SSC 4th Week History Of Bangladesh And World Civilization

Originally posted on August 27, 2021 @ 1:25 pm

History of Bangladesh and World Civilization 4th-week assignment of 2021 SSC examinees has released. Similarly, History of Bangladesh and World Civilization 4th Week Assignment SSC Exam 2021 With Answer. এসএসসি পরীক্ষা ২০২১ চতুর্থ সপ্তাহের বাংলাদেশের ইতিহাস  বিশ্বসভ্যতা অ্যাসাইনমেন্ট l SSC Exam 2021 Fourth Week History of Bangladesh and World Civilization Assignment. ৪র্থ সপ্তাহের বাংলাদেশের ইতিহাস  বিশ্বসভ্যতা আসাইনমেন্টের সমাধান l এসএসসি পরীক্ষা ২০২১ ৪র্থ সপ্তাহের বাংলাদেশের ইতিহাস  বিশ্বসভ্যতা অ্যাসাইনমেন্ট l Likewise, 4th Week  Bangladesher Itihas o Bisshosobbhota Assignment SSC Exam 2021 With Answer.

Assignment activities for SSC Exam 2021 candidates have started anew. And it is based on a short syllabus. Assignment activities have introduced in a new way in preparation for this year’s SSC exams. In addition, the Department of Secondary and Higher Education has published a three-week assignment in the first phase. Students have to do assignments in twelve weeks for the SSC exam. SSC candidates have to do a total of twenty-four assignments twice a week. Assignment activities have introduced for taking SSC exams in a special way to keep the education system running mainly for coronavirus situations.

History of Bangladesh and World Civilization 4th Week Assignment SSC 2021

In addition, these assignments need to do on three group-based elective subjects. Assignments will take on only three group-based electives. However, there is no need to do assignments in the required subjects including Bangla, English, and the fourth subject. On the whole, Assignment activities will continue among group-based information topics. Students are being urged to take these weekly assignments seriously. Candidates have to submit assignments twice a week based on the group. This week has group-based assignments like every other week. This week has History of Bangladesh and World Civilization and Economics. Bangladesher Itihas o Bissosovvota Assignment 2021.

SSC 4th Week History of Bangladesh and World Civilization Assignment SSC Exam 2021

For group-based assignments, assignments have to submit in three subjects of the Arts department. Those are History of Bangladesh and World Civilization, Economics, Civics. Students have asked to complete the assignment or submit it to their own educational institution. Due to the coronavirus pandemic situation, all educational institutions in the country have closed for a long time. However, to continue the learning process of the students, Sangsad Bangladesh Television is continuously broadcasting class activities. And the educational institutions are conducting online class activities on their own initiative as well.

As a result of these activities, the educational activities have somewhat successful, but the preparation for the board examinations has not completed. In addition, due to repeated deterioration of the pandemic condition, the scope of the schedule during the board examination has repeatedly delayed. So the government determined to take the upcoming SSC exam. The government has taken various programs to conduct limited examinations. Students are required to complete two assignments per week in three elective subjects on a group basis. On the occasion of SSC Exam 2021, students have to complete and submit twenty-four assignments in 12 weeks. Thus the first second third and currently fourth-week assignment activities going on.

Probable Date of SSC Exam 2021

This year’s SSC exam 2021 is likely to start in the first week of November. The Department of Secondary and Higher Education (dshe.gov.bd) has directed to complete 12 weeks of assignment activities before November.

এসএসসি বাংলাদেশের ইতিহাস  বিশ্বসভ্যতা অ্যাসাইনমেন্ট  বা নির্ধারিত কাজ

SSC Class 10 Economics 4th Week Assignment With Answer

ভূমিকাঃ

পৃথিবী সৃষ্টির আদি থেকে নানা উত্থান-পতনের মানব সভ্যতা আজ এই পর্যায়ে এসে পৌঁছেছে। আর এ কারণে মানব সভ্যতার বিকাশ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন | সময়ে ঘটেছে। আজ থেকে আনুমানিক প্রায় 10 হাজার বছর পূর্বে শিকারি সমাজ থেকে ভিত্তিক সমাজ এর উদ্ভব ঘটে। মাত্র ছয় থেকে সাত হাজার বছর পূর্বে নগরকেন্দ্রিক সভ্যতা সৃষ্টি করে।

কৃষিভিত্তিক সমাজ গড়ে ওঠার ফলে কৃষিজীবী, পশুপালন ও শিকারি এ দুই ভাগে মানব সমাজ বিভক্ত হয়ে পড়ে। ফলে কৃষক ও পশুপালক সমাজের মানুষেরা বহুবিধ উন্নত কর্মকৌশল আবিষ্কার করতে থাকে এবং মানুষ স্থায়ীভাবে গ্রামে বসবাস শুরু করে।ধারণা করা হয় এই সকল মানুষই 6000 থেকে 4000 খ্রিষ্টপূর্বাব্দের মধ্যে পশুটানা লাঙ্গল, চাকাওয়ালা গাড়ি, পাল সহ নৌকা, প্রাথমিক ধাতুশিল্প এবং প্রাথমিক ধরনের পৌর পঞ্জিকা আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়। আর এ সকল আবিষ্কার একের পর এক ঘটেছিল পশ্চিম এশিয়া, ভূমধ্যসাগরের কোলঘেঁষে পূর্ব ইউরােপ ও তৎসংলগ্ন উত্তর আফ্রিকায়। যার ফলে পশ্চিম এশিয়ায় মেসসাপটেমিয়া পূর্ব ইউরােপের নিম্ন বলকান অঞ্চল ও মিশরের প্রথম নগরকেন্দ্রিক সভ্যতা উদ্ভব ও বিকাশ ঘটে। আধুনিক মানব সমাজ এ সকল সভ্যতার নিকট ঋণী।

গ্রিক সভ্যতাঃ

গ্রিক সভ্যতার উৎপত্তি হলঃইউরােপ মহাদেশের গ্রিক রাষ্ট্রের অন্তর্গত প্রাচীন কয়েকটি শহরকে কেন্দ্র করে গ্রীক সভ্যতার উদ্ভব ঘটে।বলকান উপকূলের দক্ষিণাংশ অবস্থিত গ্রিক প্রায় পার্ট হাজার বর্গমাইল ব্যাপী বিস্তৃত। ভূ-প্রকৃতি এই দেশটিকে তিনভাগে বিভক্ত করে দিয়েছে দক্ষিণ গ্রীস,মধ্য গ্রীস ও উত্তর গ্রীস। মেসিডােনিয়ান অধিপতি আলেকজান্ডারের শাসনামলে সভ্যতা সীমা ছাড়িয়ে আধুনিক মিশর, ইসরাইল,ফিলিস্তিন, লেবানন, সিরিয়া, ইরাক ও ইরান হয়ে ভারত বর্ষ পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছিল।আড্রিয়াটিক সাগর, ভূমধ্যসাগর, ইজিয়ান সাগর দ্বারা বেষ্টিত থাকার কারণে গ্রিক সভ্যতা কে ওসিনিয়ান( সাগরীয় সভ্যতা বলা হয়। অপরদিকে মিশর, ব্যাবিলন সভ্যতা ছিল নদীকেন্দ্রিক সভ্যতা।

গ্রীকদের রাজনৈতিক ইতিহাসঃ

প্রাচীন গ্রিক সমাজের বিশেষত্ব দাসপ্রথা, গ্রিকদের আগে আর কোন সমাজই দাসত্বের বুনিয়াদে উপরে গড়ে উঠে নাই।গ্রীকদের আদি বাসস্থান গ্রিসে নয়। গ্রিসে আসার পূর্বে তারা থিসালি ও এপিরাসে বাস করত। গ্রীক সভ্যতার সূচনা কাল থেকে পতন পর্যন্ত এর রাজনৈতিক অবস্থা পর্যালােচনা করে, এ সভ্যতা কে দুই ভাগে ভাগ করে আলােচনা করা যায়ঃ যথা :

হেলেনিক সভ্যতাঃ

গ্রীক সভ্যতার দুটি স্তর লক্ষ্য করা যায়। প্রথম স্তর হেলেনিক সভ্যতা এবং দ্বিতীয় স্তরে হেলেনিস্টিক সভ্যতা। গ্রীকরা তাদের ‘হেলাস’ বলতাে। তাই গ্রীক সভ্যতার উন্মেষ বা আঁদিপর্ব হেলেনিক যুগ। কেবল গ্রিক উপদ্বীপ কেন্দ্রিক এই সভ্যতার প্রধান কেন্দ্রবিন্দু ছিল এথেন্স। খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ থেকে ৩৩৬অব্দ পর্যন্ত হেলেনিক যুগ বিদ্যমান ছিল। অতঃপর রাজা ফিলিপস কর্তৃক মেসিডােনিয়া কেন্দ্রিক নতুন সভ্যতা গড়ে ওঠে। রাজা ফিলিপস এর পুত্র আলেকজান্ডার এর নেতৃত্বে গ্রীকরা ইউরােপ, আফ্রিকা ও এশিয়া বেবি বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তােলে। গ্রিক শিক্ষা সংস্কৃতির সঙ্গে বাইরের সংস্কৃতির মিশ্রণ ঘটিয়ে পরবর্তীতে যে সভ্যতার সৃষ্টি হয়। তাই হেলেনিস্টিক যুগের সভ্যতা।

গ্রীক দর্শন ও সংস্কৃতিঃ

পৃথিবীব্যাপী সভ্যতার ইতিহাসে গ্রীক দর্শন গােটা বিশ্ব দর্শন ও সভ্যতাকে প্রভাবিত করেছে।অদ্যাবধি জ্ঞানের জগতে যে সকল গ্রিক কবি দার্শনিক জ্ঞানের আলােকে বর্তিকা বিতরণ করেছেন তাদের মধ্যে বিশ্ব বিখ্যাত শিক্ষাগুরু সক্রেটিস। সক্রেটিসের ছাত্র প্লেটো ও প্লেটো এর ছাত্র এরিস্টোটল বিশেষভাবে উল্লেখযােগ্য।গ্রীক দার্শনিকদের যুক্তি, ব্যাখ্যা ও দর্শন জগতকে সমৃদ্ধশালী করে। সকল যুক্তিবাদী দার্শনিকদের সফিস্ট বলা হয়।গ্রীক দর্শনে অন্যতম দার্শনিক সক্রেটিস নিজের সত্য প্রকাশে অনড় থেকে শাসকের নির্দেশে বিষপান করে মৃত্যুবরণ করেন। তার বিখ্যাত উক্তি নিজেকে জানাে । তার শিষ্য প্লেটো এবং প্লেটো শিষ্য অ্যারিস্টোটলের সর্বকালের বিখ্যাত দার্শনিক ছিলেন। প্লেটোর বিখ্যাত গ্রন্থ সিম্পােজিয়াম রিপাবলিক এবং লজ প্রভৃতি।এরিস্টটলের বিখ্যাত গ্রন্থ লজিক, ফিজিকস এবং পলিটিক্স। পলিটিক্স গ্রন্থে রাজনীতি, গণতন্ত্র বিষয়ে মতামত তুলে ধরা হয়েছে। প্লেটোর বিখ্যাত গ্রন্থ দি রিপাবলিক। আর বিশ্ববিজেত্য আলেকজান্ডার নিজেও একজন দার্শনিক ও জ্ঞানী ব্যক্তি ছিলেন। তার শিক্ষক ছিলেন দার্শনিক প্লেটো।

গ্রিক সাহিত্যঃ

হােমারের যুগে গ্রিক সাহিত্যের চূড়ান্ত বিকাশ ঘটে। যদিও হােমারের সাহিত্য নিয়ে আলােচনা হয়েছে। হােমারের মহাকাব্য ইলিয়াড ও ওডিসি তে গ্রীকদের বীরত্বের কাহিনী বর্ণিত হয়েছে। হােমারিকযুগের পরে গ্রিক সমাজে গীতিকাব্য ও শােক গাথার আবির্ভাব ঘটে। এই সকল শােক গাথায় ব্যক্তিগত প্রণয় কাহিনীর বিবরণ রয়েছে। সােলােন ছিলেন একজন বিখ্যাত গীতিকাব্য রচয়িতা। এছাড়া বিখ্যাত। নাট্যকার ছিলেন এসকাইলাস, সফোক্লিস, ইউরিপিডিস প্রমুখ।

গ্রিক ইতিহাসঃ

ইতিহাসের জনক ছিলেন গ্রীসের বিখ্যাত ঐতিহাসিক হেরােডােটাস (৪৮৪-৪২৫খ্রিষ্টপূর্ব) ইতিহাস শব্দের ইংরেজি প্রতিশব্দ হিস্ট্রি শব্দটি গ্রিক ভাষার শব্দ। তিনি মিশর, পারস্য ও ইতালি ভ্রমণ করে ইতিহাসের বিভিন্ন উপাদান ও তথ্য সংগ্রহ করেন। এছাড়া জেনােফার নামে এক ব্যক্তি ইতিহাস সংগ্রহে খ্যাতি অর্জন করেন।

গ্রিক বিজ্ঞানঃ

বিজ্ঞান সাধনায় হেলেনিস্টিক যুগেও অসাধারণ উৎকর্ষ সাধিত হয়। সেসময় ইতিহাস গবেষণায় পলিবিয়াস, জ্যোতির্বিদ্যায় অ্যারিস্টোটল ও হিপারকাস, গণিতে | বিখ্যাত পিথাগােরাস ও ইউক্লিড প্রমুখ মুনিষীগণ জ্ঞান-বিজ্ঞানের চর্চা খ্যাতি অর্জন করেছিলেন।

রােমান সভ্যতার উৎপত্তিঃ

গ্রীক সভ্যতার সমসাময়িক রােমান সভ্যতা হেলেনিক ও হেলেনিস্টিক সভ্যতার অনেক সংস্কৃতি গ্রহণ করেছে।ঐতিহাসিকদের ধারণা, 753 খ্রিস্টপূর্বাব্দে রােম নগরী প্রতিষ্ঠিত হয়।রাজা রােমুলাস এর নামানুসারে রােম নগরীর নামকরণ করা হয় । টাইবার নদীর তীরে অবস্থিত প্রাচীন রােমান নগরীকে ‘বিশ্বের রাজধানী বলা হয়। কারণ রােমনগরীর সঙ্গে ইউরােপ, আফ্রিকা ও এশিয়া মহাদেশের বিস্তৃত যােগাযােগ ছিল। রােমিও সমাজ ও সংস্কৃতির প্রভাব ভূমধ্যসাগরের অঞ্চলসহ উত্তর ব্রিটেন, জার্মানি, পূর্বে মেসসাপটেমিয়া এবং দক্ষিনে মিশর ও লিবিয়া এ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।

রােমান ইতিহাসঃ

ঐতিহাসিকগণ রােমান সভ্যতার ইতিহাস কে কয়টি পর্বে বিভক্ত করেন।ক) রাজতন্ত্র যুগ (৭৫৩-৫১০খ্রিস্টপূর্ব), খ) প্রজাতন্ত্র যুগ(৫১০থকে ৬০খ্রিস্টপূর্ব),গ) | প্রথম কনস্যুলেট যুগ (৬০-৩১ খ্রিস্টপূর্ব),ঘ) সম্রাট অক্টোভিয়ান অগাষ্টান যুগ (খ্রিস্টপূর্ব ৩১-১৪),ঙ)অগাস্টান পরবর্তী রােমান সাম্রাজ্য (১৪-৪৭৫ খ্রিস্টাব্দ) পর্যন্ত।

অগাস্টান যুগঃ

জুলিয়াস সিজারসহ (সিজার রােমান সম্রাটদের উপাধি) অনেক বিখ্যাত শাসক রােমিও সাম্রাজ্যের শাসক ছিলেন। কিন্তু সম্রাট অক্টাভিয়ান অগাস্টাস (খ্রিষ্টপূর্ব ৩১১৪ খ্রিষ্টাব্দ) ঐতিহাসিক সর্বাপেক্ষা বিখ্যাত শাসক ছিলেন। তার সময়ে রােমিও ইতিহাস, সাহিত্য,সংস্কৃতি, শিল্পকলা, বিজ্ঞান চর্চার চুড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে। তার শাসনামলে রােমিও সভ্যতার স্বর্ণ যুগের সূচনা হয়। এজন্যই ইতিহাসের তার সময়কালকে অগাস্টান যুগ বলা হয়।

জ্ঞান-বিজ্ঞানের রােমানদের অবদানঃ

রােমিও সাহিত্যঃ

সাহিত্যের প্রতিটি শাখায় রােমানরা গ্রিকদের অনুকরণে রচনা করেন।পুটাক (২৫৪-১৮৪ খ্রিস্টপূর্ব) ১২ টি নাটকের মাধ্যমে রােমের আচরণ ও কৃষ্টির আলােকপাত করেন। রােমিও সাহিত্যে নাটকের ভূমিকা ছিল তাৎপর্যপূর্ণ। গীতিকাব্যকার ক্যাটুলাস ছিলেন খুবই জনপ্রিয়। এছাড়া সিসিররা এবং ভার্জিল সাহিত্যচর্চায় খ্যাতি অর্জন করেন।

রােমান ধর্মঃ

তাদের গৃহ ছিল ধর্ম ও দেবদেবীর আখড়া। প্রত্যেক গৃহে জেনাস নামে একজন তত্ত্বাবধায়ক দেবতা ছিল। এছাড়া ভেস্তা আগুনের দেবতা,সার্টান ফসলের দেবতা, জুনাে গর্ভবতী হওয়ার দেবতা,নেপচুন সাগরের দেবতা, ভেনাস প্রেমের দেবতা,জুপিটার আকাশের দেবতা- তাদের ছিল। পন্ডিত আরাে বলেন, রােমানদের। ২০০০০দেবদেবী ছিল। সপ্তাহের দিন গুলাের নাম গৃহের নাম অনুসারে রাখা এবং 25 ডিসেম্বর sevior দেবতার জন্মদিন হিসেবে উদযাপন করা অতীন্দ্রিয়বাদে গৃহীত আচার-অনুষ্ঠান থেকে এসেছে।

রােমান দর্শনঃ

রােমানরা দর্শনের ক্ষেত্রেও গ্রিক প্রভাব মুক্ত হতে পারেনি। গ্রীক দর্শন এর উপর ভিত্তি করে রােমান দর্শনের সূত্রপাত। বিশ্ব সভ্যতার রােমান দার্শনিকদের অবদান অপরিসীম। পশ্চিমের সক্রেটিস নামে কেটো খ্যাত ছিলেন আদি রােমান দার্শনিক।তার মতে, গ্রীক সভ্যতা নয়, রােমান সভ্যতাই সভ্য পৃথিবীতে প্রাধান্য বিস্তার করবে ।তিনি সক্রেটিসের নয় যুক্তি জ্ঞান ও নৈতিকতা শৃঙ্খলা ভক্ত ছিলেন।

রােমান সাম্রাজ্যের পতনঃ

খৃষ্টপূর্ব দ্বিতীয় শতকের শেষের দিকে ইতালি কৃষকেরা সর্বস্বান্ত হয়ে পড়ে। রােম এবং অন্যান্য বড় শহরগুলােতে সর্বহারা দল ভিড় করে। রােমের দাসমালিকরা গর্বের সঙ্গে বলতে রােমের ক্ষমতা চিরস্থায়ী। তাদের শক্তিমান রক্ষীবাহিনীর বিশাল সেনাবাহিনী অপরাজেয় কিন্তু সে শক্তি বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। জার্মান ও পারসিকরা একেকটি রােমান সাম্রাজ্য প্রদেশ গুলি দখল করতে থাকে। যারা কয়েক শতাব্দী ব্যাপী অন্যদের দাস বানিয়েছে আজ তারাই দাসে পরিণত হয়।

উপসংহারঃ

গ্রীক সভ্যতার কাছে আধুনিক বিশ্ব বিভিন্নভাবে ঋণী। এথেন্স রাজনৈতিক উৎকর্ষ সাধনে অগ্রজের ভূমিকা পালন করেছে। সর্বসাধারণের মত প্রকাশের সুযােগ দিলে যে রাষ্ট্রের কল্যান হয়, তা গ্রীক সভ্যতার প্রমাণিত। এছাড়া দর্শন বিজ্ঞান ভাস্কর্য ইত্যাদি ক্ষেত্রে গ্রীকদের অবদান অবিনশ্বর। বিশ্ববাসীর যত সভ্যতার স্বর্ণ শিখরে আরােহন করুক না কেন, শিকড়ের সন্ধান খুঁজতে গিয়ে গ্রীক সভ্যতায় অবশ্যই যেতে হবে। গ্রীষ্মের অলিম্পিক খেলা সরাসরি আধুনিক বিশ্ব কর্তৃক গৃহীত হয়েছে। তেমনিভাবে রােমান সভ্যতা ও সংস্কৃতির বিভিন্ন উপাদান নিদর্শন কলাকৌশল চিন্তা ধারা আজও বিলুপ্ত হয়নি। রােমান সাহিত্য মধ্যযুগের ইউরােপ ।

জ্ঞানচর্চার পুনরুজ্জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এভাবেই রােমান সভ্যতা প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের সব দেশের নানাভাবে অনুপ্রবেশ ঘটে। সামগ্রিক বিবেচনায় || বলা যায়, সভ্যতায় রােমানদের অবদান ছিল বেশ গুরুত্বপূর্ণ।

Conclusion

Finally, we wish the students all the best. May they bring success in their lives. And we will try our best to help them move forward. Only then can we see our work as successful. Stay with us until then.

Updated: September 19, 2021 — 5:41 am

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *