইতিহাসের মূল উপজীব্য হলাে মানুষ ও তার কর্মকাণ্ড। বিজ্ঞানসম্মতভাবে গ্রিক পণ্ডিত হেরােডােটাস সর্বপ্রথম মানুষের অতীতের ধারাবাহিক কাহিনী রচনায় প্রয়াসী হন বলে তাকে ইতিহাসের জনক বলা হয়। মানব সভ্যতার ঊষালগ্ন থেকে যা কিছুর সূচনা হয়েছে এবং ঘটেছে সবই ইতিহাসের আলােচনার বিষয়বস্তু । তবে সকল ঘটনাকেই ইতিহাস গ্রন্থে স্থান দেওয়া হয় না। কেবলমাত্র গুরুত্বপূর্ণ বা তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনাবলিকেই অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ইতিহাস প্রধানত দুই ধরনের উপাদানের ভিত্তিতে রচিত হয়। এক, লিখিত দুই, অলিখিত।

লিখিত উপাদানের মধ্যে রয়েছে- সমকালীন  সাহিত্য, ধর্মগ্রন্থ, পর্যটকদের বিবরণী, সরকারি নথিপত্র,  বিভিন্ন আত্মজীবনী ইত্যাদি। অলিখিত উপাদানের প্রধান উৎস হলাে- প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। অবশ্য মুদ্রা ও শিলালিপি প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদান হিসেবে বিবেচিত। ইতিহাস পাঠ করে কেবল আমরা অতীতের অবস্থাকেই  জানতে পারি না, সেই সাথে আমরা অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যৎকে গড়তে পারি। সর্বোপরি ইতিহাস  পাঠ মানুষের মধ্যে দেশপ্রেম এবং জাতীয়তাবােধেরও  জন্ম দেয়। উপরােক্ত আলােচনার প্রেক্ষিতে এটাই প্রতীয়মান হয় যে প্রদত্ত এসাইনমেন্টে উল্লেখিত প্রচীন মসজিদ/ মন্দির, জমিদার বাড়ী, মুদ্রা, শিলালিপি ইত্যাদি ইতিহাসের অলিখিত উপাদান।

Conclusion

At long last, we hope everything works out for the understudies. We are consistently there to help the understudies. So, we would be appreciative if any understudies could benefit such a great amount from us. We will keep on attempting to help understudies in an assortment of courses later on. Stay with us up to that point.

Updated: September 19, 2021 — 5:31 am

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *