SSC Class 10 Geography 3rd Week Assignment Answer

SSC Geography 3rd Week ( ভূগোল ) Assignment for Class 10. SSC Class 10  Geography Assignment Answer, এইচএসসি ভূগোল অ্যাসাইনমেন্টের উত্তর, Ssc Geography Assignment Answer. In other words, Geography Assignment With Answer. এসএসসি দশম শ্রেণীর তৃতীয় সপ্তাহের ভূগোল অ্যাসাইনমেন্ট l Similarly, Ssc Geography Assignment 2021. এসএসসি ভূগোল ৩য় অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১. Moreover, Ssc Geography 3rd Week  Assignment 2021.

SSC Geography ভূগোল 3rd Week Assignment 2021

Assignment or Evaluation Guidelines have published for the candidates of Higher Secondary Examination 2020 in light of the successful argument of ‘Rearrangement’. Assignments have published by the Department of Secondary and Higher Secondary Education(dshe.gov.bd).

Class 10 Geography Assignment

The pandemic situation in the country has taken a terrible turn. Meanwhile, holidays in educational institutions are increasing due to the deteriorating pandemic condition. Ministry of Education forced to close educational institutions to avoid health risks to students due to deteriorating pandemic conditions. Following this, the Ministry of Education initiates assignments to keep the secondary students engaged in their studies. And later it decided to start an assignment or schedule work to continue higher education. The Director-General of the Department of Secondary and Higher Secondary Education said that the number of students will given in this assignment. SSC Geography 3rd Week Assignment 2021.

SSC Class 10 Geography 3rd Week Assignment 2021 With Answer

In addition, The education system disrupted this year due to the pandemic situation. As a result, educational institutions could not conduct any final examinations. In the current context, the Ministry of Education has taken special measures to keep the education system active.  Therefore, the Bangladesh Board of Education has decided, that students will have to submit assignments instead of exams. So, consistently they need to finish it.

SSC Geography 3rd Week Assignment 2021

এসএসসি ভূগোল অ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজ

সমাধান

নিম্নে পরিবেশের উপাদান সমূহের সাথে মানুষের আন্তঃসম্পর্ক নিম্নরূপ করা হলাে:

ভূগােলের ধারণাঃ

গ্রীক পন্ডিত ইরেটোসথেনীস প্রথম ভূগােল শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন। গ্রীক শব্দ ‘জিও’ অর্থ। ভূমন্ডল বা পৃথিবী এবং গ্রাফি’ অর্থ বর্ণনা, সার্বিক অর্থে মানুষের আবাস এই পৃথিবীর বর্ণনা। ভূগােল বিষয়ের | এই মূল ধারণার আজ অবধি তেমন বড় ধরনের কোন পরিবর্তন হ্য নাই। তবে এই প্রসঙ্গে ভূগােল এর দুটি আধুনিক সংজ্ঞা বিবেচনা করা যেতে পারে। হাটশােনের মতে, “Geography is concerned to provide accurate, orderly and rational descriptions and interpretations of the variable character of the earth’s surface”-ভূ-পৃষ্ঠের বৈচিত্রময় বৈশিষ্ট্যাবলীর সঠিক, শ্রেণীবদ্ধ এবং যুক্তিসঙ্গত বর্ণনা এবং বিশ্লেষণই ভূগােলের আলােচ্য বিষয়।

আরেকজন বিখ্যাত বৃটিশ আধুনিক ভূগােলবিদ পিটার হেগেট (১৯৮১) এর মতে, “Geography is the study of the earth’s surface as the space within which the human population lives” যে শাস্ত্র ভূ-পৃষ্ঠকে মানবগােষ্ঠির বসবাসের স্থান হিসাবে অধ্যয়ন করে তাহাই ভূগােল।

পরিবেশের ধারণাঃ

ভূপৃষ্ঠস্থ দৃশ্যমান এবং অদৃশ্য যাবতীয় জৈব ও অজৈব পদার্থের সমন্বযে পরিবেশ গঠিত। অজৈব পদার্থের আওতাভূক্ত বিষয়সমূহের মধ্যে পানি, বায়ুমন্ডল ও শিলা-মৃত্তিকা অন্যতম। বায়ুমন্ডল অদৃশ্য হলেও, শিলা-মৃত্তিকা ও পানি দৃশ্যমান। পানি, বায়ুমন্ডল ও শিলামৃত্তিকা সম্মিলিতভাবে জৈব পরিবেশের ভিত্তি গড়ে তুলেছে। পরিবেশকে তার গঠন মৌলের আলােকে জৈব ও অজৈব এ দুই পরিবেশে ভাগ করা যায়। অজৈব পরিবেশ মূলত: প্রাকৃতিক পরিবেশ গড়ে তােলে। পানি, শিলা ও বায়ুমন্ডল প্রাকৃতিক পরিবেশের প্রধান গঠনকারী উপাদান। অপরদিকে, এ সব। প্রাকৃতিক পরিবেশ গঠনকারী উপাদানই আবার সমস্ত প্রাণী ও উদ্ভিদের গঠন ভিত্তি গড়ে তােলে এবং শক্তি ও খনিজ জোগানের মাধ্যমে পরিবেশ। টিকিয়ে রেখেছে।

ভূগােলের পরিধিঃ

ভূগােল চর্চা দুটো মূল ধারায় বিভক্ত: প্রাকৃতিক ও মানবিক | ভূগােল। যে সব ভূগােলবিদ প্রাকৃতিক ভূগােল চর্চা করেন তাদের মূখ্য বিষয় প্রাকৃতিক বিষয়াদি। যেমন- শিলা, ভূমিরূপ, নদ-নদী, জলবাযু, মৃত্তিকা ইত্যাদি। আবার, মানবিক ভূগােলবিদগণ মানুষ ও তার কর্মকান্ড সংক্রান্ত বিষয়ে কাজ করেন। প্রাকৃতিক কিংবা মানবিক ভূগােল এ উভয় শাখায়ই ব্যাপক বিস্তৃতি ঘটেছে; ফলে উভয় ক্ষেত্রেই বহু উপবিভাগ গড়ে উঠেছে। যেমন, প্রাকৃতিক ভূগােল, ভূতত্ব, আবহাওয়া বিদ্যা এবং জীববিদ্যার সাথে গভীরভাবে সংযুক্ত। আবার আচরণগত ভূগােল নৃতত্ত্ববিদ্যা এবং রাজনৈতিক ভূগােল রাষ্ট্র বিজ্ঞানের সাথে সম্পর্কিত। উচ্চতর পর্যায়ে ভূগােলের এ উপভাগ সত্বেও এ বিষযের মূল বক্তব্য নিয়ে এখনও অস্পষ্টতা রয়ে গেছে, বিশেষত স্কুল থেকে কলেজ পর্যায়ে। ভূগােলের | এই পরিচযগত অস্পষ্টতা দূরীকরণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ‘৭০ এর দশকে ভূগােল বিষয়ক উপদেষ্টা প্যানেলকে নিম্নলিখিত বিষয়গুলাের উপর রিপাের্ট করতে বলা হয় ।

ক. ভূগােল এর প্রকৃতি কি? অন্যান্য সমাজ বিজ্ঞান, প্রাকৃতিক বিজ্ঞান ও মানবিক বিষয়ের সাথে এর সম্পর্ক কি?

খ. বিষয়টির সামাজিক মূল্য ও লক্ষ্য কি? উপযুক্ত বিষয়ের উপর উপদেষ্টাগণ প্রথমেই ভূগােলের পরিধি কি তা চিহ্নিত করেন।

পরিবেশের উপাদানঃ

প্রাকৃতিক ও জৈব এই উভয় পরিবেশই আপাত: সহজ মনে হলেও তা অত্যন্ত জটিল এবং এদের গঠন উপাদানসমূহ পরস্পরে। নিবীডভাবে সম্পর্কযুক্ত। নিম্নে এসব প্রাকৃতিক ও । জৈব পরিবেশের বিভিন্ন গঠন উপাদানসমূহ সংক্ষেপে আলােচনা করা হলাে। ভূমি: প্রাকৃতিক পরিবেশ এর অন্যতম গঠন মৌল ভূমি, যা শিলা ও খনিজের সমন্বয়ে গঠিত। ভূপৃষ্ঠের কঠিন বহিরাবরনই বিভিন্ন ধরনের শিলায় গঠিত। এ সব বিভিন্নধর্মী | শিলা ভূ-প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ার সাথে মিথস্ক্রিয়ার মাধ্যমে বিভিন্ন অবয়বের ভূমিরূপ গঠন করে থাকে। পানি: ভূপৃষ্ঠের তিনভাগই পানির আওতায়। সমুদ্রই পানির প্রধান উৎস। তাছাড়া, তুষার আচ্ছাদিত মেরু দেশীয় ভূখন্ড ও উচ্চ পার্বত্য এলাকার বরফাচ্ছন্ন এলাকাসমূহ, নদ-নদী, হ্রদ, জলাভূমি পানির অন্যান্য উল্লেখযােগ্য উৎস।

বায়ুমন্ডল:

ভূঅভ্যন্তর থেকে বের হওয়া গ্যাসীয় পদার্থ থেকেই বায়ুমন্ডলের সৃষ্টি। এর প্রধান গ্যাস নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, আরগন ও কার্বন-ডাইঅক্সাইড এবং সামান্য পরিমাণে অন্যান্য গ্যাস আছে। বায়ুমন্ডল সম্পূর্ণ। ভূগােলক মুড়িয়ে রেখেছে এবং মাধ্যকর্ষন শক্তির কারনেই তা পৃথিবীর সাথে। লেপটে আছে। বায়ুমন্ডলের পুরুত্ব বিষুবীয় অঞ্চলে বেশী এবং মেরু অঞ্চলে সব চেযে কম।

পরিবেশের উপাদানের সাথে মানুষের সম্পর্ক ও গুরুত্বঃ

ভূপ্রকৃতি, মৃত্তিকা, জলবায়ু, নদ-নদী, আয়তন, অবস্থান, খনিজ সম্পদ। ইত্যাদি বিভিন্ন প্রাকৃতিক উপাদনসমূহ যেমনিভাবে পরিবেশের উপাদান। হিসেবে আমাদের কর্মকান্ডকে প্রভাবিত করে তেমনিভাবে শিক্ষা, সংস্কৃতি, জাতি, ধর্ম, সরকার এগুলাের মত মনুষ্য সৃষ্ট বিভিন্ন উপাদানসমূহও পরিবেশ হিসেবে আমাদের উপর প্রভাব বিস্তার করছে। তাই পরিবেশের উপাদানসমূহকে প্রধানত: দুই ভাগে ভাগ করা যায়।

যথাঃ- ক) প্রাকৃতিক পরিবেশ; খ) অপ্রাকৃতিক বা সামাজিক পরিবেশ।

ক)

প্রাকৃতিক পরিবেশ প্রাকৃতিক পরিবেশ হচ্ছে সে সব প্রাকৃতিক উপাদানের সমষ্টি যার উৎপত্তি এবং সৃষ্টি সরাসরি সৃষ্টিকর্তা কর্তৃক প্রদত্ত বা সৃষ্ট এবং এর উপর মানুষের কোন হাত নেই। নিতে প্রাকৃতিক পরিবেশের প্রধান প্রধান উপাদানগুলাে সম্পর্কে। সংক্ষিপ্ত আলােচনা করা হলাে:

১.

ভূ-প্রকৃতি মূলত: ভূমির অবস্থা বা ধরনই হচ্ছে ভূ-প্রকৃতি। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের বা অঞ্চলের ভূ-প্রকৃতি মূলত: পার্বত্য ভূমি, মালভূমি, সমভূমি, উপত্যকা ইত্যাদি বিভিন্ন প্রকার হতে পারে। পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানের এসব ভূ-প্রকৃতি বিভিন্নভাবে মানুষের অর্থনৈতিক কার্যকলাপকে প্রভাবিত করে থাকে।

২.

আয়তন আয়তন বলতে কোন দেশের রাজনৈতিক বা আর্জাতিক সীমারেখাকে বুঝায়। একটি দেশের আয়তন ছােটো, বড় বা মাঝারি যে । কোন ধরনের হতে পারে। প্রাকৃতিক পরিবেশের উপাদান হিসেবে এই। আয়তনও মানুষের জীবন যাত্রার উপর ব্যাপকভাবে প্রভাব বিস্তুর করে থাকে। যেমন- আয়তনে বড় দেশগুলাে সম্পদে সমৃদ্ধ ও বৈচিত্রপূর্ণ হয় যা সেদেশের মানুষের জন্য অনেক বেশী সুবিধাজনক।

৩.

অবস্থান কোন দেশ পৃথিবীর কোন অঞ্চলে অবস্থিত সেটাই হচ্ছে তার ভৌগােলিক অবস্থান। একটি দেশের। ভৌগােলিক অবস্থান চার প্রকারের হতে পারে।  যথাঃ-

i)  দ্বৈপ অবস্থান; যেমন- জাপান, বৃটিশ দ্বীপপুঞ্জ ইত্যাদি

ii) উপদ্বীপ অবস্থান; যেমন- যুক্তরাষ্ট্র, ভারত ইত্যাদি

iii) মহাদেশীয় অবস্থান; যেমন- আফগানিস্পন, নেপাল, ভূটান ইত্যাদি

iv) প্ৰাষ্ট্ৰয় অবস্থান; যেমন- সুইডেন, চীন ইত্যাদি।

কোন দেশের বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সুযােগ-সুবিধা এবং এর উন্নতি এই ভৌগােলিক অবস্থানের উপর অনেক নির্ভরশীল।

৪.

জলবায়ু অবস্থানগত তারতম্যের কারনে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে উষ্ণ, নাতিশীতােষ্ণ, ঠান্ডা, চরম ভাবাপন্ন ইত্যাদি বিভিন্ন প্রকার জলবায়ু দেখা যায়।। জলবাযুর এই বিভিন্নতার কারণে বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের বাসস্থান, । শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য প্রক্রিয়া, কর্মকুশলতা ইত্যাদির ভেতর পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়।

৫.

মৃত্তিকা ভূ-পৃষ্ঠের উপরিভাগ যেসব উপাদান দিয়ে গঠিত তাকে মৃত্তিকা বা সহজ কথায় মাটি বলে। মৃত্তিকা মূলত: বেলে, এটেল, দো-আঁশ, পলি ইত্যাদি বিভিন্ন প্রকার হতে পারে। মৃত্তিকার বিভিন্নতার উপর ভিত্তি করে এদের গঠন প্রকৃতি, উর্বরা শক্তি ইত্যাদিও বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে যার উপর মানুষের উপজীবিকা নির্ভর করে।

৬.

স্বাভাবিক উদ্ভিজ্জ ভূ-পৃষ্ঠের উপরিভাগে বিভিন্ন প্রাকৃতিক উপাদানের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন প্রকার গাছপালা জন্মে। থাকে। এসব গাছপালার সমন্বয়ে বিভিন্ন বনভূমির সৃষ্টি হয় যা পরিবেশের উপর ব্যাপক প্রভাব বিস্তুর করে থাকে।

৭.

খনিজ সম্পদ পেট্রোলিয়াম, গ্যাস, কয়লা, লােহা। ইত্যাদিকে খনিজ সম্পদ বলে। এগুলাে হচ্ছে পৃথিবীর শিলাস্তরে অবস্থিত রাসায়নিক প্রক্র্যিাজাত বিভিন্ন । ধরনের যৌগিক পদার্থ। কোন অঞ্চলে খনিজ সম্পদ ক্ষেত্রের আবিস্কার অতি দ্রুত সেই স্থানের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের ধরন বদলে দিতে পারে।

৮.

নদ-নদী ও সাগর ইতিহাসের দিকে তাকালে আমরা। দেখতে পাই যে, পৃথিবীর আদি সভ্যতাগুলাে নদী অববাহিকায় গড়ে উঠেছিল। আমরা আরও দেখতে পাই যে, যােগাযােগ ব্যবস্থার সুবিধা থাকার কারনে সাগর বা মহাসাগরের তীরবর্তী দেশগুলাে ব্যবসায়বাণিজ্যে অধিক। উন্নতি লাভ করেছে। এক্ষেত্রে আমরা বৃটেন ও জাপানের উদাহরন দিতে পারি। তাই বলা যায় যে, প্রাকৃতিক পরিবেশের গুরত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে নদ-নদী ও সাগর ব্যবসায়-বাণিজ্যের উন্নতিতে গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

৯.

উপকূল রেখা উপকূল রেখা প্রাকৃতিক পরিবেশের আরও একটি । গুরত্বপূর্ণ উপাদান। এই উপকূল রেখা ভগ্ন বা অভগ্ন উভয় ধরনেরই হতে পারে। ভগ্ন উপকূল রেখা মৎস চাষ, বন্দর ও নির্মানের জন্য অত্যড উপযােগী। ১০. প্রাণী ও প্রাণী সম্পদ পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্ন ভিন্ন ভৌগােলিক পরিবেশ বিরাজ করায় সেখানে বিভিন্ন জীবন্তর। আবাসস্থল গড়ে উঠেছে। এসব প্রাণীর জাত, উপজাত, বিচরন ক্ষেত্র, আহার ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের। এই প্রাণী ও প্রাণীজ। সম্পদের উপর ভিত্তি করে পৃথিবীর অনেক মানুষ তাদের জীবিকা অর্জন করছে।

)

অপ্রাকৃতিক বা সামাজিক পরিবেশ মানুষ প্রাকৃতিক পরিবেশের প্রভাব থেকে মেধাও দক্ষতার বিকাশ, প্রশাসন, ধর্মীয় নীতি, লােকজ সংস্কার। ইত্যাদির মাধ্যমে তার নিজের উপযােগী অনুকূল সুযােগ সৃষ্টির প্র্যাস। চালিয়ে যাচ্ছে। আর । পরিবেশের এই অংশটি যা মানুষ কর্তৃক সৃষ্ট এবং নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে তাই হচ্ছে অপ্রাকৃতিক বা সামাজিক পরিবেশ। জাতি, ধর্ম, সরকার, জনসংখ্যা, শিক্ষা, সংস্কৃতি ইত্যাদি হচ্ছে এই মানুষ কর্তৃক সৃষ্ট সামাজিক পরিবেশের বিভিন্ন উপাদান।

১.

জাতি পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন জাতির মানুষ বাস করে। জাতিগত বৈশিষ্ট্য একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নতির ক্ষেত্রে গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই যেসব জাতির লােক পরিশ্রমী, উদ্যমী, বুদ্ধিমান  এবং সহিষ্ণু সেসব জাতি তাড়াতাড়ি উন্নতি লাভ করতে পারে।

২.

ধর্ম বিভিন্ন ধর্মের নিয়ম ও অনুশাসন বিভিন্ন প্রকার। বিভিন্ন ধর্মীয় অনুশাসন মানুষের কর্ম জীবনে। যেমনি প্রভাব বিসুর করে তেমনি এর প্রভাবের কারনে অর্থনৈতিক কার্যকলাপও ভিন্নরূপে গড়ে ওঠে। বৌদ্ধ ও | জৈন ধর্মে জীব হত্যা পাপ বলে জৈন ও বৌদ্ধ অধ্যুষিত অঞ্চল বিশেষ করে চীন, জাপান, মায়ানমার (বার্মা) প্রভৃতি দেশে দীর্ঘকাল মৎস ও মাংস শিল্পের প্রসার ঘটেনি।

৩.

জনসংখ্যা ভূ-প্রকৃতি, উর্বরতা, জীবিকার সংস্থান, যাতায়াত ব্যবস্থা, নিরাপত্তা ইত্যাদি প্রাকৃতিক ও অর্থনৈতিক কারনের উপর ভিত্তি করে জনবসতি গড়ে ওঠে। আর একটি দেশের যাবতীয় অর্থনৈতিক কার্যাবলী এই জনসংখ্যা দ্বারা সম্পাদিত হয় l

৪.

সরকার সরকার হলাে দেশ পরিচালনায় নিয়ােজিত একটি সংগঠন। কোন দেশের সরকারের কাঠামাে -এর স্থিতিশীলতা ও শক্তিমত্তা, সে দেশের শিল্প, বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক ক্রিয়াকলাপের ওপর প্রভাব বিস্তর করে থাকে। তাই অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার জন্য একটি দেশে। সৎ, বলিষ্ঠ ও জনপ্রিয় সরকার অত্যন্ত গুরত্বপূর্ণ।

৫.

শিক্ষা সামাজিক পরিবেশের অন্যতম উপাদান হিসেবে শিক্ষা | একটি। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে। তাই উপযুক্ত ও  আধুনিক শিক্ষা উন্নতির সােপান। যে দেশের লােক যত বেশী শিক্ষিত সে। দেশ তত উন্নত। উদাহরণ হিসেবে এক্ষেত্রে আমরা জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানী, ফ্রান্স প্রভৃতি দেশের নাম বলতে। পারি।

৬.

সংস্কৃতি মানবিক গুণাবলী বিকাশের ক্ষেত্রে সংস্কৃতি গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই সংস্কৃতিতে অগ্রসর জাতি দ্রুত উন্নতি লাভ করতে পারে।

Conclusion

In Other words, our efforts in creating thematic assignments ensure that everyone benefits. As a result, this is our activity in creating assignments for classes six to nine. Hopefully, we have been able to solve all the assignments very easily and properly. In order to, we will continue such activities in the future. so we hope you like it.

Stay tuned with us.🙌

For more query ask us without any hesitation: Click Here!!😊

https://m.me/nhasibul

https://m.me/consciously.unconscious.7

Updated: July 25, 2021 — 3:01 am

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *