SSC 8th Week Geography and Environment Assignment

Originally posted on September 8, 2021 @ 2:40 pm

Finally, The 8th week assignment activities of the upcoming 2021 SSC candidates have published. The eighth week assignment of 2021 SSC candidates has scheduled. SSC 2021 8th Week Geography and Environment  Assignment. SSC 8th Week Geography and Environment Assignment 2021. Geography and Environment 8th Week Assignment SSC Exam 2021. এইচএসসি পরীক্ষা ২০২১ অষ্টম সপ্তাহের ভূগোল ও পরিবেশ অ্যাসাইনমেন্ট l ৮ম সপ্তাহের ভূগোল ও পরিবেশ অ্যাসাইনমেন্ট এইচএসসি পরীক্ষা ২০২১ l ৮ম সপ্তাহের ভূগোল ও পরিবেশ অ্যাসাইনমেন্টের উত্তর/সমাধান l Geography and Environment 8th Week Assignment SSC Exam 2021 With Answer. So, SSC 8th week Geography and Environment assignment 2021 with answer. vugol o poribesh assignment. Keep an eye on our site to get all the weekly assignments of SSC 2021 and its solutions. SSC Geography and Environment All week assignments and their solutions is ready.

Contents

SSC Geography and Environment 8th Week Assignment

The eighth week task of 2021 SSC applicants has delivered. Directions in such manner have given on the site of the Department of Secondary and Higher Education (dshe.gov.bd). The mandate expresses that due to the Covid pestilence, public instruction exercises and course readings have made task exercises for understudies partaking in the SSC tests in 2021. Task exercises have made in the understudy learning exercises dependent on the adjusted educational program for the understudies. In this specific circumstance, Geography and Environment given as a task in the eighth week. What’s more, given as an understudy schoolwork.

As in the previous year, high school students given unspecified assignments every week. As a result, assignments and assessments have made for the students in the curriculum and textbooks in compliance with the hygiene rules. Assignment and assessment measures have taken to continue the learning process of the students. Schools have also asked to accept assignments to students online or at social distance. It has asked to ensure that no student is under financial pressure. Assignment No examination or homework can given to students without unscheduled work.

SSC Exam 2021 Geography and Environment 8th Week Assignment

Because of Corona, all instructive organizations in the nation have shut since March 16, 2020. Furthermore, because of the conclusion of ordinary class exercises, the understudies conceded in class X can’t partake in the instructive exercises according to the endorsed schedule. They won’t assessed. The Ministry of Education has accepted different exercises as another option. Thus, the Ministry of Education has accepted different exercises as another option. As a component of this, NCTB has revamped the educational program and prospectus for the 2021 SSC applicants.

The Department of Secondary and Higher Education has released the eighth week assignment of next year’s SSC candidates. As well as, the Department of Education has asked all teachers and field officials to follow the hygiene rules in distributing and submitting assignments to all students.

Important Suggestions in Assignment Evaluation

The Department of Secondary and Higher Education has given new instructions to teachers in evaluating student assignments. The education system of Bangladesh will go through an important step in terms of evaluation. Students’ memorization will decrease. At the same time they will learn to think subtly. And able to think creatively as well.

মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা, পুনর্বিন্যাসকৃত পাঠসূচির ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের শিখন কার্যক্রম সম্পৃক্তকরণ ও ধারাবাহিক মূল্যায়নের আওতায় আনতে এনসিটিবি কর্তৃক বিষয়ভিত্তিক মূল্যায়ন নির্দেশনাসহ (রুবিক্সসহ) অ্যাসাইনমেন্ট প্রণয়ন করা হয়েছে। অ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজের মাধ্যমে তাদের অর্জিত শিখনফল নির্ণয় করা হবে। পুনর্বিন্যাসকৃত পাঠ্যসূচি অনুযায়ী সপ্তাহভিত্তিক শিক্ষার্থী মূল্যায়ন বিবেচনায় নিয়ে অ্যাসাইনমেন্ট প্রণয়ন করা হয়েছে।

Here are some of our statements for students. You will not write the answers to the assignments given by us exactly. The answers we give will try to write in their own language. This will make your assignment more acceptable and show your creativity.

শিক্ষার্থী বন্ধুদের উদ্দেশ্যে আমাদের কিছু বক্তব্য l আমাদের কর্তৃক প্রদত্ত অ্যাসাইনমেন্ট গুলোর উত্তর তোমরা হুবহু লিখবে না l আমাদের দেওয়া উত্তরগুলো চেষ্টা করবে নিজের ভাষায় লিখতে l এর ফলে তোমাদের অ্যাসাইনমেন্ট বেশি গ্রহণযোগ্য হবে এবং তোমাদের সৃজনশীলতা প্রকাশ পাবে l

এইচএসসি ভূগোল ও পরিবেশ অ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজ

শিক্ষার্থীদের জন্য আমাদের পরামর্শ, আমরা যেভাবে উত্তর/সমাধান দিব সেটা হুবহু না লিখে উত্তরটা নিজের ভাষায় লেখার চেষ্টা করতে l এতে করে শিক্ষার্থীরা অ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজে ভালো নম্বর অর্জন করতে পারবে l

SSC Geography and Environment 8th Week Assignment Answer

সবার আগে নির্ভুল উত্তর পেতে আমাদের সাইটে চোখ রাখুন l সর্বোচ্চ নম্বরের নিশ্চয়তা পেতে আমাদের  অ্যাসাইনমেন্টের উত্তর গুলো দেখুন l মূলত আমরা খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে অ্যাসাইনমেন্টের উত্তর প্রকাশ করার চেষ্টা করি l

See the answers to our assignment to get the highest number guaranteed. Basically we try to publish the answer to the assignment in a very short time. Keep an eye on our site to get the perfect answer first.Join us our Facebook Group

‘কৃষি এলাকা ও মানব বসতি’

কৃষি এলাকার বসতি স্থাপনের নিয়ামকঃ

নিম্নে কৃষি এলাকার বসতি স্থাপনের নিয়ম গুলাে তুলে ধরা হলােঃ

১। ভূপ্রকৃতি :জনবসতি গড়ে ওঠার পেছনে ভূপ্রকৃতি ব্যাপকভাবে প্রভাব বিস্তার করে। সমতলভূমিতে কৃষিকাজ সহজে করা যায়, কিন্তু পাহাড় এলাকার ভূমি অসমতল হওয়ায় কৃষিকাজ করা তেমন সম্ভব হয় না। ফলে যাতায়াতের সুবিধার জন্য কৃষিজমির নিকটে জনবসতি তৈরি হয়। বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে বসতির ঘনত্ব সমতলভূমির তুলনায় কম।

২l পানীয় জলের সহজলভ্যতা:জীবন ধারণের জন্য মানুষের প্রথম ও প্রধান চাহিদা হলাে বিশুদ্ধ পানীয় জল। এজন্যই নির্দিষ্ট জলপ্রাপ্যতার স্থানে মানুষ বসতি গড়ে তােলে। মরুময় এবং উপমরুময় অঞ্চলে ঝরনা অথবা প্রাকৃতিক কূপের চারদিকে মানুষ সংঘবদ্ধ হয়ে বসতি স্থাপন করে। পানীয় জলের প্রাপ্যতার উপর নির্ভর করে গড়ে ওঠা এই সমস্ত বসতিকে আর্দ্র অঞ্চলের বসতি বলে।

৩। মাটি: মাটির উর্বরা শক্তির উপর নির্ভর করে বসতি স্থাপন করা হয়। উর্বর মাটিতে পুঞ্জীভূত জনবসতি গড়ে ওঠে, কিন্তু মাটি অনুর্বর হলে বিক্ষিপ্ত জনবসতি গড়ে ওঠে। মাটির প্রভাবে জার্মানি, পােল্যান্ড, নরওয়ে, সুইডেন প্রভৃতি দেশে বিক্ষিপ্ত জনবসতির সষ্টি হয়েছে।

৪l প্রতিরক্ষা : প্রাচীনকালে প্রতিরক্ষার সুবিধার জন্যই মানুষ পুঞ্জীভূত বসতি স্থাপন করে। বহিরাগত শত্রুর আক্রমণ বা বন্যজন্তুর হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য মানুষ একত্রে বসবাস করত। কারণ প্রাচীনকালে আত্মরক্ষার জন্য কোনাে আধুনিক অস্ত্রের প্রচলন ছিল না।

৫l পশুচারণ:পশুচারণ এলাকায় সাধারণত ছড়ানাে বসতি দেখা যায়। পশুচারণের জন্য বড় বড় এলাকার দরকার হয়। ফলে নিজেদের সুবিধার জন্য তারা বিক্ষিপ্তভাবে বসতি স্থাপন করে থাকে।

৬। যােগাযােগ : প্রাচীনকাল থেকে যাতায়াত ব্যবস্থার উপর | ভিত্তি করে বসতি গড়ে উঠছে। যেমন- নদী তীরবর্তী স্থানে। নৌচলাচলের এবং সমতলভূমিতে যাতায়াতের সুবিধা থাকায় এরূপ স্থানগুলােতে পুঞ্জীভূত বসতি গড়ে উঠেছে। মিসরের নীল নদের তীরবর্তী আলেকজান্দ্রিয়া ও তাজিকিস্তানের সমতলভূমিতে সমরকন্দ নগরের উৎপত্তি হয়েছে।

গ্রামীণ বসতি ও নগর বসতি ও ধরনঃ
গ্রামীণ বসতি : যে বসতির সংখ্যাগরিষ্ঠ অধিবাসী জীবিকা অর্জনের জন্য প্রথম পর্যায়ের অর্থনৈতিক কর্মকান্ড বিশেষত কৃষির উপর নির্ভরশীল সেই বসতিকে সাধারণভাবে গ্রামীণ বসতি বলে। গ্রামীণ বসতি বিচ্ছিন্ন, বিক্ষিপ্ত ও গােষ্ঠীবদ্ধ এর যে কোনােটি হতে পারে।

নিচে গ্রামীণ বসতির ধরন সম্পর্কে আলােচনা করা হলােঃ

১l গােষ্ঠীবদ্ধ বা সংঘবদ্ধ বসতি (Nucleated settlement): এই ধরনের বসতিতে কোনাে একস্থানে বেশ কয়েকটি পরিবার একত্রিত হয়ে বসবাস করে। এই ধরনের বসতি আয়তনে। ছােটগ্রাম হতে পারে, আবার পৌরও হতে পারে। এই ধরনের বসতির যে লক্ষণ চোখে পড়ে তা হলাে এক বাড়ি থেকে অন্য বাড়ির দূরত্ব কম ও বাসগৃহের একত্রে সমাবেশ। সামাজিক বন্ধন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের জন্যই বাসগৃহগুলাের মধ্যে পরস্পরের যােগাযােগ ব্যবস্থা গড়ে তােলে। যদি স্থানটি অর্থনৈতিক দিক দিয়ে উন্নত হয়, তবে সেখানে আরও বসতি ও রাস্তা গড়ে উঠবে।

২l বিক্ষিপ্ত বসতি (Dispersed settlement) : এই ধরনের বসতিতে একটি পরিবার অন্যান্য পরিবার থেকে ছড়ানাে-ছিটানাে অবস্থায় বসবাস করে। কানাডা, যুক্তরাষ্ট্রের খামার বসতি ও অস্ট্রেলিয়ার মেষপালন কেন্দ্র এই ধরনের বসতির উদাহরণ।

৩। রৈখিক(Linear settlement): এই ধরনের বসতিতে বাড়িগুলাে একই সরলরেখায় গড়ে ওঠে। প্রধান প্রাকৃতিক এবং কিছু ক্ষেত্রে সামাজিক কারণ এই ধরনের বসতি গড়ে উঠতে সাহায্য করে। নদীর কিনারা, রাস্তার কিনারা প্রভৃতি স্থানে এই ধরনের বসতি গড়ে ওঠে। এই অবস্থায় গড়ে ওঠা পুঞ্জীভূত রৈখিক ধরনের বসতিগুলাের মধ্যে কিছুটা ফাকা থাকে। এই ফাকা স্থাটক ব্যবহৃত হয় খামার হিসেবে।

নগর বসতিঃ

যেসব অঞ্চলের অধিকাংশ অধিবাসী প্রত্যক্ষ ভূমি ব্যবহার ব্যতীত কৃষিকার্য বিভিন্ন ধরনের পেশায় (যেমন গ্রামীণ অধিবাসীদের উৎপাদিত কৃষি দ্রব্যের শিল্প জাত করন, পরিবহন ক্রয়-বিক্রয় শিক্ষাসংক্রান্ত ইত্যাদি কাজে নিয়ােজিত থাকে তাকে নগর বসতি বলে।

নিম্মে নগর বসতি ধরন সম্পর্কে আলােচনা করা হলােঃ

(১) সামরিক ক্রিয়াকলাপভিত্তিক নগর :

প্রতিরক্ষার প্রয়ােজনে প্রতিটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহে সামরিক ও নৌ ঘাঁটির দুর্গসমূহ গড়ে ওঠে। এই সকল স্থানকে আশ্রয় করে কালক্রমে নগর বিকাশ লাভ করে। স্কটল্যান্ডের এডিনবরা, ফ্রান্সের লা-হাভার, রাশিয়ার পিটার্সবার্গ, স্পেনের জিব্রাল্টার, ভারতের আগ্রা, গােয়ালিয়র প্রভৃতি সামরিক ঘাঁটির নগর।

(২) প্রশাসনিক নগর :

প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক কর্মকান্ডের | মূল কেন্দ্র হলাে নগর। শাসন ব্যবস্থার প্রয়ােজনে সাধারণত কোনাে কেন্দ্রীয় শহরকে রাজধানীর রূপ দেওয়া হয় এবং সেখানে পৌর বসতির প্রসার ঘটে। বাংলাদেশের ঢাকা, ভারতের নয়াদিল্লি, পাকিস্তানের ইসলামাবাদ, অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরা প্রভৃতি প্রশাসনিক নগর।

(৩) শিল্পভিত্তিক নগর :

নগরায়ণের ক্ষেত্রে শিল্পভিত্তিক ক্রিয়াকলাপ একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। শিল্পকার্য নতুন শহরের জন্ম দিলেও সাধারণত স্থায়ী শহর বা নগরের প্রতি শিল্পের আকর্ষণ অধিক হয়ে থাকে। শিল্পে শক্তি হিসেবে কয়লার ব্যবহার ব্যাপকভাবে শুরু হওয়ার পর কয়লা উত্তোলনকে কেন্দ্র করে পৃথিবীর অনেক দেশে কয়লা নগরী গড়ে উঠেছে। যুক্তরাজ্যের নিউ ক্যাসল, ভারতের রানীগঞ্জ, যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া ও রাশিয়ার ডােনেৎস অঞ্চলের নগরীসমূহ এইরূপ খনি শহর।

(8) বাণিজ্যভিত্তিক নগর :

ক্ষুদ্র বিনিময় কেন্দ্র সম্প্রসারিত হয়ে পৌর বসতিতে রূপান্তরিত হয়। সভ্যতার আদি পর্ব হতে বিভিন্ন সমাজের মধ্যে দ্রব্য বিনিময়ের প্রথা চালু হয় এবং এই বিনিময়কে কেন্দ্র করে একটি বাজার সৃষ্টি হয়। এই সকল স্থানীয় বাজার বিভিন্ন দিক থেকে আগত পথের মিলনস্থলে গড়ে ওঠে। শহর ও নগর বিকাশের ক্ষেত্রে এর প্রভাব আজও অত্যন্ত ক্রিয়াশীল। মহাদেশীয় স্থলপথকে অবলম্বন করে প্রাচীনকালে সিরিয়ার দামেস্ক ও আলেপ্পো, মিসরের আলেকজান্দ্রিয়া, মরক্কোর ফেজ শহর গড়ে ওঠে। বাংলাদেশের বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে ঢাকা ও কর্ণফুলী নদীর তীরে চট্টগ্রাম শহর গড়ে উঠেছে।

(৫) সাংস্কৃতিক ক্রিয়াকলাপভিত্তিক নগর :

অর্থনৈতিক ক্রিয়াকলাপ ছাড়াও কোনাে স্থানে পৌর বসতি গড়ে উঠতে পারে। ধর্মীয় কারণে শহর বা নগরের পত্তন দেখা যায়। কোনাে মহাপুরুষের জন্মস্থান, কর্মভূমি বা সমাধি স্থানকে অবলম্বন করে একটি স্থায়ী পৌর বসতির বিকাশ ঘটতে পারে। মক্কা, মদিনা, জেরুজালেম, আজমীর, গয়া, বারানসী প্রভৃতি এরূপ ক্রিয়াকলাপভিত্তিক শহর। বিখ্যাত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণাপ্রতিষ্ঠান প্রভৃতি কোনাে স্থানে স্থাপিত হলে সেখানে পৌর বসতির বিকাশ ঘটে। প্রাচীন ভারতের নালন্দা, ব্রিটেনের অক্সফোর্ড ও ক্যামব্রিজ, ইতালির পিসা নগরী প্রভৃতি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিক নগর।

কৃষি এলাকার বসতির নাম উল্লেখ করে এর ধরন ও বিন্যাস বর্ণনাঃ

কৃষিপ্রধান বাংলাদেশের বেশিরভাগ কৃষিকাজই গ্রাম অঞ্চলে হয়ে থাকে। কৃষি এলাকার বসতির নাম গুলাে হলাে-

১l গােষ্ঠীবদ্ধ বা সঙ্ঘবদ্ধ বসতি

২। বিক্ষিপ্ত বসতি ও

৩। রৈখিক বসতি ইত্যাদি।

১l গােষ্ঠীবদ্ধ বা সংঘবদ্ধ বসতি (Nucleated settlement):

এই ধরনের বসতিতে কোনাে একস্থানে বেশ কয়েকটি পরিবার একত্রিত হয়ে বসবাস করে। এই ধরনের বসতি আয়তনে ছােটগ্রাম হতে পারে, আবার পৌরও হতে পারে। এই ধরনের বসতির যে লক্ষণ চোখে পড়ে তা হলাে এক বাড়ি থেকে অন্য বাড়ির দূরত্ব কম ও বাসগৃহের একত্রে সমাবেশ।

সামাজিক বন্ধন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের জন্যই বাসগৃহগুলাের মধ্যে পরস্পরের যােগাযােগ ব্যবস্থা গড়ে তােলে। যদি স্থানটি অর্থনৈতিক দিক দিয়ে উন্নত হয়, তবে সেখানে আরও বসতি ও রাস্তা গড়ে উঠবে। এভাবে একাধিক রাস্তার সংযােগস্থলে বর্ধিষ্ণু বসতিটি কালক্রমে শহর বা নগরে রূপান্তরিত হবে। সমাজবদ্ধ জীব মানুষ তার নিজস্ব প্রয়ােজনে এবং নিরাপত্তার জন্য একত্রে বসবাস করতে। চায়। এছাড়া ভূপ্রকৃতি, উর্বর মাটি ও জলের উৎসের উপর নির্ভর করে এ ধরনের বসতি গড়ে ওঠে।

২l বিক্ষিপ্ত বসতি (Dispersed settlement) :

এই ধরনের বসতিতে একটি পরিবার অন্যান্য পরিবার থেকে ছড়ানাে-ছিটানাে অবস্থায় বসবাস করে। কখনাে কখনাে দুটি বা তিনটি পরিবার একত্রে বসবাস করে। তবে এক্ষেত্রেও এদের অতি ক্ষুদ্র বসতি অপর ক্ষুদ্র বসতি থেকে দূরে অবস্থান করে।

হিমালয়ের বন্ধুর পার্বত্য অঞ্চলে এমন কিছু বসতি আছে যেখানকার এক অঞ্চলের উপত্যকার অধিবাসীদের সঙ্গে অন্যদিকের উপত্যকাবাসীদের সারা জীবনে দেখা সাক্ষাৎ হয় l এই ধরনের বসতিগুলাে বিক্ষিপ্ত বসতির পর্যায়ে বিক্ষিপ্ত বসতি পড়ে। বিক্ষিপ্ত বসতির বৈশিষ্ট্যগুলাে হলাে :

(ক) দুটি বাসগৃহ বা বসতির মধ্যে যথেষ্ট ব্যবধান।

(খ) অতি ক্ষুদ্র পরিবারভুক্ত বসতি।

৩। রৈখিক(Linear settlement):

এই ধরনের বসতিতে বাড়িগুলাে একই সরলরেখায় গড়ে ওঠে। প্রধান প্রাকৃতিক এবং কিছু ক্ষেত্রে সামাজিক কারণ এই ধরনের বসতি গড়ে উঠতে সাহায্য করে। নদীর কিনারা, রাস্তার কিনারা প্রভৃতি স্থানে এই ধরনের বসতি গড়ে ওঠে। এই অবস্থায় গড়ে ওঠা পুঞ্জীভূত রৈখিক ধরনের বসতিগুলাের মধ্যে কিছুটা ফাকা থাকে। এই ফাকা স্থাটুকু ব্যবহূত হয় খামার হিসেবে।

কৃষিপ্রধান বাংলাদেশের এই সমস্ত কৃষি এলাকার বসতিতে গােলাবাড়ি, গােয়ালবাড়ি, ঘরের ভিতরে উঠান এসবই এক অতি পরিচিত দৃশ্য। গ্রামে উঠানের চারপাশ ঘিরে শােবার ঘর, রান্নাঘর, গােয়ালঘর তৈরি করা হয়। উঠানে গৃহস্থরা ধান সেদ্ধ করা, শুকানাে এবং ধান ভাঙা ছাড়াও নানান কাজ করে থাকে। গ্রামে শােবার ঘর, রান্নাঘর, গােয়ালঘর যেমন আলাদাভাবে গড়ে ওঠে যা শহরে হয় না।

Conclusion

Lastly, we wish the student brothers and sisters all the best. We will continue our efforts for the overall cooperation of the students. There was a blessing that the students could achieve their desired goal. If we can do them any good in the way of their success, we will consider ourselves successful. Stay with us until then.

Updated: September 19, 2021 — 5:12 am

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *